somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জর্জ অরওয়েলের "Shooting an elephant", ভারতের হিটলারের পুনর্নির্বাচিত হওয়া(ধিক ভারত ধিক !!), গণতন্ত্রের অসারতা এবং উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতাদের বিফদ !!

২৯ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সেই কুটিকালে জর্জ অরওয়েলের shooting an elephant পড়িয়াছিলাম ! একজন বামাতী শিক্ষক পড়াইয়াছিলেন।তিনি রাজনীতিও করিতেন।৬০ মিনিটের ক্লাসে ৪০ মিনিটই গল্প করিতেন ,রাজনীতির কথা বলিতেন। মাগার , যেই বিশ মিনিট পড়াইতেন মুগ্ধ হইয়া শুনিতাম ! আমাদের তখন, কেবলই আবালের দপ্তর হইতে নাম কাটা গিয়াছে। দুনিয়া রঙিন ,বড়োই রহস্যময় ! তাই তাহার রাজনৈতিক গফসফ এমনই গিলিতাম যে চোখের পলক পরিত না ! বামাতীদের আর যাইহোক প্রতিভা আছে। তবে তাহা কাজে না লাগিয়া অকাজে লাগে এই যা ! তাহারা ইবলিসের মতন জ্ঞানী , ইহুদিদের মতন কৌশলী। মাগার দিনশেষে ফলাফলে জিরোই !


বলিতেছিলাম shooting an elephant এর কথা। জর্জ অরওয়েল আমার প্রিয় লেখকদের মধ্যে একজন।তাহার 'এনিম্যাল ফার্ম' তো অনবদ্য ! বামাতীদের প্রেরিত পুরুষ স্তালিনরে এক্কেরে ল্যাংটা বানাইয়া ছাড়িয়াছেন ! সে যাউকগা ! বামাতীরা এমনিতেই ল্যাংটা ! তা স্তালিনরে ল্যাংটা বানাইলে আর নতুন কি হইবে ! তাহার চেয়ে shooting an elephant এর কথাই বলি ! লেখক নিজের বয়ানেই গল্প বলিয়াছেন। তিনি বার্মায় আংরেজ পুলিশ অফিসার ছিলেন। যেখানে আংরেজদের প্রতি ম্যাংগোপিপলের এমন ঘৃণা ছিল যে আংরেজ যেন গুয়ের মাছি ! মাগার ম্যাংগোপিপলের হিম্মত ছিল ছাত্রদলের চাইতেও বেশি, এমনকি সুযোগ পাইলে আংরেজ মহিলাদের কাপড়েও পানের পিক ফেলিতে কসুর করিত না ! বৌদ্ধ সন্যাসীদের আচরণ ছিল সবচেয়ে খাইষ্টা ! তাহারা চোখ দিয়াই আংরেজরে পরাজিত করিতে চাহিতেন, বিদ্ধেষ সঞ্চারিত করিতেন ! এহেন হিম্মতওয়ালা বিদ্রোহী পরিবেষ্টিত হইয়া জর্জের দিন কাটে ! এমনি একদিনে খবর আসিল জংলী হাতির আগমন ঘটিয়াছে ! জর্জ তখনকার ক্ষ্যাপানি অস্ত্র উইনচেস্টার রাইফেল লইয়া রওয়ানা হইলেন যদিও উহা হাতিমারা বন্দুক নহে ! তবে নেটিভ পিপল তো ইহা জানে না ! পথিমধ্যে হাতির মানুষ মারার সংবাদ পাইয়া অরওয়েল হাতিমারা বন্দুক লইয়া আসিলেন ! কাগজে-কলমে তিনি নিজেকে পশুদরদী হিসেবে বিবেচিত করিয়াছেন, বাস্তবে কি ছিলেন তাহা জানিনা ! তবে নিজ লেখনীতেই বৌদ্ধ সন্যাসীদের ভুঁড়িতে বেয়োনেট চার্জ করাকে আংরেজ অফিসারদের প্রিয় কাজ বলিয়াছেন , আর বৌদ্ধ সন্যাসীদের প্রতি তাহার বিদ্বেষ চাপা থাকেনি ! তাহার লেখনীর এই অংশ নিন্দনীয় মনে হইলেও হালের বার্মার বৌদ্ধ সন্যাসীদের সন্ত্রাসীদের উস্কিয়ে দেওয়া, গণহত্যায় নেতৃত্ব দেওয়া দেখিয়া মনে হয় অরওয়েল খারাপ কিছু বলেন নাই, তাহারা ইহার প্রাপ্য ছিল !

