somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

তরুণ কুমার জানা
মধ্যবিত্ত পেটুক বাঙালি। জীবনের একমাত্র লক্ষ্য লোকের টাকায় বিরিয়ানি খাওয়া। একসঙ্গে তিন প্লেট বিরিয়ানি উড়িয়ে দেওয়ার বিশেষ প্রতিভার অধিকারী। পেশাগত জীবনে তেলমাখানো কলাগাছে একটা বাঁদর তিন কিমি উঠলে আর পাঁচ আলোকবর্ষ নীচে নামলে বাঁদরটার বয়স নির্ণয় করতে হয়।

মল্লিক স্যার ও মৌলিক সংখ্যা

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সেকেন্ড পিরিয়ড।ক্লাস সিক্সে মৌলিক সংখ্যা পড়াচ্ছিলেন মল্লিক স্যার...মলয় মল্লিক।শহরতলির এই স্কুলটায় তাঁর নয়-নয় করে বারো বছর শিক্ষকতা করা হয়ে গেল।অবসর নিতে এখনো বছর দুয়েক বাকি আছে।এ তল্লাটে মলয়বাবুকে সব্বাই একডাকে চেনে।কত ছাত্রকে যে মল্লিক স্যার হাতে ধরে অঙ্কের বৈতরণী পার করে দিয়েছেন,তার ইয়ত্তা নেই।তাঁর বেশ কয়েকজন ছাত্র এখন নামীদামী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্কের প্রোফেসর-এরকম দৃষ্টান্তও রয়েছে।মোদ্দা কথা হল,এই শহরতলিতে অঙ্ক শিক্ষক হিসাবে মল্লিক স্যার নিঃসন্দেহে সেরার শিরোপাটি দখল করে বসে আছেন।

মল্লিক স্যার বোর্ডের ওপর মৌলিক সংখ্যাগুলি লিখতে লিখতে বোঝাচ্ছিলেন,”মৌলিক সংখ্যা...অর্থাৎ যেসব সংখ্যা শুধুমাত্র এক এবং সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য,তাদেরই মৌলিক সংখ্যা বলে।যেমন তোমরা মনে করো...৭...এই সাতকে আমি শুধুমাত্র ১ ও ৭ দিয়েই ভাগ করতে পারি,অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে পারিনা...সুতরাং ৭ একটি মৌলিক সংখ্যা।আবার ধরো...৯...এখন নয়কে আমরা ১,৩ এবং ৯ দিয়ে ভাগ করতে পারি...কাজেই বুঝতে পারছো,৯ মৌলিক সংখ্যা নয়...অর্থাৎ যৌগিক সংখ্যা…”

মল্লিক স্যারের হঠাৎ চোখ পড়ল একেবারে লাস্ট বেঞ্চের দিকে...সেখানে তখন রীতিমতো মজলিশ বসে গেছে।ক্লাসের মধ্যে বেয়াদবি একদমই সহ্য করতে পারেন না মল্লিক স্যার।তিনি চান অনুগত,বাধ্য ক্লাসরুম...যেখানে সবাই মুখ নীচু করে তাঁর নির্দেশ মেনে চলবে।সুতরাং তাঁর সেই বিখ্যাত বাঁজখাই গলায় হুংকার ছাড়লেন,”এই যে হতভাগারা,কী হচ্ছে ওখানে…??এই যে তুমি…কী নাম যেন??স্ট্যান্ড আপ…!!”
মল্লিক স্যারের নির্দেশে একজন গোবেচারা ছেলে লাস্ট বেঞ্চ থেকে উঠে দাঁড়ালো।

-”বলি,এত হাসির কী হল?আমাকে দেখে কি জোকার বলে মনে হচ্ছে?নাকি এখানে সার্কাস চলছে?”,মল্লিক স্যারের রাশভারী মেজাজের সঙ্গে সকলেই পরিচিত,কাজেই ক্লাসের মধ্যে পিন পড়ার নিস্তব্ধতা।

ছেলেটি আমতা আমতা করে বলল,”স্যার,অনিমেষ বইয়ের উপর একটা ছবি এঁকেছে...তাই দেখে সবাই হাসছে…”

গর্জন করে উঠলেন মল্লিক স্যার,”কে অনিমেষ? এত বড় দুঃসাহস!!হারামজাদা...এদিকে আয় বলছি…!!”

