somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি সফর, কিছু চুক্তি, একটি স্টেটাস ও একটি আত্মার চিরতরে প্রস্থান!!!

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গ্রামের বাড়ির ঠিক পাশেই ভারত। বাবা এ দেশি হলেও মায়ের জন্ম ভারতেই। অনেক আত্মীয়-স্বজনও রয়েছে সেখানে। তাই ভারতের প্রতি আলাদা একটি টান সব সময় অনুভূত হয়। ছোটকালে বহুবার গিয়েছি যাত্রাপালা কিংবা কালীপূজা-দূর্গাপূজার মেলাতে। কারণ তখনও কাটাঁতারের বেড়া ছিল না।

এরপর গ্রামবাসী দেখল বড় বড় কালো পাথর। খনন যন্ত্র। আরো সব নির্মান সামগ্রী। চোখের সামনেই তারা দেখল পাশাপাশি দুটি গ্রামীণ হৃদয় এফোঁড়-ওফোঁড় করে মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়া কাঁটাতার। ছোট্ট আমি বাবাকে জীজ্ঞেস করলে বলেছিল আমরা গরীব; ওরা ধনী। ওদের রাস্তা পাকা; আমাদের কাচাঁ। ওদের ঘরে ঘরে এডিসনের চমক বাতি; আমাদের হারিকেনের কিংবা কুপির সলতে পোড়া আগুন। তাই গরীবের পায়ের পাড়া যেন ধনীর বাড়িতে না পড়ে সেজন্য এই ব্যারিকেড। (তখন বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী গ্রাম ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামগুলোর এরকমই পার্থক্য ছিল, কিন্তু এখন চিত্রটা ভিন্ন।)।

কিন্তু যে সম্পর্ক আত্মার; যে আদান-প্রদান শতাব্দীব্যাপী; যে চাওয়া-পাওয়ায় অটল বিশ্বাস; যে ভাষার নৈকট্য অছেদ্দ; তা কীভাবে এত সহজে বেড়া তুলে আলাদা করা যায়। না, যায় নি। এরপরও বহুবছর মানুষ সামান্য দুরত্বে থাকা গেইটগুলো দিয়ে বিনা বাধায় যাতায়াত করেছে। তারা এসেছে; আমরা গিয়েছি। তাদের সুখে আমরা হেসেছি; আমাদের দুঃখে তারা কেঁদেছে। এরপর এল লাইনম্যানের যুগ। সামান্য বিশ-তিরিশ টাকার বিনিময়ে যাতায়াত ও পণ্য আদান-প্রদান।

এরপর বেশ কিছু পূর্ণিমা ও অমাবস্যার পর এল সেই দিন। গরু পাচারকারী (ফেন্সিডিল বহনকারী নয়; কোনো এক অজানা কারণে তারা এই মৃত্যুর মিছিলে কখনই সামিল হয় না ) সন্দেহে এক অভাগার লাশ। তারপর...। সন্দেহ। অবিশ্বাস এবং বিভক্তি। ফিরে এল শতাব্দীপ্রাচীন ধর্মের নামে অধর্ম। এবং এর চুড়ান্ত বিভক্তিরেখা টেনে দিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অসামাজিক ও কদর্য আচরণ এবং কথার নোংরামী। তা সত্ত্বেও নিখাদ মানুষে মানুষে ভালোবাসার চিত্রটা টের পাওয়া যায় এখনও কিছু ঘটনায়; যেখানে ধর্ম-বর্ণ গৌণ, ভালোবাসা বা পারস্পরিক সৌহার্দ্যটাই মুখ্য(এ নিয়ে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে রয়েছে)।

