somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কতটা উপযুক্ত শিক্ষার মাধ্যমে যোগ্য নাগরিক হিসেবে আমাদের গড়ে তুলছে? নাকি যারা এখানে ভালো করছে তারা কিছুটা স্ব-উদ্যেগী হয়ে শত প্রতিকূলতার মাঝেও নিজেকে উপযুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্ঠা করে যাচ্ছে...।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছাত্রদের কতটা জ্ঞানের যোগান দিচ্ছে, আর ছাত্ররা নিজেরাই তা কতটা অর্জন করছে।

যদিও ওপরের লাইনটা একটা বিতর্কের সূচনা করতে পারে যে তাহলে ছাত্রদের কি ইউনিগুলো পড়াগুনা খাওয়া্য়ে দিবে। ছা্ত্রদের নিজেদেরই তো পড়তে হবে। হ্যাঁ, এই প্রশ্নের মাঝেই উত্তর আছে। বিশ্ববিদ্যালয় কখনও ছাত্রদের নিজে তা করবে না, এই প্রতিষ্ঠানগুলো যা করবে তা হল ছাত্রদের জ্ঞানের শত দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া। যেখানে নির্মল বাতাস ছা্ত্রদের দৃষ্টিঁভঙ্গির স্বচ্ছতা আনবে, নব নব আবিষ্কারের ক্ষেত্র তৈরির পথ প্রশস্ত করবে, মনের অন্ধকার দূর করে অালোর দিশা দেখানোর রাস্তা গড়ে দিবে, সংকীর্ণ চিন্তাধারাকে বিকশিত করে বহির্বিশ্বের সাথে একটা অন্তর্জাল সৃষ্টি করবে।

এখন প্রশ্ন হল এটা কীভাবে ঘটবে? এটা তখনই ঘটবে যখন একজন আলোর পথের যাত্রী (যোগ্য শিক্ষক) অন্য একজন অন্ধকারে অালোর নিশানা খুঁজে ফেরা (ছাত্র) কে সেই আলোর পথটা দেখিয়ে দেবে। এরপর সেই পথ খুঁজে পাওয়া যাত্রী নিজেই তার গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য যা কিছু করার দরকার তা করবে এবং নিজেকে আলোর পথের নতুন সওয়ার হিসেবে আরেকজনকে পথ দেখাবে।

তাহলে এখন দেখা যাক এই প্রক্রিয়াই আলোর পথের যাত্রী বা যোগ্য শিক্ষক কারা। যোগ্য শিক্ষক তাঁরাই যাঁরা জ্ঞান অর্জনের পথটা মসৃন রেখেছে। যাঁদের চিন্তা-চেতনা অন্যদের প্রভাবিত করতে পারে। যাঁরা তাঁদের কঠোর সাধনা বা পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান তাঁদের শিষ্যদের মাঝে বিতরণ করার জন্য উদগ্রীব থাকে। এভাবেই অ্যারিস্টটল-সক্রেটিস-প্লুটোর দিয়ে যাওয়া জ্ঞান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে নতুন ধ্যান-ধারণাতে তার দ্বার উন্মোচন করতে থাকে। ফলে আরেকজন টলেমি, রুশদ, হাইসাম, গ্যালিলিও, কোপার্নিকাস, নিউটন, হুক, রুশো, ভলতেয়ার কিংবা মেন্ডেলের জন্ম হয়।

এখন আমরা দেখি আমাদের দেশের শিক্ষকরা কতটা আলোর পথের যাত্রী। তার অাগে আমরা নিজেকে প্রশ্ন করি কতজন শিক্ষক আমাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ঐ পথটা দেখিয়ে দিয়েছে। হাতে গোনা যায়। ১০% শিক্ষকও পাওয়া যাবে না যাঁরা ছা্ত্রদের তা করতে পেরেছেন। আর একটু রূঢ়ভাবে বলতে গেলে--বেশিরভাগের তা করারই 'সামর্থ' নেই। খেয়াল করুন এখানে 'সামর্থে'র প্রশ্ন অাসছে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি--বাংলাদেশের (যদিও এর কোন জরিপ বা পরিসংখ্যান নেই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০% শিক্ষক অথর্ব, অকর্মা, নিম্ন-লেভেলের জ্ঞানের অধিকারী, তাঁদের সামর্থই নেই অন্যকে প্রভাবিত করার। Below-Standard এই শিক্ষকেরা গোটা সিস্টেমটাকে একটা অকার্জকর সিস্টেমে পরিণত করেছে।