এবারে শুকনো মুখ করে একজন ছেলে উঠে দাঁড়ালো,”স্যার ভুল হয়ে গেছে...আর করবো না…”

-”ভুল হয়ে গেছে মানে?মামদোবাজি নাকি?কী এঁকেছিস তুই?এদিকে নিয়ে আয় দেখি…”

গুটিগুটি পায়ে হাতে বই নিয়ে অনিমেষ তাঁর দিকে এগিয়ে এল।বইটা হাতে নিয়ে মল্লিক স্যার বুঝতে পারলেন,হাসি পাওয়ার মতোই ব্যাপার। এমনিতেই অঙ্ক বইতে খুব একটা ছবি-টবি থাকে না।সৌভাগ্যবশতঃ ‘মৌলিক সংখ্যা’ চ্যাপ্টারটার শুরুতে ইউক্লিডের একখানা ছবি আছে।অনিমেষ সেই ছবিটার ওপরেই কলম দিয়ে চশমা,গোঁফ,দাড়ি ইত্যাদি ইত্যাদি এঁকে দিয়েছে...ফলে পুরো ছবিটাই বেশ মজার লাগছে।

এবার মাথা গরম হয়ে গেল মল্লিক স্যারের।সপাটে একটা চড় কষালেন অনিমেষের গালে,”হারামজাদা,পেছন বেঞ্চে বসে বসে এইসব বেয়াদবি করছিস???জানিস,যার ছবিতে তুই এই বাঁদরামিটা করেছিস,তিনি কত বড় মাপের একজন গণিতবিদ ছিলেন।ফের যদি এরকম বাঁদরামি করবি তো,চাবকে পিঠের ছাল তুলে নেব…!!”

এবার তিনি ক্লাসের দিকে তাকিয়ে বললেন,”তোমরা কি জানো?২,৩,৫,৭,১১...মৌলিক সংখ্যার এই যে সারিটা এটা আসলে অসীম সারি...তার মানে সবথেকে বড় মৌলিক সংখ্যা বলে কিছু হয় না...আর এই গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটাই সহজ ভাষায় প্রমাণ করেছিলেন ইউক্লিড।কিন্তু দুঃখের বিষয় কী জানো,এই ২০১৯ সালে এসেও আমরা একটা সংখ্যা মৌলিক সংখ্যা কিনা সেটা পরীক্ষা করার কোনো সহজ-সরল নিয়ম আবিষ্কার করতে পারলাম না…তার মানে,তোমাকে যদি প্রশ্ন করা হয়,১০০-তম মৌলিক সংখ্যা কোনটা?অথবা ১২৩৪৫৬৭ সংখ্যাটা মৌলিক কিনা?তাহলে তোমাকে এর আগের প্রত্যেকটা সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে করে দেখতে হবে ভাগ যাচ্ছে কিনা...এছাড়া আর কোনো সহজ রাস্তা নেই…”

অনিমেষের কান মুলে দিয়ে তিনি বললেন,”তোর কাজ হচ্ছে কালকে ক্লাসে এসে আমাকে প্রথম দশটা মৌলিক সংখ্যা মুখস্থ বলবি।আর যদি না বলতে পারিস,তাহলে তোর একদিন কী আমার একদিন…!!ক্লাসের মধ্যে তোর এই বেয়াদবি আমি বের করছি…!!”
ইতিমধ্যে ক্লাস শেষের ঘন্টা বাজলো,মল্লিক স্যার বেরিয়ে পড়লেন।