সে যাই হউক, নেটিভ পিপলের মাঝে সাদা চামড়ার বিলাতি ইঁদুরের মতন আংরেজ ছিল দর্শনীয় বিষয় ! একইরকম ভাবে দেশীয় ঢাল-তলোয়ারের মাঝে হাতি মারা বন্ধুকও সার্কাসের মতন আকর্ষণীয় ! অরওয়েল বন্দুক লইয়া অগ্রসর হইতেই তাহার পিছনে ২০০০ মানুষ গভীর আগহে সঙ্গী হইলো ! অরওয়েলের নিজেকে ছেলিবিটি মনে হইয়াছিল কিনা জানিনা !! ২০০০ মানুষ তাহার দিকে তাকাইয়া আছে ! তাহারা তাহার বন্দুকের দর্শনী, কেরামতি, সাহেবের সাহেবসুলভ নৃশংস ভূমিকা দেখিতে চায় ! তাহাদের প্রত্যাশার চাপ তাহার উপরে পর্বতপ্রমাণ ! লেখকের নিজের ভাষায় যদিও তিনি হাতি-মারার বিপক্ষে কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি, প্রত্যাশার চাপে তিনি হাতিটিকে হত্যা করিতে বাধ্য হইলেন, যদিও হাতির পাগলামি সারিয়া গিয়েছিলো এবং মাহুত আসিলে তাহারে সহজেই নিয়ন্ত্রণে লওয়া যাইতো। সাহেবকে সাহেবি আচরণ করিতে হয় ! এখন যদি তিনি হাতিটিকে হত্যা না করেন, নৃশংস না হন , তাহা হইলে লোকে তাহাকে কাপুরুষ বলিবে; নৃশংস, কঠোর, হারামি জাতি সমূহের লিস্টি হইতে আংরেজের নাম কাটা যাইবে ! তাই , লেখকের ভাষায়, হাতি হত্যার কাজ অনিচ্ছা সত্বেও করিতে হইয়াছে ! হাতি হত্যার পরবর্তীতে আংরেজ সমাজের বিতর্কও আংরেজ চেনার সহায়ক বটে ! প্রবীণ আংরেজ বলিতেছে , হাতি হত্যা ঠিকই হইয়াছে যেহেতু সে নরহত্যা করিয়াছিল ! নবীন আংরেজ পুরোদস্তুর বেনিয়া ! তাহার মতে, একজন কোরিংগি কুলি হত্যার অপরাধে একটা হাতির জীবন লওয়া ঠিক হয় নাই, কারণ হাতির মূল্য একজন নেটিভ কুলির চেয়ে বেশি ! ব্রাভো !!!

২. অরওয়েলের এই রচনা আমাকে খুব ভাবাইয়াছে একসময় ! শাসককে যতখানি স্বাধীন সত্বা বলিয়া মনে হয়, বাস্তবে তাহা নহে। অধিকাংশ সময় শাসককে জনমতকে মাপিয়াই চলিতে হয় ! এমনকি জনগনের প্রচ্ছন্ন ইচ্ছা, পছন্দ, চাওয়াও শাসকের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখে। হাতি মারার ইচ্ছা না থাকিলেও জনগণের কাছে নিজের, নিজের জাতের ভাবমূর্তি , রোল সাইন ঠিক রাখিতে অরওয়েলকে হাতি হত্যা করিতে হয়। প্রবল শক্তিসম্পন্ন শাসকের পক্ষেও জনমতকে উপেক্ষা করা কঠিন। তাই শাসকগন, রাজনীতিবিদগণ সবসময় জনমতকে কাজে লাগাইতে চেষ্টা করেন, ছলে -বলে-কৌশলে নিজের পক্ষে আনার চেষ্টা করেন, প্রয়োজনে উগ্র জাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় উন্মাদনা এমনকি যুদ্ধ বাধাইয়া হইলেও জনমতকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন ! গুজরাটের কসাই, ভারতের হিটলার নরাধম মোদির পুনর্নির্বাচিত হওয়া, আবাল জনগনের জনমতকে ধর্মীয় উন্মাদনা, পপুলওয়ামার যুদ্ধের মাধ্যমে ঘুরাইয়া নিজের পক্ষে আনিয়া নির্বাচিত হওয়া ইহারই প্রমান !