তাহলে যে সিস্টেমে বিশাল গলদ সে সিস্টেমের ভিতর দিয়ে কীভাবে সঠিক উপাদান মানে জ্ঞানের চর্চা আশা করা যায়। আর এই জায়গাটাতেই আমার প্রশ্ন। শিক্ষক যদি ঐ সিস্টেমের প্রধান কলাকুশলী হয়ে থাকে তাহলে তাঁদের ব্যর্থতা অন্যদের উপর মারাত্মক হবে এটাই স্বাভাবিক।

অার শিক্ষক যেহেতু ঐ বিশ্ববিদ্যালয় নামের জ্ঞান সমুদ্রের প্রধান কাণ্ডারী, তাই তাঁদের সামর্থের অভাবে প্রতিষ্ঠানের অকার্যকারীতাকেই নির্দেশ করে। হার্ভাড, স্টানফোর্ড বিখ্যাত এই কারণে নয় যে ওটার নাম হার্ভাড তাই, বরং এই কারণে যে ওখানকার শিক্ষকদের জ্ঞানের চর্চা ও তাঁদের শিষ্যদেরও তা বিলিয়ে দেওয়া।

অর্থাৎ একজন আলোর মশালধারী আরেকজন মশাল বহন করতে ইচ্ছুককে শিখিয়ে দেয় কীভাবে তা বহন করতে হয়। এভাবেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে নতুন জ্ঞানের সঞ্চারের মাধ্যমে পৃথিবীকে রূপ-রস-গন্ধে বিমোহিত করে রেখেছে। আর আমরা এর সুফল দুহাত ভরে গ্রহণ করছি।

এখন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকে ফেরা যাক---এখানে কী হচ্ছে? এখানে বেশির ভাগ আলোর মশালের পরিবর্তে অন্য কিছু বহন করছে। কারণ সেটা বহন করার মতো যোগ্যতা তাঁদের নেই। মানে যাদের যে অবস্থানে রাখা দরকার আমরা তাদেরকে সে অবস্থানে রাখি নি। এর ফল কী দাঁড়াল-- আমরা লিচু খাব বলে লিচু গাছ না লাগিয়ে ডুমুর গাছ লাগালাম, আর লিচুর প্রত্যাশা করতে থাকলাম। এটা কী কখনও সম্ভব?

অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে এটা তো রাজনীতিবিদরা করছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় নামের জ্ঞানসমুদ্রে কীটের যোগান দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নামক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। এর জন্য রাজনীতিবিদের পাশাপাশি শিক্ষকরাও কম দ্বায়ী নয়। অনেক শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাপ-দাদার পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে এক একটা Family Tree তৈরি করেছে। কে নাই সেখানে নিজে, বউ, বাচ্চা, ভাই-বোন, শালা-শালী, কাকা, পিসতুতো ভাই থেকে শুরু করে সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী। তাই এখানে শুধু রাজনীতিবিদদের দোষ দিলে সেটা অন্যায় হবে।

এই রকম পরিবেশ থেকে যখন একটা ছাত্র ভালো করে তখন বুঝে নিতে হবে ঐ ছাত্রকে একটা চরম প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। যেখানে গ্রাজুয়েট লেভেলে গবেষণা করার মতো পর্যাপ্ত টাকা বরাদ্দ নেই। কোন কোন ক্ষেত্রে তা থাকলেও শিক্ষকের খায়েসের কাছে বেশির ভাগই তছরুপ হয়। অথবা গবেষণা শব্দটা অনেক শিক্ষকের কাছে আতঙ্কের মতো, তাই এ বস্তু থেকে যতই দূরে থাকা যায় ততই মঙ্গল।