মল্লিক স্যার আগে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন।বছর পাঁচেক হোলো স্টেশনের দিকটায় একখানা দোতলা বাড়ি করেছেন।অবশ্য বাড়িতে তিনি একাই থাকেন।বছর তিনেক হোলো স্ত্রী মারা গেছেন,একমাত্র ছেলে সন্তু চাকরিসূত্রে ব্যাঙ্গালোরে থাকে।একজন কাজের লোক আছে বটে,তবে সে শুধু সকালবেলাটাই আসে...দুবেলার জন্যে রান্নাবান্না করে ফ্রিজে রেখে দিয়ে চলে যায়।অবশ্য মল্লিক স্যারের তাতে কোনো সমস্যা নেই,তিনি ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে চলতেই ভালোবাসেন।
বয়সের সাথে সাথে মানুষের ঘুম কমে যায়।প্রতিদিন নিয়মমতো ভোর তিনটের সময় ঘুম ভেঙে যায় মল্লিক স্যারের...তখন তিনি পড়াশোনা করতে বসেন।আজও সেইমতো বই নিয়ে বসেছেন মল্লিক স্যার।ইদানীং তিনি মৌলিক সংখ্যা নিয়ে রীতিমতো গবেষনা করছেন।সত্যিই,মৌলিক সংখ্যা বড় বিচিত্র।১ থেকে ১০০০-এর মধ্যে যত মৌলিক সংখ্যা আছে,১০০১ থেকে ২০০০-এর মধ্যে তার থেকে কম মৌলিক সংখ্যা আছে।এইভাবে যত এগোনো যাবে মৌলিক সংখ্যার ঘনত্ব তত কমতে থাকবে...ব্যাপারটা অনেকটা বায়ুমণ্ডলের মতো,নীচের দিকে বায়ুর ঘনত্ব বেশি,আর যত উপরে ওঠা যায় বায়ুর ঘনত্ব কমতে থাকে।শুধু তফাত একটাই,বায়ুমন্ডল যেমন একটা উচ্চতার পরে শেষ হয়ে যায়,মৌলিক সংখ্যার ক্ষেত্রে সেটা হয়না...আর এই ব্যাপারটাই প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে প্রমাণ করে গিয়েছেন ইউক্লিড। কিন্তু মুশকিলটা হোলো,আজ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার শ্রেনীতে কোনো বিশেষ প্যাটার্ন,কোনো বিশেষ ধাঁচ খুঁজে পাওয়া যায়নি…

মল্লিক স্যারের চিন্তায় ছেদ পড়ল।দরজায় কেউ ধাক্কা দিচ্ছে।এই ভোররাতে তাঁকে কার প্রয়োজন পড়ল?স্কুলের হেডমাস্টার বেশ কয়েকদিন ধরেই হাসপাতালে ভর্তি আছেন...কিডনির সমস্যা।তবে কি কোনো দুঃসংবাদ?কিন্তু তাহলেও তো কেউ তাঁকে ফোন করতে পারতো,এই ভোররাতে তাঁর দরজায় ধাক্কা দেওয়ার প্রয়োজন পড়তো না।চোর-ডাকাত নয়তো?অবশ্য দামি জিনিসপত্র বা টাকাপয়সা সবকিছুই তিনি ব্যাংকে রাখেন,তবু চোর-ডাকাত তো আর তাঁর কথা বিশ্বাস করবে না...শেষে বুড়োবয়সে প্রাণটা খোয়াবেন নাকি?সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে দরজা খুললেন মল্লিক স্যার,এবং খুলেই চমকে উঠলেন!!তাঁর সামনে পাঁচ ফিট পাঁচ ইঞ্চির একটা খুব পরিচিত চেহারা...গত ৫৮ বছর ধরে তিনি এই চেহারাটিকে রোজ দু’বেলা দেখে আসছেন...এবং সেটা তাঁর আয়নায়।হ্যাঁ,মল্লিক স্যার এখন নিজের প্রতিরূপের সামনেই দাঁড়িয়ে আছেন।প্রতিরূপের পাশেই একটা বাচ্চা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে...ছেলেটি আর কেউ নয়,তাঁর ক্লাস সিক্সের ছাত্র অনিমেষ।

মল্লিক স্যারের প্রথমেই মনে হল,অনিমেষ তাঁর সঙ্গে বদ রসিকতা করছে।ক্লাসে তাঁর বকাঝকা করার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যে কাউকে তাঁর মতো সাজিয়ে তাঁকে ভয় দেখাচ্ছে।কঠিন স্বরে তিনি জিগ্যেস করলেন,”কী ব্যাপার অনিমেষ?তুমি যে দিন দিন একটা বাঁদর তৈরি হচ্ছো সেটা তো আন্দাজ করতে পারিনি...তোমার বাবাকে আমার সাথে দেখা করতে বোলো...তুমি দিনের পর দিন নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছো…!!”