৩. গণতন্ত্র আমার পছন্দ নহে ! জাতিকে বিভক্ত করা সহ ইহার অনেক ত্রুটির মধ্যে একটি হইলো , জনগণ যদি অন্যায় কিছুও চাহে, শাসক তাহা মানিয়া লইতে বাধ্য ! বরং অন্যায়ের বিরোধিতা করিলে শাসকই পরিবর্তন হইয়া যায় ! আইনের ইতিহাসে বহু হাস্যকর, নৃশংস আইনের অস্তিত্ব পাওয়া যায় যাহা জনমতের চাপে প্রণীত হইয়াছিল ! ইনকুইজিশন, ডাইনি পোড়ানো, সতীদাহ প্রথা, গোরক্ষা আইন প্রভৃতির উদাহরণ দেওয়া যাইতে পারে ! হালের নিরাপত্তার অজুহাতে পশ্চিমা দেশে হিজাব/নেকাববিরোধী আইনও স্মরণ করা যাইতে পারে ! গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আইনের কোন নির্দিষ্ট, ধরাবাধা, অলংঘ্যনীয় আইন নাই বিধায় জনমতের চাপে আইন/সংবিধান পরিবর্তন হইয়া যায় ! তাই দেখা যায় , আমাদের দেশেও সংবিধান বানরের রুটির মতন বিকৃত হইয়া যায় ইন্ডেমনিটির মতন অমানবিক আইন পাশে ! ভারতের মতন গান্ধীজির দেশে মানুষ মারিয়া গো রক্ষার মতন গো-শাবকদের আইন প্রয়োগে ! বাস্তবে গণতন্ত্রে জনগণ সর্ব ক্ষমতার মালিক নহে, জনমতকে নানাভাবেই বিভক্ত, বিচ্যুত, প্রভাবিত করা যায় , দাবাইয়া রাখা যায় , নির্বাচনকে প্রভাবিত করিয়া ক্ষমতা রক্ষা, ক্ষমতায় আরোহন , কুক্ষিগত করা যায় ! হিটলারের ক্ষমতায় আশা সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই হইয়াছিল ! গুজরাটের কসাই নরাধম মোদির নির্বাচিত হওয়াও তাই অসম্ভব কিছুই নহে ! হিটলারের যেমন অনেক গুন্ ছিল, অনেক ভালো কাজ সে করিয়াছিল , একটা জাতিকে সে টানিয়া তুলিয়াছিল, হয়তো মাদিও অসভ্য ভারত কে চাঙ্গে তুলিবে ! জ্ঞানে, বিজ্ঞানে, ব্যবসায় , অর্থে ,সামরিক শক্তিতে বলীয়ান করিবে, খোলা ময়দানে হাগা ভারতীয় জাতি হয়তো ভবিষ্যতে সোনার পালঙ্কে হাগিবে , তবে পুরো জাতির কসাই মনোভাব, নৃশংস সত্ত্বা পরিবর্তন হইবে না ! কারণ ইহাকেই ক্ষমতারোহন, রাজনীতির ঘুটি বানানো হইয়াছে ! যেমন হিটলারের জার্মান জাতি সবদিক দিয়া উন্নতির শিখরে উঠিলেও নৃশংসতায় চ্যাম্পিয়ন হইয়াছিল , পুরোপুরি মেথডিক্যাল পদ্ধতিতে গণহত্যা করিয়াছিল , নরাধম মাদিও হয়ত তাহাই করিবে ! এইসব আকাম-কুকামে হিটলারও জনগণের সমর্থন-সহযোগিতা পাইয়াছিল, মোদিও যে পাইবে তাহা নিঃসন্দেহে বলা যায় !

৪। তবে হিটলার তৈরী হইয়া গেলে হিটলারেরও হিটলারি না করিয়া উপায় থাকে না ! আপনি রাবনকে রামের ভূমিকা লইতে বলিতে পারেন না ! রাবনকে রাবনের ভূমিকাই পালন করিতে হইবে ! কসাইকে যদি কসাইগিরির দক্ষতার কারণে নির্বাচিত হইতে হয় , সে কসাইগিরি কোনকালেই ত্যাগ করিতে পারিবে না ! এমনকি ভালো হইতে চাহিলেও না ! জনমতের চাপে শাসককে অনেক সময়ই ক্ষতিকর সিদ্ধান্ত লইতে হয়, জনগনের চাহিদামতন ভূমিকা রাখিতে হয়, ন্যাক্কারজনক হইলেও ! জর্জ অরওয়েলের কথা ইহাই ! হিটলারকে হিটলার বানাইয়াছে জনগণই ! তাহার উগ্র জাতীয়তাবাদে হাওয়া দিয়াছে জনগণই ! জনগনের বিপুল মাত্রায় সমর্থন না থাকিলে এমন সর্বাত্মক যুদ্ধ, গণহত্যা সম্ভব নহে ! আজ যাহারা মোদিকে মোদী হইতে সমর্থন সহায়তা করিতেছে, মোদির ভূমিকা ঠিক করিয়া দিতেছে সেই আবাল ভারতের জনগণই মোদির বিপদ ডাকিয়া আনিবে !