লাইব্রেরীতে ভালো বই নেই। যা আছে তা আপডেটেট না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভালো জার্নাল কিংবা আদৌ জার্নাল সাবস্ক্রাইব করা নেই। যা সামান্য কিছু টাকা খরচ করলেই সারা বছরের জন্য উন্মুক্ত হবে। বেশির ভাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সুবিধা নেই। নেওয়ার কোন উদ্যোগও চোখে পড়ে না। যদিও বা কোনো কোনোটাতে আছে তার গতির মারপ্যাঁচে ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা।
তাহলে কী দাঁড়াল-- বেশির ভাগ শিক্ষকের মান নিম্ন গ্রেডের, মান্ধ্যাতার আমলের সিলেবাস পাঠ, লাইব্রেরীতে বইয়ের অভাব কিংবা অাপডেটেট বইয়ের অভাব, ভালো শিক্ষকের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান বা কন্সালটেন্সি করার ফলে তাঁদের অাসল উদ্দেশ্যকে ভুলে যাওয়া ইত্যাদি কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আজকে এক একটা ভাগাড়ে পরিণত হওয়ার যোগাড় হয়েছে।

ফলে একটা বিভাগে ১০০ জন ছাত্র ভর্তি হলে গড়পড়তায় ৫ থেকে ১০ জন তার বিষয়কে ভালবেসে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে যাচাই করার সুযোগ উন্মুক্ত রাখছে। আর বাকীরা মোটিভেশনের অভাবে বড়ভাইয়ের নোট পরীক্ষার আগে মুখস্ত করে পরীক্ষা হলে উদগীরণ করে। এভাবেও ভালো রেজাল্ট হচ্ছে। কারণ নিম্ন-শ্রেণির শিক্ষক কর্তৃক নিম্ন-শ্রেণির গঁদবাঁধা প্রশ্নপত্র। এবং ভালো শিক্ষক কর্তৃক সবাইকে গরু-ছাগল মনে করে ঐ একই টাইপের প্রশ্ন তৈরি। এতে দেখা যায় একটা ছাত্র ২০% ক্লাসে উপস্থিত থাকা স্বত্ত্বেও ফলাফল ঘোষণায় দেখা যায় প্রথম দিকে রয়েছে। যা উন্নত বিশ্বের কোনো ইউনিতে কল্পনাও করা যায় না।

এরপরও যে ছাত্ররা ভালো করছে তা তাদের অদম্য হার না মানা ইচ্ছাশক্তি, এখনও গুটিকয়েক ভালো শিক্ষকের সামান্য হলেও সহায়তা, নিজেকে বিশ্ব নাগরিক হিসেবে দেখার তীব্র বাসনা ইত্যাদি। আর দুর্ভাগ্য হলো এরা আবার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেশের মায়া ত্যাগ করে কারণ তাদের পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়ার দরুন।

এই অবস্থা থেকে উত্তরণের কিছু উপায়:

১। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে একটি টিম থাকবে। শুধু তারাই পারবে শিক্ষক নিয়োগের পূর্ণ স্বাধীনতা। যে টিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৎ এবং প্রবীণ শিক্ষকরা অগ্রাধিকার থাকবে যারা ইউনির স্বার্থে সারাজীবন খেটে গেছে। এরকম শিক্ষকের সংখ্যা কম হলেও আছে।

২। নিজেদের গবেষণার চাকা সচল রাখতে বিভিন্ন শিল্প কারখানার সাথে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে যেতে হবে। এটা এমনভাবে করতে হবে যেন উইন-উইন অবস্থা বিরাজ করে। উদাহরণসরূপ, বাংলাদেশে ঔষধ শিল্পে ভালো করছে। এখন শিল্প মালিকদের যদি এই শিল্পে মৌলিক গবেষণার সুফল সম্পর্কে বুঝানো যায় তারা আশা করি টাকা ঢালতে দ্বিধা করার কথা না।