আমরা যারা একাত্তরের বহু পরের প্রজন্ম তারা জেনেছি সে সময়কার তথাকথিত ভাতৃপ্রতিম বড়ভাই পাকি ও তাদের এ দেশীয় কেউটে সাপ সদৃশ দোসরদের অমানবিক নিপীড়নের কথা। জেনে, পড়ে, বুঝে ঘৃণায় বিবমিষা এসেছে। একজন প্রকৃত বাংলাদেশী হিসেবে এ ঘৃণা চিরকালীন। আমরা আরো জেনেছি প্রতিবেশি বড়ভাইয়ের উদারতার কথা। একজন প্রকৃত বাংলাদেশী হিসেবে এ উদারতার জন্য কৃতজ্ঞতা চিরকালীন।

কিন্তু আমার এই ঘৃণা কিংবা কৃতজ্ঞতাকে পুঁজি করে কেউ যদি ফায়দা হাসিল করতে চায় সেখানেই প্রকৃত বাংলাদেশী হিসেবে চ্যালেঞ্জগুলো লুকায়িত। আর এখানেই আমাদের তথাকথিত মহান দেশপ্রেমিক নেতা-নেত্রীদের লেজেগোবরে অবস্থা কিংবা বলা চলে গদির মোহে আত্নবিসর্জনের হোলিখেলা।



একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের যদি অর্থনীতি একটি মোটামুটি কাঠামোর উপরে দাঁড়িয়ে থাকে তাহলে তার মেরুদন্ডটাও সোজা থাকা দরকার। নিজ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে দরকষাকষিতে এক কানাকড়িও ছাড় দেওয়া উচিত না। দেশদরদী হিসেবে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এতে এক কাতারে দাঁড়ানো দরকার। যা কালো তাকে কালো বলতে পারা সহজ না হলেও চেষ্টা করতে হবে জাতির ভবিষ্যতের জন্য।

একটি উদাহরণ দেই। মাহাথির মোহাম্মদ শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সমালোচক নানা ইস্যুতে। উনার প্রথম টার্মের একটানা ২২ বছরের ক্ষমতায় থাকাকালীন বহুবার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে লেগে গিয়েছিল। তবে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় ছিল ১৯৯৭ সালের দিকে যখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। আর এর জন্য দায়ী করা হয় তৎকালীন অর্থ লগ্নিকারী বিনিয়োগ গুরু জর্জ সরোসকে।

তখন থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ’র পরামর্শ শুনে অর্থনৈতিক সংস্কার করে। কিন্তু একমাত্র মাহাথিরের মালয়েশিয়া তা শুনতে ইচ্ছুক না হওয়ায় পশ্চিমারা নাখোস হয়। মাহাথির উনাদের পরামর্শ গ্রাহ্য না করে নিজের মুদ্রা নিয়ন্ত্রন করে, অর্থনীতির রিফর্ম করে নিজেদের মতো করে। আর পূর্বের তিনটি দেশ পশ্চিমা কথায় চলে যে প্যাঁকে পড়ে সেখান থেকে আজও মাজা খাড়া করে উঠতে পারছে না।

কালক্রমে দেখা যায় মাহাথিরের সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল। এতে পশ্চিমা এক সাংবাদিক তাকে জীজ্ঞেস করে, ‘আপনি পশ্চিমাদের বিপক্ষে কঠোর অবস্থান নেওয়ার সাহস কীভাবে পান?”। উনি প্রতিউত্তরে বলেছিলেন,"মেরুদন্ডটা সোজা থাকলে অনেক কিছুই সম্ভব"। এখানে উনি ‘মেরুদন্ড’ বলতে আমাদের নেতা-নেত্রীদের মতো ‘বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথা’র কথা বলেন নি। বলেছেন দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী ভিত্তির কথা।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এত এত বচসা সত্ত্বেও মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক বাণিজ্যে কিন্তু এর বিন্দু পরিমাণ প্রভাব পড়ত না। হাজারো মার্কিন কোম্পানীর মালয়েশিয়াতে বিনিয়োগে কিন্তু সমস্যা হয় নি। ধীরে ধীরে কৃষিপ্রধান দেশ থেকে বলতে গেলে মার্কিনীদের সহায়তায় আজকে শিল্পপ্রধান দেশের কাতারে দাঁড়িয়ে গেছে। এবং মাহাথিরও ধোয়া তুলসী পাতা ছিল না। বিরোধীমত দমনে উনিও সিদ্ধহস্ত ছিলেন। তবে সেটা কখনই দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নয়।



