somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

স্প্যানকড
স্বপ্নের খোঁজে দেখি তোমায় /বাঁধি সীমাহীন ভালোবাসায়/দাও কিছু সুখের বৃষ্টি / ভিজি আমি /উড়াই দিগন্তের নীলিমায় তোমার নামে / স্বপ্নের এক বিশাল ঘুড়ি।

৫০ বছর ধরে কাহার লবা ছিঁড়ে যাচ্ছি !

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি নেট।

সকল বুদ্ধিজীবী এবং শহীদ দের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে আরম্ভ করছি। ৫০ বছর আগে যে জঘন্যতম কাজ ফাকিস্থান করে গেছে তার খেসারত আমরা কেয়ামত পর্যন্ত দিয়ে যাবো।

ফাকিস্থানী ছাগুদের মাথায় এ বুদ্ধি কখনো আসে নাই। ইহা বাইরের মুল্লুকের বুদ্ধি। বাইরের মুল্কুক মানে মার্কিনী! কারণ এরা সরাসরি ফাকিস্থানদের সাহায্য করেছে।

ফাকিস্থনীরা তখন যেভাবে কোনঠাসা হয়ে পড়েছিল তাতে এমনিতেই আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হতো।

এমন জঘন্য কাজে সহায়তা করেছে কে? উত্তর সোজা জামায়াত। তারা চিনিয়ে দিয়েছে কার বাসা কোনটি । এখন দাড়ি টুপি লাগাইয়া কোরান হাদিস আওরায়। জানোয়ার !

একটা দেশ লুলা ল্যাংড়া করতে সে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা শেষ করে দিলেই হয়। ৫০ বছরে আমরা তেমন কয়জন ভালো আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার্থী পেয়েছি। যাদের পেয়েছি তারা আবার বিদেশ যেয়ে দেশ ভুলে গেছে। হাতে পায়ে ধরলেও এরা দেশে আসবে না। আসবেই কেন ? অমন সুযোগ এখানে কে দিবে ? তারপর অর্থের ব্যাপার আছে।

পাশের দেশ ভারত যখন সিইও বানায় আমরা তখন দলীয় ক্যাডার বানাই। পাশের দেশের লোক আমার দেশে চাকরি করে বেতন নেয় ডলারে আর আমরা কামলা দেই অন্য দেশে। বেকার ঘুরি বছর বছর ধরে।

তারপর ক্যাম্পাস কে প্রেম পিরিত আর অস্ত্রের মহরা দেয়ার জায়গা বানিয়ে ফেলা হয়েছে। পাঁচ বছর টানা চলছে প্রশ্ন ফাঁসের মহা উৎসব !  আহ !  আমার সোনার বাংলা !

আর এখনকার বুদ্ধিজীবীদের কি আর বলবো উনারা আছেন কেমনে পদক পাওয়া যায় সেই ধান্ধায় ! এরা বেশীরভাগ ধান্ধাবাজ আর তেলবাজ ! আমার প্রশ্ন বুদ্ধিজীবীর এ দল সে দল কি? তিনি সবার। না, আমাদের এখানে মুজিব পন্থী, জিয়া পন্থী ! সত্যি! অবাক করে আমায়।

আমাদের কয়টা মহল্লায় মহল্লায় লাইব্রেরীর সংখ্যা বেড়েছে ? অথচ প্রতি মহল্লায় লাইব্রেরী থাকা উচিত। আমাদের এখানে লাইব্রেরী হয়ে উঠছে প্রেম করার জায়গা !

ইউটিউবে দেখবেন স্কুল কলেজে হিন্দি গান চলছে ছাত্র ছাত্রী এমনকি শিক্ষক সহ কি উদোম নৃত্য চলছে ক্যাম্পাসে! বাহ ! সোনার বাংলা।

পৃথিবীর নামকরা ইউনিভার্সিটি গুলির ক্যাম্পাসে কয়দিন গুলির আওয়াজ শুনছেন ? আর আমাদের এখানে গোলাগুলি না হলে কিসের বালের ক্যাম্পাস!

বালের রাজনীতি দেশের *গা মেরে দিয়েছে। এই যে আবরার হত্যার রায় হলো কয়দিন আগে যারা খুন করলো এরা সবাই মেধাবী ছাত্র ছিলেন এখন ভয়ংকর খুনি ফাঁসির আসামি ।

আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এগুলা সবই জানে কে বা কারা এদের মদদ দেয়। কোনদিন এ ব্যাপারে তেমন কিছু বলেছেন ? আছে ধান্ধা আর তেল নিয়া। নিজের ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ কিন্তু ঠিকই রাখছে। মরলে মরছে সাধারণ ছাত্র ছাত্রী। 

এইজন্য বলছি কেয়ামত পর্যন্ত সেই খেসারত দিতে হবে কারণ পুর্বের বুদ্ধিজীবী গন ধান্ধাবাজ তেলবাজ আর পদকের আশায় দৌড়ায় নি। দেশকে সত্যিকারের ভালোবেসেছেন।

এমন ও বুদ্ধিজীবী দেশে আছেন যিনি এক সময় চটি গল্প লিখে ছেপেছেন আর পয়সা বানিয়েছেন। ছিঃ !

পাশের দেশ এটম বানায় আর আমরা ক্যাম্পাসে যেয়ে লিটনের খালি ফ্লাটে বান্ধবী নিয়ে সেক্স ভিডিও বানানোর সুযোগ খুঁজি। বাহ! আমার সোনার ছেলে!
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৬
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাসাগরের ধারের সেই ছোট্ট দ্বীপ সামোয়া এবং বিশ্বকাপ ফুটবল

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩২

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×