৫. পুরো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেই আমার কাছে যাত্রাপালার মতন লাগে !যেখানে শাসক হইলো নায়ক, বিরোধীদলগুলো হইলো ভিলেন, ক্ষমতা হইলো ইহার মঞ্চ, জনগণ হইলো দর্শক যাহাদেরকে মুগ্ধ করিতে হয় নচেৎ হাততালি,ভাত নাই !
শিক্ষিত, বিবেকবান বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় হইলো বিবেক যাহারা অনুচ্চ, মিনমিনে স্মরে নায়ক কে, অভিনেতা/অভিনেত্রীদের কি করিতে হইবে, কি বলিতে হইবে তাহা বলিয়া দেয় ! উল্ল্যেখ্য যে, বিবেক দর্শকসারিতে বসে না, দর্শক বা জনগনের সাথে তাহার সম্পর্ক নেই ! বাস্তবে দর্শক বা জনগণের বিবেক, বুদ্ধিমত্তা, বিবেচনাবোধ নাই । তাহারা বিনোদন, উত্তেজনা পছন্দ করে, ইন্দ্রিয়সুখ, স্বার্থসিদ্ধিই ইহাদের লক্ষ্য, ইহাতেই তাহাদের তৃপ্তি। কোনকিছু তলাইয়া দেখা, এভালুয়েশন করার যোগ্যতা জনগনের নাই। একারণেই গণতন্ত্র ব্যার্থ , কারণ প্রার্থী , দল, নির্বাচনের যোগ্যতা বাস্তবে জনগনের নাই। এই যোগ্যতা তখনই হইবে যখন অন্তত সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ শিক্ষিত , বুদ্ধিমান, বিবেচনাবোধ সম্পন্ন হইবে। ইহাও সম্ভব নহে , কোনকালেই সম্ভব হয় নাই, হইবেও না !

৬. হিন্দুত্ববাদের ধোঁয়া , মুসলিম বিদ্বেষ , উগ্র জাতীয়তাবাদ ভারতে নতুন নহে ! ইহা বরং দেশভাগের আগে হইতেই চলিতেছে। সংঘ পরিবার, হিন্দু মহাসভা প্রভৃতির মাধ্যমে সংগঠিত হইয়া আজকের বিজেপি মহীরুহ হইয়াছে ! প্রথমদিকে গোখলে , বল্লভ , প্যাটেল জমি চাষ করিয়াছে , নেহেরু জমি তাহাদের কাছে বর্গা দিয়াছে। কালে কালে তাহারা শক্তি সঞ্চয় করিয়া নিজেরাই মালিক বনিয়াছে ! কংগ্রেসের সময় অজস্র দাঙ্গায় কংগ্রেসের সহায়তা তাহাদের হিন্দুত্ববাদ, মুসলিম বিদ্বেসের প্রমান রাখিয়াছে বারবার, উফরে তাহারা যাহাই বলুক ! সর্বশেষ বাবরি মসজিদ ভাঙার সময় নরসীমা রাও কানে তুলো দিয়া পুজোয় বসিয়াছিলেন ! আমাদের দেশের বিম্পির মধ্যে যেমন দুই গ্রূপ ছিল , একটা বিম্পি আরেকটা হইলো জামাত সমর্থিত বিম্পি , তেমনি ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও একদল হইলো হিন্দুত্ববাদ, মুসলিম বিদ্বেষী রাজনীতিবিদ আরেকদল সাধারণ রাজনীতিবিদ ! নেহেরু আদতে হিন্দুত্ববাদী ছিলেন, ছিলেন অনেকেই ! তাই জমি পাইতে হিন্দুত্ববাদীদের কষ্ট হয় নাই ! সময়মত তাহারা ক্যামোফ্লেজ সরাইয়া পর্দায় আসিয়াছে মাত্র ! সামনে বিজেপিতে যাওয়ার হিড়িক পড়িবে ! পর্দা সরাইতে সবাই উদগ্রীব হইবে !


