১। সেনাবাহিনীর অধীনে নির্বাচন কমিশন ভোটার লিস্ট প্রণয়নের কাজ করবে।
২। প্রথমে একটি খসড়া ভোটার লিস্ট ডাটা বেজ হিসাবে প্রণয়ন করে ওয়েব সাইটে দিয়ে দিতে হবে।
৩। সিডি হিসাবে ও প্রিন্ট কপিও প্রকাশ করতে হবে।
৪। প্রথম আপত্তি উত্থাপনের জন্য এক মাস সময় দিতে হবে।
৫। আপত্তি উত্থাপিত হলে এক মাস সময় নিয়ে তদন্ত করে নিষ্পত্তি করতে হবে।
৬। মিথ্যা আপত্তি উত্থাপনকারীকে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।
৭। উত্থাপিত আপত্তি নিষ্পত্তি করার পর ২য় খসড়া পূর্বের ন্যায় আবারও প্রকাশ করতে হবে।
৮। ২য় আপত্তি উত্থাপনের জন্য আরো এক মাস সময় দিতে হবে।
৯। ২য় আপত্তি উত্থাপনের পর পূর্বের ন্যায় তদন্ত করে নিষ্পত্তি করতে হবে।
১০। সমস্ত আপত্তি নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
১১। ওয়েব সাইট, সিডি ও প্রিন্ট কপি হিসাবে যে কেউ ভোটার লিস্ট পেতে পরবে।
১২। চূড়ান্ত ভোটার লিস্ট শুদ্ধ হিসাবে গণ্য হবে। কেউ কোন প্রশ্ন উত্থাপন করতে পাড়বে না।
১৩। এক ব্যক্তি একাধিক বার অন্তর্ভুক্ত হলে ডাটা বেজ থেকে সার্চ ইঞ্জিন দিয়ে সার্চ করে বাদ দিতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



