ক্ষুধার রসনায়
নোনা স্বাদে
ঠোঁট বাকা হাসি আঁকে;
কালো শরীরটা ভাঁজ খুলে
ছড়িয়ে দেয় ওম।
একটুখানি উষ্ণতায়
রসনা ভুলে
ছলনা লাজে মুখ লুকায়।
শীতের সকালের সুর্য
অতি আশ্চর্যের সঙ্গে প্রত্যক্ষ করে
ক্লান্তিকর অবজ্ঞা।
ন্যাংটো ছেলেটার
ঠাণ্ডায় কুচকিয়ে যাওয়া অণ্ডকোষে
দিনের খবর সমূহ লিপিবদ্ধ হয়।
সূর্য তার প্রাত্যহিক পথ পরিক্রমায়
প্রখর থেকে প্রখরতর হয়।
রাস্তার নোংরা থিক থিকে
বিদ্ঘুটে কাদা
শুকিয়ে যায়।
শিশিরেরা নেমে আসে
বাধ ভাঙ্গা জ্যোৎস্নায়।
কুঁচকে যাওয়া অন্ডকোষধারীরা
নোনা স্বাদ বিলি করে
কালো শরীরের নয়া ভাজ খোলা আঙ্গিনায়।
রাত্রি; নভেম্বর ৩০, ২০০৮
উত্তরা, ঢাকা ১২৩০
টীকাঃ লিখতে বসেছিলাম অন্য একটি কবিতা। অর্ধেক যখন লিখা হয়েছে, তখন মাথায় উঁকি দিল এই কবিতাটা। প্রথম লাইন কটা নিয়ে মাথায় কিছুক্ষণ খেললাম। ভালো লাগল। আগেরটা বাদ দিয়ে, এটা শুরু করলাম।
কবিতার পটভূমি ক্ষুধা, দারিদ্র এবং সেই দারিদ্রের বেচা-কেনা।
প্রতিদিন একটি কবিতা
১। প্রতিদিন একটি কবিতা ১: ‘পরবাসে বিষণ্ন কিশোরীর স্মৃতি’ – ১: Click This Link
২। প্রতিদিন একটি কবিতা ২: আজ আমি পতাকা উড়াবঃ Click This Link
৩। প্রতিদিন একটি কবিতা ৩: আমিই সেই কবিঃ Click This Link
৪। প্রতিদিন একটি কবিতা ৪: কেন বাকরুদ্ধ হই না Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


