তোমার নিষিদ্ধ নগরী তুমি আগলে রেখেছ-
কাঁটাতার আর ইস্তপাতের দেয়ালে।
সাঁজোয়া যানে স্থির আছে তোমার সৈনিক।
তুমি হুংকার দিলেই হুংকার দিবে মারণাস্ত্র থেকে-
ছুটে আসবে ক্ষুধার্ত বুলেটেরা!
আমি সব জেনেই নগরীর দেউরীতে-
এদিকটায় কেমন অচেনা পাখির ডাক
ইস্পাতের দেয়ালেও জন্মে গেছে পাহারী গুল্ম!
তোমার উপত্যকার আকাশেরো বিষাদ মাখা মেঘ,
কবির চোখ শুধু খুঁজে ফিরছে আটপৌড়ে ভালোলাগা।
তোমার ভয়ংকর মুখে কি সরল দৃষ্টি
এখনো গাল জুড়ে কান্নার দাগ, বিষাদের ছাপ
তবুও তুমি শীতল কন্ঠে দাও যুদ্ধের ডাক!
এক দিকে রক্তপিপাসু হায়েনার দল-
অন্যদিকে উদাসী এক চির-তরুণ কবি!
অসম অস্ত্রের লড়াই এই মহাযুদ্ধের ময়দানে।
ঝনঝনিয়ে উঠছে অস্ত্রের সারা দেহ-
কামানের গোলায় প্রকম্পিত সমস্ত প্রান্তর
যেন ভুলে ইস্রাফিল ফুঁ দিয়েছে শিঙ্গায়!
হঠাৎ সব কিছু থেমে গেলো, বিহ্বল চারিদিক-
কবিতারা বেরিয়ে আসছে, যেন স্বর্গফেরত বাহিনী!
তাদের গতিপথ সমগ্র অস্ত্রের হৃদপিন্ড জুড়ে-
তাদের পথচলা সমস্ত সৈনিকের মস্তিষ্ক ছিঁড়ে!
এবার তোমার ধ্বংস নগরীতে তুমি একদম একা
আমার কবিতা ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছে-
তোমাকে আঁকরে রাখা বীভৎস এক সত্তাকে!
তুমি এখন একদম পবিত্র এক মায়াবতী।
তোমার উন্মুক্ত বুকে এবার আমি মিশে যাচ্ছি-
কতপ্রান্তর পেরিয়ে এখানেই আমি দাঁড়িয়ে-
একবার বুক ভরে নিঃশ্বাস,একবার শুধু তোমার ঘ্রাণ
আমি হারিয়ে যাচ্ছি তোমার অলৌকিক ভূবনে-
আমি তলিয়ে যাচ্ছি আমার একান্ত স্বর্গে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


