somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অনির্বান শিখা
আমি এক ফেরিওয়ালা ভাই।স্বপ্ন ফেরি করে বেড়াই । লাইফ ইজ এ গেম । এখানে জেতাটাই বড় কথা,কিভাবে জিতলেন সেটা নয় । https://www.facebook.com/Dr.Obaydullah

তুমি কি আর বুঝবে মেয়ে স্বপ্ন পোড়ার জ্বালা

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মনে করুন আপনি রিলাক্সে ফেসবুকিং করছেন । তখন আমার এই লেখাটা চোখে পড়লো । আপনি পড়া শুরু করলেন ।
লেখাটা পড়ুন । আর লেখার সাথে নিজেকে মিলিয়ে নিন । মনে করুন আপনি কারো প্রিয়তমা, কারো প্রিয়তম অথবা কারো অনেক ভাল বন্ধু । সে আপনাকে অনেক ভালবাসে । আপনি হয়তো ততটা বাসেন না। অথবা বাসলেও বলেন না। তার সমস্ত চিন্তা জুড়ে শুধুই আপনি । আপনি মাঝে মাঝে তাকে কষ্ট দিয়ে থাকেন । ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় । যেহেতু আপনাকে সে ভালবাসে , সো আপনার ছোট অবহেলা গুলো তার কাছে বড় আকারের মনে হয় । সে হয়তো হাসিমুখে সব মেনে নেয় । কিন্তু কিছুটা আক্ষেপ তার মধ্যে থেকেই যায় । হয়তো সে আপনার তুলনায় ছোট । তার যোগ্যতা কম । কিন্তু ভালবাসায় কমতি নেই । হয়তো আপনি পাশে থাকলে আপনার ভালবাসায় সে ভাল কিছু করতে পারবে । সে আপনাকে সব সময় মিস করে, ভালবাসি বলে । আপনি মিস করেন না, কখনো ভালবাসেননি । বাসলেও বলেননি । প্রতিটা মুহুর্তে সে ফোন করে , মেসেজ দিয়ে আপনাকে বিরক্ত করে ফেলে ।
হঠাত একদিন সকালে উঠে আপনি তার গুড মর্নিং মেসেজ পেলেন না। একটু গভীর ভাবে ভাবুন । পুরোপুরি মন দিয়ে ভাবুন । আপনাকে সে মেসেজ দেয়নি । সে আর মেসেজ দিবে না। খুব ছোট অভিমান ছিল তার মনে । আপনি তাকে ফেসবুকে ঢুকে হাই বলেননি অথবা কখনো তাকে মিস করনি । যে আপনার মিস ইউ , লাভ ইউ টু মেসেজ এর জন্য রাতের পর রাত দিনের পর দিন অপেক্ষা করেছে । সে আর আপনাকে মেসেজ দিছছে না । দিবে না । আপনি আর তার কন্ঠ শুনতে পাবেননা। কখনো না। কোনদিন না । তার সাথে কখনোই আর দেখা হবেনা । বেইলি রোড কিংবা টিএসসিতে আপনি তাকে আর পাবেন না। নোটিফিকেশনে দেখবেন আপনার সেই মানুষটির লাইক অথবা কমেন্ট নেই । ফোন দেয়ার পর আর তার সাথে কথা হবেনা। একটু গভীর ভাবে চিন্তা করুন । তাকে আর কখনোই পাবেননা । কোনদিন না। কোন কিছুতেই না।
খেয়াল করে দেখুন আপনি তাকে একটু হলেও মনে করছেন । আপনি ভাবছেন এমন হবেনা । আপনি তাকে আত্বহত্যা করতে মানা করছিলেন । কিন্তু সে রেললাইনে বসেছিলো । আপনার কথা ভেবে অশ্রু ঝরাচ্ছিল । বুঝতেই পারেনি কখন ট্রেন চলে এসেছে । রাতের রাস্তা ফাকা ছিলো , তাই কেউ তাকে সাবধান করতে পারেনি ।মৃত্যুর পুর্বে সে আপনার ছবি দেখছিলো । দূরে তার ফোনটি পড়ে আছে । আপনার হাসিমাখা মুখের ছবিটি তার ফোনের ওয়ালপেপারে । আপনার কথা ভাবতে ভাবতে সে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে আছে এদিক সেদিক । আর আপনার পিকটা কি সুন্দর হাসিমাখা । কি ভয়াবহ ।
অথবা সে বাসের জানালার পাশে অসতর্ক ভাবে বসেছিলো । হঠাত মাথাটা জানালার বাইরে গিয়েছে । পিছন থেকে হঠাত একটি বাস তার মাথাটা গুড়া করে দিয়েছে । তার হাতে মোবাইলটি সুন্দর করে ধরে রাখা , বডি সিটে বসে আছে, শুধু মাথাটা নেই ।
অথবা রাস্তায় আপনার কথা ভাবতে ভাবতে হাটছে । হয়তো আপনার জন্যই মন খারাপ করে হাটছিলো । হঠাত মাঝ রাস্তায় কিভাবে চলে গেছে বুঝতে পারেনি । দানব ট্রাক তার গতি থামাতে পারেনি । রাস্তার সাথে মিশিয়ে দিয়েছে ।
অথবা আপনাকে না পাওয়ার কষ্টটা অনেক বড় হয়ে হঠাত হার্ট স্ট্রোক অথবা ব্রেইন স্ট্রোক করেছে ।
সে আপনাকে কথা দিয়েছিলো আত্বহত্যা করবেনা । সে আত্বহত্যা করেনি । আত্বহত্যা মহা পাপ ।
চিন্তা করে দেখুন হঠাত আপনার মনে হলো একটা মুভি নামাবেন । কোন সাইটে পাওয়া যাবে আপনি তাকে জিজ্ঞেস করতে নিয়ে দেখুন সে নেই । সত্যি সে নেই ।
সে এখন সব কিছুর উর্ধে । আপনি চিৎকার করে কাদবেন । আপনার বুক ফেটে যাবে । আপনি তাকে ভালবাসেননা । পছন্দ করেননা । তার পরেও তাকে ফিল করবেন । আপনার মাথা ব্যথা হয়ে যাবে । চিৎকার করে , হাউমাউ করে কান্না করবেন । শুধু আপনি না, অনেকেই কান্না করবে । আপনি পাগল হয়ে যাবেন । যতই কঠিন হৃদয়ের হোননা কেনো, ঘুমানোর আগে অবশ্যই তার কথাটা মনে আসবে । আপনি তখন বালিশে মুখ চেপে কাদবেন ।
অথচ, আপনি চাইলেই ভালবাসি বলতে পারতেন । হ্যা, সে আপনার যোগ্য না। বাট আপনি চাইলেই নিজের মত করে গড়ে নিতে পারতেন । আপনি বুঝতে পারবেন ভালবাসার কষ্ট কতটা কষ্টের, কতটা যন্ত্রনার । বাট Its too late .
ভালবাসা খুব দামী একটা জিনিস । শত যুদ্ধেও ভালবাসা জেতা যায় না। তাই ভালবাসাকে অবহেলা করতে নেই ।