৭. বস্তুতঃ যে হিন্দুত্ববাদ , মুসলিম বিদ্বেষের হাওয়া তৈরী করিয়া নরাধম মোদী পুনরায় ক্ষমতায় আসিল, ইহাই তাহার বিফদ ডাকিয়া আনিবে ! জনগণের মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরী হইয়াছে তাহা মাদীকে পুলওয়ামায় যুদ্ধ করিতে ঠেলিয়াছে ! উপমহাদেশের নিজ জনগনের ইয়ে মারিতে পারঙ্গম সশস্ত্রবাহিনীগুলো অন্য দেশের সাথে যুদ্ধ পছন্দ করে না, কারণ ঐখানে মরার চাঞ্চ আছে। ভারত-পাকিস্তানের সশস্ত্রবাহিনীগুলোও ব্যতিক্রম নহে ! কিন্তু যে মুসলিম বিদ্বেষের ধোঁয়া, জনগনের ইচ্ছা মোদিকে পাকিস্তান আক্রমনে ঠেলিয়াছে কাল তাহা চীন আক্রমনে ঠেলিতে পারে, পারে পাকিস্তানের সাথে পুরো মাত্রায় যুদ্ধ বাঁধাইতে ! আদতে মোদি এখন ভারতের হিটলার, হিটলারি না করিয়া তাহার উপায় নাই ! জনগনরে বিনুদুন দিতে, জনগণের ইন্দ্রিয়সুখ মেটাইতে, জনগনের হাততালি পাইতে হইলে হিটলারের এক্টিং তাহাকে চালাইয়া যাইতে হইবে ! ইহাই মোদির বিপদ, ইহাই ট্রাম্প , সিংপিং, পুতিন সকল উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতাদের বিপদ ! তাহারা এমন এক দৈত্যকে জাগাইয়া ক্ষমতায় যাইতে , থাকিতে চাহিতেছে যাহা প্রকারন্তরে তাঁহাদেরকেই বিপদে ফেলিয়া গোটা বিশ্বে যুদ্ধ বাধাইয়া দিবে !
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮
২৫টি মন্তব্য ২৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাস্তায় পাওয়া ডায়েরী থেকে-১১১

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২২



দুটি হাঁসের পিছনে একটি হাঁস, দুটি হাঁসের সামনে একটি হাঁস, এবং দুটি হাঁসের মাঝখানে একটি হাঁস। মোট ক’টি হাঁস রয়েছে?

১। লোকে যে কেন বসন্তের গুনগান করে বুঝতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোয়াবিয়া ছিল সত্যদ্রোহী, হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমাণীত

লিখেছেন রাসেল সরকার, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৩




عن أَبِي سَعِيدٍ الخدري ، قَالَ: " كُنَّا نَحْمِلُ لَبِنَةً لَبِنَةً وَعَمَّارٌ لَبِنَتَيْنِ لَبِنَتَيْنِ ، فَرَآهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَنْفُضُ التُّرَابَ عَنْهُ ، وَيَقُولُ: وَيْحَ... ...বাকিটুকু পড়ুন

গাড়ীর সবকিছু এক নম্বর শুধু ব্রেকটা একটু নড়বড়ে!

লিখেছেন শাহিন-৯৯, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০২




দলের ভিতর শেখ হাসিনার চলমান শুদ্ধি অভিযান দেখে উপরের শিরোনামটি মনে পড়ল, ভাল কিছু করতে হলে আগে নৈতিক স্বচ্ছতা থাকতে হয় তাহলে মানুষ মন থেকে নিবে।
ছাত্রলীগের... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি রক্তাক্ত লাল পদ্ম

লিখেছেন ইসিয়াক, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪


সেল ফোনটা বেজেই চলেছে ।বিরক্ত হয়ে ফোনটা তুললাম। রাগে গা জ্বলে যাচ্ছে বলে নাম্বারটা না দেখেই চেঁচিয়ে বললাম ।
-এই কে ?
- আমি ।
মিষ্টি একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সবাই যদি দেশকে ভালোবাসে, এত ভালোবাসা যায় কোথায়?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৮



সবাই ভালোবাসা চায়, সবাই ভালোবাসতে চায়, নারীরা হয়তো একটু বেশী চান, এটাই প্রকৃতির নিয়ম! কোন দেশ তার নাগরিকের কাছে কোনদিন ভালোবাসা চাইতে আমি শুনিনি; বিশেষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×