এত কিছু বলার অর্থ হচ্ছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বন্ধুরাষ্ট্র-শত্রুরাষ্ট্র বলে কিছু নেই। আমাদের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে সেটা স্পষ্ট করে বলা আছে। নিজ দেশের স্বার্থ রক্ষায় একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিকের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে, থাকা উচিত।

এখন যদি আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে আলোচনা করি। এই সফরের চুক্তিগুলোতে কতটা আমাদের স্বার্থ রক্ষা হয়েছে। এখানে প্রথম আলোর কলামে সাবেক পররাষ্ট্র সচিবের বক্তব্যটি তুলে ধরছি, “আপাতদৃষ্টিতে তিনটি বিষয়ের (তিনটি চুক্তি) কোনোটাই খুব বড় কিছু নয়। তবে সমস্যাটা অন্যখানে। পরিমাণ যা–ই হোক, তিনটি বিষয়েই ভারতের স্বার্থ জড়িত। মানুষের যা চোখে পড়ছে তা হলো, যেসব বিষয়ে ভারতের স্বার্থ আছে অগ্রগতি হচ্ছে শুধু সেগুলোতেই, বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে (রোহিঙ্গা ইস্যু, তিস্তার পানি, ভারতীয় নাগরিকপঞ্জী, বাণিজ্যে আসাম্য ও অশুল্ক বাধা ইত্যাদি) কোনো অগ্রগতি নেই। সবচেয়ে দৃষ্টিকটু লেগেছে ফেনী নদী থেকে পানি প্রত্যাহারের বিষয়টি। তিস্তা তো বাদ পড়ে গেছে সেই কবেই, সফরের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন ছোট ছোট কয়েকটি নদীর বিষয়ে একটি রূপরেখা চুক্তি, তারও কোনো লক্ষণ দেখা গেল না। মাঝখানে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো এই ফেনী চুক্তি। ঠিক এ সময়ে এ রকম একটা চুক্তি কেন করতে হবে, তা আমার কাছে এক বিস্ময়।”
শেষে উনি লিখেছেন, “এ সফরটার কী প্রয়োজন ছিল তাহলে—গতকাল থেকে এ প্রশ্ন অনেকবার শুনতে হয়েছে আমাকে। আমি বলেছি, এর উত্তর আমি জানি না।” দেশের মুষ্টিমেয় জনতায় তা জানে না।

এটা ঠিক যে এই চুক্তি বা এমওইউ’গুলির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশাল কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। অন্য কোনো সময় বা পরিস্থিতিতে এগুলো নিয়ে কোনো হৈচৈ হত না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অর্ধ-শতাব্দী আগের উদার এই বড়ভাইটির এ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ও পারস্পরিক চুক্তি বা আদান-প্রদানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে একদিকে হেলে থাকা।

এটা স্বাভাবিক যে ভারত তার স্বার্থ পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করবে বা করেছে। এতে তারা সফল কূটনীতিতে। এতে আমরা বাংলাদেশীরা ভারত সরকারকে বা তাদের জনগণকে বা তাদের ডিপ্লোমেসিকে দোষ দিতে পারি না। গালি দেওয়া তো কোনোমতেই উচিত নয়। অন্তত এই ইস্যুতে। কারণ প্রতিটা দেশের তাই করা উচিত যা তাদের জনমতের পক্ষে যাবে। এই ‘জনমত’ পররাষ্ট্রনীতির একটি অন্যতম শর্ত। এখন এই চুক্তিগুলোর ব্যাপারে বাংলাদেশের ‘জনমত’ কী? পজিটিভ নাকি নেগেটিভ।