প্রেম ভালবাসা বলতে কিছুই নেই । মিথ্যে এ শহরে প্রেমের কারবার, লোকসান বার বার । মানিব্যাগে নাই মানি, ভালবাসা হাউ ফানি । পবিত্র ভালবাসাকে অপবিত্র করলেই সেটা টিকে , নইলে হারিয়ে যায় । আর তাই যারা সত্যিকারের ভালবাসে, তারা ভালবাসা পায়না।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:০৭
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭ নভেম্বরঃ যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

৭ নভেম্বরঃ
যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

১৯৭৫ থেকে ২০২৬, মাঝখানে পেরিয়ে গেছে অর্ধশত বছর! এই সময়ের মধ্যে ঘুরেফিরে সরকার পরিচালনা করেছে- বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা সেতু চালুই কি বিআইডব্লিউটিসির লোকসানের একমাত্র কারণ? নাকি প্রশাসনিক স্থবিরতার মাশুল?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০১

টানা পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিক লোকসান গুনছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)। সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সংস্থার নিজস্ব মূল্যায়নে সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া হলো—পদ্মা সেতু চালু হওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুরানো সেই দিনের কথা ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


নওগাঁর বদলগাছীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১৫ জন শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে এলোমেলোভাবে কেটে দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, শিশুদের চুল বড় হয়ে চোখের ওপর পড়ছিল, দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×