৩। সরকারের সাথে রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি বাদ দিয়ে শক্তিশালী লবিং চালাতে হবে যাতে বুঝানো যায় গবেষণায় অধিক বরাদ্দ জাতি ও সরকারের নিজেদের জন্যও লাভজনক।

৪। শুধু সরকারের ফান্ডের আশায় বসে থাকলে হবে না। এখন বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা ও সরকার ফান্ডিং করছে বিভিন্ন প্রজেক্টে। সেগুলো বেশির ভাগই ভারতীয় ও চীনারা দখল করেছে শুধু তাদের গবেষণা করার তীব্র ইচ্ছাশক্তি ও তার জন্য শ্রম। ভাল একটা রিসার্স প্রপোজাল তৈরি করতে পারলে ফান্ড পেতে সমস্যা হওয়ার কথা না। এ জন্য প্রাথমিকভাবে নিজে কিছু টাকা-পয়সা ও ত্যাগ স্বীকার করে হলেও তা দিনশেষে লাভ ছাড়া লস নেই।

বি: দ্র: এখানে আমি এই লেখাটা লিখেছি আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে। এখানে অন্যদের অন্য ভাবনা থাকতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:২৯
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চুপ থাকি আমি চুপ থাকি... হই না প্রতিবাদী

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২১ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৩



©কাজী ফাতেমা ছবি
--------------------------
অবাক চোখে দেখে গেলাম
এই দুনিয়ার রঙ্গ
ন্যায়ের প্রতীক মানুষগুলো
নীতি করে ভঙ্গ।

বুকের বামে ন্যায়ের তিলক
মনে পোষে অন্যায়
ভাসে মানুষ ভাসে শুধু
নিজ স্বার্থেরই বন্যায়।

কোথায় আছে ন্যায় আর নীতি
কোথায় শুদ্ধ মানুষ
উড়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর আবদুস সালাম [২৯ জানুয়ারি ১৯২৬ -২১ নভেম্বর ১৯৯৬]

লিখেছেন ইসিয়াক, ২১ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৫


নিয়ম করে প্রতিবছর ডিসেম্বরের ১০ তারিখ আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে অনুষ্ঠিত হয় নোবেল পুরষ্কার প্রদানের মহা উৎসব। সুইডেনের রাজার কাছ থেকে নোবেল পদক ও সনদ গ্রহণ করেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভোলায় ৪ জনের মৃত্যু, ৬ দফা দাবী নিয়ে ভাবুন

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২১ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০



ভোলায়, ফেইসবুকে নবী (স: )'কে গালি দেয়া হয়েছে; এই কাজ কি ফেইবুকের আইডির মালিক নিজে করেছে, নাকি হ্যাকার করেছে, সেটা আগামী ২/৪ দিনের মাঝে পুলিশের বিশেষজ্ঞ টিম ফেইসবুকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

চির যৌবন ধরিয়া রাখিবার রহস্য

লিখেছেন মা.হাসান, ২১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৫২



সতর্কিকরণঃ এই পোস্টর শুরুতে ১০ লাইনের একটি পদ্য আছে (তবে ইহা কবিতা পোস্ট নহে) ।



কোন বৃক্ষের খাইলে রস
বিবি থাকেন চির বশ ।।
কোন গাছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যাঙের বিয়ে [শিশুতোষ ছড়া]

লিখেছেন ইসিয়াক, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৬


কোলা ব্যাঙের বিয়ে হবে
চলছে আয়োজন ।
শত শত ব্যাঙ ব্যাঙাচি
পেলো নিমন্ত্রণ ।।

ব্যাঙ বাবাজী খুব তো রাজী ,
বসলো বিয়ের পিড়িতে
ব্যাঙের ভাইটি হোঁচট খেলো,
নামতে গিয়ে সিড়িতে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×