আমাদের নেতা-নেত্রীরা ঢাক-ঢোল পিটিয়ে জানান দেয় তাদের চেয়ে সাচ্চা দেশপ্রেমিক কেউ নেই এ দেশে। আমাদের অনেক ব্লগার বন্ধুরাও শিয়ালের মতো হুক্কা হুয়া করে দেশ-বিদেশ থেকে জানান দেয়, ‘ঠিক! ঠিক! অমুক-তমুক নেতা-নেত্রী বাদে দেশে আর একটাও দেশপ্রেমিক নেই, ভালো মানুষ নেই। সব চোর’।

সত্যিই কি তাই!

তাহলে যে বর্গাচাষী রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ক্ষতির শঙ্কায় থেকেও ফসল ফলিয়ে দেশে খাদ্যপণ্যে স্বয়ংসম্পর্ণ হওয়াতে অবদান রাখছে শুধুমাত্র দু-মুঠো অন্ন ও ছেলেমেয়েগুলোর সুশিক্ষার জন্য, তাদের চেয়েও কি এই তথাকথিত নেতা-নেত্রীরা বড় দেশপ্রেমিক?

যে শিক্ষক বছরের পর বছর নিঃস্বার্থভাবে সামান্য কিংবা সরকারী কোনো আনুকূল্য ছাড়ায় জ্ঞান বিতরণ করে চলেছে, তাদের চেয়েও কি এই আরাম কেদারায় বসে বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথার নেতা-নেত্রীরা দেশপ্রেমিক?

যে মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ৪০ বছর ধরে নিঃস্বার্থভাবে সরকারী প্রতিষ্ঠানে ব্যয় করে দেশের জন্য বহু মৌলিক উদ্ভাবনের অংশীজন এবং রিটারমেন্টের পর নিজের এককালীন প্রাপ্ত টাকার উপর নির্ভর করে ঢাকায় ছোট্ট একটি অ্যাপার্টমেন্টের স্বপ্ন দেখছেন (যেখানে তিনি চাইলেই কোটি-কোটি টাকার মালিক হতে পারতেন), উনার চাইতেও কি এই তথাকথিত রাজনীতিবিদরা দেশপ্রেমিক?

এভাবে অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে সৎভাবে জীবিকা নির্বাহ করা সরকারী কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, ডাক্তার, প্রকৌশলীসহ নানা পেশার মানুষদের নিয়ে।

তাহলে দেশপ্রেমের তাড়নায় কেউ যদি যেখানে উইন-উইন অবস্থা নেই সেখানের সেসব চুক্তির ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করে, তাদেরকে সাধুবাদ না দিয়ে কিংবা তাদেরকে লেখার মাধ্যমে প্রতিউত্তর না দিয়ে এভাবে নির্মমভাবে মেরে ফেলা বা এই ভিন্নমতকে সহ্য করতে না পারার লোকগুলি কি দেশপ্রেমিক? অথবা এসব ঘটনাকে যারা ইনিয়ে-বিনিয়ে জায়েজ করার পাঁয়তারা করছে তারা কি এ দেশের আদৌ শুভাকাঙ্খী?

কোনো একটি মুভিতে শুনেছিলাম, ‘ভগবান ক্ষমা করলেও আমি তোকে ক্ষমা করব না, শয়তান’। অর্থাৎ কথা হচ্ছে ভগবানও ক্ষমা করে ভুল করতে পারে। তাই বলে আমি আমার নীতি-আদর্শকে বিসর্জন দিতে পারি না। আর এ কথা দেশের তরে বলার মাঝেই রয়েছে সত্যিকারের দেশপ্রেম, তবে অবশ্যই সেটা কোনো ভেদবুদ্ধিজাত রাজনৈতিক প্রপাগণ্ডার অংশ হিসেবে নয়। তাহলে অন্যায্যভাবে ক্ষমাপ্রদানকারী মানবিকতার ভগবানকে মৌণ কিংবা প্রকাশ্য সমর্থনকারীরা তাহলে কি দেশপ্রেমিক? স্বর্গীয় জল প্রদানকারী স্বয়ং মানবিকতার ভগবানই কতটা…?

