somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রোকসানা লেইস
স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

প্রকৃতি এবং থ্যাংস গিভিং

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নর্দান ক্যালিফর্নিয়ায় আগুন জ্বলছে কদিন ধরে। বিদ্যুৎ নিভিয়ে রাখা হয়েছে তিনদিন ধরে, সতর্কতা অবলম্বন করে। কথাবার্তা ছাড়া এক মিটার বরফ নেমে এলো আকাশ থেকে অক্টোবরে সাস্কাচুয়ানে । পাশে কে আছে যাকে দোষ দেয়া যায়। পাকা গমক্ষেত ভুট্টা ক্ষেত, ক্যানোলা তৈরি ছিল ফসল তোলার জন্য। অথচ সব ডুবে রইল বরফের নিচে।
চীন এবার ফসল কিনবে না জানিয়ে দিয়েছে কারন তাদের হুয়াওয়ে সিএফওকে গ্রেপ্তার করেছে কানাডা। প্রতিশোধ হিসাবে বর্জন করেছে সমস্ত ব্যবসা কানাডার সাথে।
তারপরও চাষীরা নিজের মতন ফসল ফলিয়েছিল কোথাও বিক্রি হয়েই যাবে । ফসল না ফলিয়ে মাঠ খালি রাখা ঠিক না। এক সপ্তাহ পরে সব বরফ গলে গেল কিন্তু মাঠ ভর্তি ফসল নষ্ট হয়ে গেছে এর মধ্যে।
জাপানে টাইফুন তুলকালাম নৃত্য করছে। ঘরবাড়ি তছনছ করে আপনমনে ধেয়ে যাচ্ছে। কাকে অপরাধী করবে জাপানের মানুষ। ম্যানিটভার মানুষ যখন থ্যাংসগিভিংএর আয়োজন করছে সে সময় ক্রিসমাসের বরফ তাদের শহর ঘিরে ফেলেছে। গাছপালা ভেঙ্গে পরে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে আগুন লেগে গেছে এই অক্টোবরে।
প্রকৃতির বিপযর্য়ে সাজানো বাড়িঘর, ফসল হারিয়ে ফেলছে মানুষ নিমিশে। যারা এই আক্রমণের শিকার হচ্ছে তারা কি দোষ করেছে। তারা কাকে অভিযোগ করবে।
সেবা প্রকাশনির কিছু ইংরেজি অনুবাদ বই ছোটবেলায় পড়েছিলাম নাম মনে নাই। বারমুডা ট্রাঙ্গলের রহস্য এবং পৃথিবীর আশ্চর্য রকম কিছু ঘটনার গল্প। ভয় এবং শিহরণ জাগত মনে সে সব গল্প পরে। রহস্যময় পৃথিবীর জায়গাগুলোর জন্য ছিল এক অচেনা রহম্যময় ধারনা।
যাতে হঠাৎ করে একটা বাড়ি মাটির নিচে দেবে যাওয়া বা হঠাৎ করে কিছু মানুষ গর্তে পরে নিখুঁজ হয়ে যাওয়ার মতন রহস্যময় গল্প থাকত। প্লেন জাহাজের বিনা কারণে হারিয়ে যাওয়া যা কখনোই আর খুঁজে পাওয়া যেত না। তখন এসবই রূপ কথার গল্প মনে হতো। কিন্তু এখন জানি এসব বিজ্ঞানভিত্তিক সত্য ঘটনা। পৃথিবীতে এমন রহস্য প্রাকৃতিক কারনে ঘটে। মালয়েশিয়ার বিমানটি তিনশ যাত্রী নিয়ে এই আধুনিক যুগে হারাল। শত খোঁজাখুঁজিতে সন্ধান মিলল না। কিন্তু রহস্য নয়, বৈমানিকের মরণের স্বাধ হয়েছিল।