অনিমেষ কিছু বলল না,মুখ খুললো তাঁর প্রতিরূপ...হুবহু তাঁর মতোই বাঁজখাই গলা,”মিঃ মল্লিক,আমাদের ভুল বুঝবেন না...আমরা আসছি প্যারালাল ইউনিভার্স থেকে।”

প্যারালাল ইউনিভার্স…অর্থাৎ কিনা সমান্তরাল বিশ্ব।মল্লিক স্যার কল্পবিজ্ঞানের গল্পে পড়েছিলেন বটে,আমাদের বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মতোই আরো অসংখ্য বিশ্বব্রহ্মাণ্ড আছে...সেখানে পৃথিবীর মতোই গ্রহ আছে,শুধু তাই নয়...আমাদের প্রত্যেকের প্রতিরূপ সেখানে আছে।ঠিক পৃথিবীর জেরক্স কপি যেন!এসব গাঁজাখুরি গল্প ছাড়া আর কিছুই মনে হয়নি মল্লিক স্যারের।কাজেই একটু তাচ্ছিল্যের সঙ্গেই বললেন,”বটে?তা...সেখান থেকে এলেন কীভাবে?বাসে না ট্রেনে?”

প্রতিরূপ উত্তর দিল,”সময়যাত্রা করে...দেখুন আপনার হয়তো আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না,কিন্তু আমি একটুও মিথ্যে বলছি না।আমাদের গ্রহ আপনাদের থেকে বিজ্ঞানে অনেক এগিয়ে গেছে...বিশেষ করে গণিতচর্চায় আমাদের গ্রহ অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে।এই যেমন ধরুন,আমরা মৌলিক সংখ্যার মধ্যে একটা বিশেষ প্যাটার্ন আবিষ্কার করেছি।যার ফলে একটা সংখ্যা মৌলিক কিনা সেটা বলা আমাদের কাছে জলভাত।আপনি নিজেই পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।আপনি আমার ছাত্রকে প্রশ্ন করে দেখুন,আশা করি আপনার সন্দেহ দূর হবে।”

সন্দেহ দূর করার জন্যে মল্লিক স্যার অনিমেষকে একটার পর একটা জটিল প্রশ্ন করে গেলেন…এবং আশ্চর্যের ব্যাপার,অনিমেষ প্রত্যেকটা প্রশ্নেরই নিখুঁত উত্তর দিল,যেসব প্রশ্নের উত্তর একজন ক্লাস সিক্সের ছেলের পক্ষে কিছুতেই দেওয়া সম্ভব নয়,অনিমেষের মতো ফাঁকিবাজের পক্ষে তো নয়ই।তিনি বিস্মিত হয়ে শুনলেন,অনিমেষ গড়গড় করে প্রথম একশোটা মৌলিক সংখ্যা বলে গেল…

মল্লিক স্যার উত্তেজনায় থরথর করে কাঁপতে লাগলেন।এবার তাঁর প্রতিরূপের গলা ভেসে এল,”শুনুন মিঃ মল্লিক,আমাদের গ্রহের ছেলেমেয়েরা আর কেউ ছবি আঁকে না,গান করে না...সারাদিন বইয়ে মুখ গুঁজে বসে থাকে,ওরা দুষ্টুমি করতে ভুলে গেছে।তাই এই পড়ুয়া অনিমেষকে এই গ্রহে রেখে যেতে চাইছি,তার বদলে এই গ্রহ থেকে দুষ্টু-ফাঁকিবাজ অনিমেষকে আমাদের গ্রহে নিয়ে যেতে চাই।বলুন,আপনি রাজি আছেন?”