পুনশ্চঃ কে যেন পেছন থেকে গুঁতো দিয়ে বলল ‘রুখ যা মেরা ভাই’। ফিসফিসিয়ে আরো জানালো আমার ঘাড়ের উপর কয়টা মাথা। আমি তড়িঘড়ি করে মাথায় হাত দিয়ে দেখলাম একটা। মনে মনে ভাবলাম ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় প্রাপ্ত এই মূল্যবান মাথাটা আমি আরো কিছুদিন ঘাড়ের উপর বহন করে বেড়াতে চাই। দেশপ্রেমের বাড়াবাড়িতে মাথা খোয়া গেলে নাকি বেঁচে থাকা দুরুহ! আমার যে আরো কিছু দিন ফুসফুস অকেজো করা পানিসমৃদ্ধ বুড়িগঙ্গার পাড় ধরে হাঁটতে মঞ্চায় গেদু!!!!

****************************************************************************************************
আখেনাটেন/অক্টোবর-২০১৯

ছবি: লেখক। জাতীয় স্মৃতিসৌধের উপর কুয়াশাচ্ছন্ন সকালের প্রলেপ।

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৩
৩৪টি মন্তব্য ৩১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্যাঙের বিয়ে [শিশুতোষ ছড়া]

লিখেছেন ইসিয়াক, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৬


কোলা ব্যাঙের বিয়ে হবে
চলছে আয়োজন ।
শত শত ব্যাঙ ব্যাঙাচি
পেলো নিমন্ত্রণ ।।

ব্যাঙ বাবাজী খুব তো রাজী ,
বসলো বিয়ের পিড়িতে
ব্যাঙের ভাইটি হোঁচট খেলো,
নামতে গিয়ে সিড়িতে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় অগ্রসর তরুণ প্রজন্মকে 'খোলাচিঠি'

লিখেছেন , ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৫৮


প্রিয় অগ্রসর তরুণ প্রজন্ম,

তোমরা যারা ডিজিটাল যুগের অগ্রসর সমাজের প্রতিনিধি তাদের উদ্দেশ্যে দু'লাইন লিখছি। যুগের সাথে খাপ খাইয়ে ওঠতে অনেক কিছু আস্তাকুঁড়ে ফেলতে হয়। সেটা কেবলই যুগের দাবি, চেতনার চালবাজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পত্রিকা পড়ে জেনেছি

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:২৮



খবরের কাগজে দেখলাম, বড় বড় করে লেখা ‘অভিযান চলবে, দলের লোকও রেহাই পাবে না। ভালো কথা, এরকমই হওয়া উচিত। অবশ্য শুধু বললে হবে না। ধরুন। এদের ধরুন। ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার ভারত ভ্রমণ নিয়ে অপ-প্রচারণার ঝড়

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১০



বাংলাদেশের প্রতিবেশী হচ্ছে ২টি মাত্র দেশ; এই ২টি দেশকে বাংগালীরা ভালো চোখে দেখছেন না, এবং এর পেছনে হাজার কারণ আছে। এই প্রতিবেশী ২ দেশ বাংলাদেশকে কিভাবে দেখে? ভারতর... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা -মেলা

লিখেছেন পদাতিক চৌধুরি, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:০৭







উপরে মূল কবিতার স্ক্রিনশট:-

মেলায় এসেছে খুশি এনেছে নিজের সঙ্গে,
বেরোও সবাই ঘর থেকে বসে আছো কেন ঘরে?
মেলার দিনে সবাই থাকে আনন্দে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×