ফ্লোরিডা সিঙ্কহোল তিনটি ট্রাককে খেয়ে ফেলেছে। অলিম্পিক খেলার সুইমিংপুলের মতন বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে ট্রান্স কানাডা হাইওয়ের উপর। নোভাস্কোসিয়া প্রভিন্সের দিকে। লেজার ম্যাপিংয়ে কয়েক ডজন সিঙ্কহোল পাওয়া গেছে রাস্তা জুড়ে।
পৃথিবীর তিন ভাগ পানি আর একভাগ স্থল। এই স্থল পানির উপর ভাসে। পানির পরিমান যখন ভূগর্ভে কমে যায় তখন তৈরি হয় মাটির নিচে চোরা গুপ্তা গর্ত। যার ভিতর সেধিয়ে যায় ঘরবাড়ি গাড়ি মানুষ হুড়মুড় করে নিমিষে।
কোন রূপকথা নয় বাস্তব বিজ্ঞান। সুপেয় পানি পানের জন্য ব্যবহারের জন্য আমরা মাটির নিচ থেকে টেনে তুলে জমিয়ে রাখছি। বোতল জাত করছি আরো নানা কাছে ব্যবহার করছি ভূগর্ভকে ফোকলা করে দিয়ে। ফোকলা ভূগর্ভ নিজেকে ভরাট করার জন্য টেনে নেয় আমাদের সাজানো বাড়িঘর রাস্তা গাছ পালা। তার টানে বদলে যায় একটা পরিবেশ চোখের পলকে। মাটিকে তার ভিতরে টেনে নেয়ার ব্যবস্থা আমরাই করে দিচ্ছি ।
শুভ থ্যাংস গিভিং লং উইকেণ্ড । ফসল তোল শীতের জন্য প্রস্তুত হও। ভালো থাকো সবাই পরিবার পরিজন নিয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২১
৫টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বৃহন্নলা-কথন এবং নিউটনের তৃতীয় সূত্রের একটি সামাজিক বাস্তবায়ন

লিখেছেন রূপম রিজওয়ান, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮



মধ্যরাত। মুহুরিপাড়ার জোড়া-খাম্বার সামনের সুনশান রাস্তাটায় দু'টো মাত্র প্রাণী। একটি আপনমনে পায়চারি করছে এদিক-সেদিক;অন্যটি খাম্বায় আলতো হেলান দিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে।উভয়ের মধ্যেই অসম্ভব মিল। দু'টোই ম্যামিলিয়ান ভার্টিব্রেট। তাই একটা সময় পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

শ্রাউড অভ তুরিন অথবা যীশুর কাফন (প্রথম পর্ব)

লিখেছেন শের শায়রী, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৩



সন্ধ্যা তখন ঘনিয়ে এসেছে, সেদিন ছিল প্রস্ততির দিন অর্থ্যাৎ সাব্বাথের দিনের আগের দিন। সে জন্য আরিম্যাথিয়া নিবাসী জোসেফ সেখানে এলেন। ইনি ছিলেন ধর্ম সভার একজন সন্মানিত সদস্য। তিনি ঐশী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ ডে- ২০১৯

লিখেছেন শায়মা, ২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:০৮


"ব্লগ ডে" এ দু'টি শব্দ মনে পড়লে আমার চোখে ভাসে কৌশিকভাইয়ার অসাধারণ কন্ঠে উপস্থাপনার ছবিটি। চোখে ভাসে জানা আপুর ছিপছিপে শাড়ি পরা চেহারাটা। চোখে ভাসে প্রায় তুষার কন্যা টাইপ ধপধপে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আত্মজৈবনিক উপন্যাসঃ স্বপ্ন বাসর (শেষ পর্ব)

লিখেছেন আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০২



আত্মজৈবনিক উপন্যাসঃ স্বপ্ন বাসর (পর্ব-১৮)

বুঝেছি আমার নিশার স্বপন হয়েছে ভোর।
মালা ছিল তার ফুলগুলি গেছে, রয়েছে ডোর।
নেই আর সেই চুপি চুপি চাওয়া,
ধীরে কাছে এসে ফিরে ফিরে যাওয়া-... ...বাকিটুকু পড়ুন

শতাব্দী রায় ভালো আছেন, সুখে আছেন

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৫৯


যাঁরা সম্প্রতি আমার পোষ্ট মোষ্ট পড়েছেন, তাঁরা নিশ্চয় শতাব্দী রায় সম্পর্কে কিছুটা জানেন: শুধু ব্লগার নুরু সাহেব অনেকবার পড়ার পরও শতাব্দী রায়কে মনে রাখতে পারেননি; নুরু সাহেব মানুষের জন্মদিনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×