মল্লিক স্যার ভ্যাবাচ্যাকা খেলেন,”না...মানে...আমি ঠিক…”

জলদগম্ভীর কন্ঠে প্রতিরূপ বললো,”আপনার তো খুশি হওয়ার কথা।আপনি তো এরকমই চান…বলুন,মিঃ মল্লিক...আমি অনেক আশা নিয়ে এসেছি…”

মল্লিক স্যার আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলেন না, তাঁর মাথাটা হঠাৎ ঘুরে উঠল...তিনি যেন চারপাশে অন্ধকার দেখলেন…

পরদিন সকালে কাজের লোক তাঁকে সদর দরজার কাছে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে।কী কারনে তিনি ভোররাতে সদর দরজা খুলে বাইরে বেরিয়েছিলেন তার সদুত্তর দিতে পারেননি।

সুস্থ হয়ে দিন দুই পরে স্কুলে গেলেন মল্লিক স্যার।সেদিন ক্লাস সিক্সে গিয়ে দেখলেন,অনিমেষের স্বভাবে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন ঘটেনি।ঠিক সেরকমই চঞ্চল-ছটফটে...যেরকমটা দুদিন আগে দেখে গিয়েছিলেন।অনিমেষকে কাছে ডেকে মাথায় হাত বুলিয়ে তিনি বললেন,”শোনো বাবা,তোমাকে প্রথম দশটা মৌলিক সংখ্যা মনে রাখতে হবে না।ছবি আঁকাটা মন দিয়ে শেখো...তোমার দ্বারা হবে…”

দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজের মনেই মল্লিক স্যার বললেন,”আমরা আজও অনিমেষদের প্রতিভা বুঝতে পারলাম না...হয়তো কেউ ওদের মূল্য বুঝছে,অন্য কোথাও,অন্য কোনো সমান্তরাল বিশ্বে…!!”


আমার ফেসবুক পেজের লিংক:The Unbiased Pen


আরো গল্প-কবিতা পড়তে আমার পারসোনাল ব্লগ ভিজিট করুন
: The Unbiased Pen



সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৯
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিভাবে আমি সামহোয়্যার ইন ব্লগে ব্লগিং এ এলাম[এই পোস্টটি আমার সামুতে ৫০০তম পোস্ট]

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৫ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:৫৬


আমার ছোটবেলার বন্ধুদের আমি জীবনের এক জটিল বাঁকে এসে হারিয়ে ফেলি।অনেকদিন তাদের সাথে কোন দেখা নেই,কথা তো দুরের ব্যপার। দীর্ঘ বিচ্ছেদ,কিন্তু ছোটবেলার বন্ধুদের কি ভোলা যায়? বয়স... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন সন্মানিত ব্লগারকে যৌন হয়রানির অভিযোগ আদালতে প্রমানিত হওয়ায় অবিলম্বে নোয়াখালী সাইন্স অ‍্যান্ড কমার্স কলেজের অধ‍্যক্ষ আফতাব উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করার দাবী জানাচ্ছি।

লিখেছেন জেন রসি, ০৫ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৪:১৯




নোয়খালী সাইন্স অ‍্যান্ড কমার্স কলেজের অধ‍্যক্ষ ড. আফতাব উদ্দীনের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের মার্চ মাসে যৌন হয়রানির কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ করেন উম্মে সালমা। যিনি সামহোয়ারইন ব্লগে এরিস নিকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন দেশে শেখ কামালের ভুমিকা কি ছিলো?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৯



আওয়ামী লীগ 'সরকারী দল', এটা সঠিক; কিন্তু উহার বর্তমান কার্যকলাপে উহাকে একটি রাজনৈতক দল বলা কঠিন ব্যাপার; দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আওয়ামী লীগ দেশ শাসন নিয়ে ব্যস্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভোরের পাখি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৫ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪২



আমি কবি নই, লেখকও নই - আমি একজন ব্যবসায়ী মানুষ। সততার সাথে এক সময়ে চাকরি করেছি, সততার সাথে ব্যবসা করছি - জীবনে হাড্ডাহাড্ডি প্রচুর পরিশ্রম করেছি আজো প্রচুর পরিশ্রম... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুর বুকে ফিরে আসা কিছু ব্লগারের লিস্ট এবং ফিরতে চাওয়া/ফিরে আসা ব্লগারদের ৩ টি সমস্যার সমাধান!

লিখেছেন সামু পাগলা০০৭, ০৫ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৩২



সামুতে কিছু পুরোন ব্লগারেরা ফেরা শুরু করেছেন। এটা সামুর জন্যে অবশ্যই ভালো একটি সাইন। সামু যেসব কারণে অনেক গুণী ব্লগার হারিয়েছিল, সেসব সমস্যা আজ আর নেই বললেই চলে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×