somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুবকের নির্বাহী পরিচালকের অর্থমন্ত্রী বরাবর চিঠি ও গ্রাহকদের ইমেইল এ সয়লাব সচিবালয়- কোন সুরাহ কি আদো হবে?

২৭ শে মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৫:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যুবকের নির্বাহী পরিচালক যুবকের দায় দেনা পরিশোধ বিষয়ে অর্থমন্ত্রনালয়ে চিঠি দিয়েছেন।পত্র পত্রিকায় এ নিয়ে ভালোই লেখা লেখি হয়েছে। যুবকের সদস্য ও প্রাক্তন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরারাও এই চিঠির সমর্থনে সংশ্লিষ্ট সচিবালয়ে ইমেইল করছে বলে জানা গেছে। চিঠির কথা নিম্নরুপ-


বিষয় : দায়শোধ করবো, দায়মুক্ত হবো
আমাদেরে অঙ্গীকার পালনে সহযোগিতা ও সমর্থন চাই

বরাবর তারিখ: ২৪/০৩/২০১৪ ইং
মাননীয় মন্ত্রী
জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিত
অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, রমনা, ঢাকা-১০০০
মাধ্যম, জনাব ড. এম. আসলাম আলম, মাননীয় সচিব্, ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থ মন্ত্রনালয়

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আস্ সালামু আলাইকুম।

আমরা যুবক পরিচবারের ভুক্তভোগী সদস্য ও কর্মী। আপনি জানেন, যুব কর্মসংস্থান সোসাইটি যুবক একটি নেটওয়ার্কভুক্ত আর্থ-সামাজিক সংগঠন। সারাদেশে ৩৫টি জেলার ৩১৫টি উপজেলায় ৭৮ এরিয়া অফিস, ৫৪০ ব্রাঞ্চ, ২৬৮৪টি গ্রুপ এবং প্রায় ২০,০০০ ইউনিটের মাধ্যমে যুবক পরিচালিত এর পাশাপাশি সমবায় ভিত্তিক হাউজিং, পি.এস.টি.এন ফোন সহ অপরাপর আয়মূলক ও কর্মসংস্থানমুলক প্রকল্পগুলোর সাথে জড়িত প্রায় ৫০ হাজার কর্মী। এ বিপুল জনশক্তির নিয়োগ হয়েছে স্থানীয়ভাবে এবঙ হাউজিংয়ের জমি ক্রয়-বিক্রয় ও কিস্ত আদায় সহ প্রকল্প স্থাপন সবকিছুই স্থানীয়ভাবে পরিচালিত হয়েছে।

এই কারণে ৮ বছরের এতোসব অত্যাচার নির্যাতন, হামলা, মামলার পরও কোনভাবে হলেও টিকে আছে যুবক পরিবারের জনশক্তি, এর নেটওয়ার্ক এবং এর সম্পদ। প্রতিকূল পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটলে অর্থাৎ সরাকারের নিয়ন্ত্রণে দায়শোধের জন্য সময় ও সুযোগ পেলে মামলামুক্ত পরিবেশে নির্ভয়ে এসে যোগ দিবে যুবকের সর্বস্তরের কর্মী-সদস্যরা। এর ফলে, ক. দ্রুততম সময়ের মধ্যে দায় পরিশোধ সম্ভব হবে,
খ. পাোনাদার সদস্যরাও আস্থা ফিরে পাবে, গ. যুবকের অরক্ষিত সম্পদগুলোও নিয়ন্ত্রনে আসবে।

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়
আমরা প্রত্যয়ের সাথে বলতে চাই, লাখো সদস্যের কাছে হাজার কোটি টাকার দায় সময়ের চাহিদার প্রেক্ষিতেই তৈরী হয়েছে। এই দায় আমাদের, সরকারের নয়, তাই এই দায় মোচনের দায়িত্বও আমাদের। আমরাই পারব এই দায় মোচন করতে। এই সক্ষমতা আমাদের এখনও আছে। তা না হলে, বিপর্যযের ৮ বছর পর কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক-কার্যক্রম টিকে থাকতে পারতো না।

সুষ্ঠুভাবে যুবক -এর সমুদয় দায়পরিশোধ কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে আমাদেরকেই দায়িত্ব দেয়া হোক।শূন্য থেকে যারা লাখো সদস্যের নেটওয়ার্কে হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ সৃষ্টি করতে পারে, তারাই প্রতিহিংসার রোষানলে বিপর্যস্থ যুবককে দায় মুক্ত করতে পারবে। এ কারণে নেটওয়ার্কের জনশক্তিকে কাজ করার পরিবেশ সৃষ্টি করতে সরকারের অনুমতি, সহায়তা প্রয়োজন। কোন মন্ত্রনালয় এককভাবে এই দায় পরিশোধের দায়িত্ব নিলে বরং ব্যর্থতা ও বিতর্ক তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। আমরা চাইনা বর্তমান সরকার এই বিতর্কে জড়িত হোক। আমাদের প্রত্যাশা, সরকারের নিয়ন্ত্রনে কমিটি করে প্রত্যক্ষ তদারকির মাধ্যমে দায় পরিশোধ পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেয়া হোক। সরকারের প্রতিনিধি ও যুবকের প্রতিনিধি নিয়ে একটি যৌথ দায়-পরিশোধ টীম/কমিটি গঠন করা যেতে পারে। যারা সরকারের পক্ষে সদস্যদের দায়-মুক্তির লক্ষ্যে যুবকের স্থাবর -অস্থাবর সকল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করবে। এ ব্যাপারে একটি আইনসিদ্ধ চুক্তিও হতে পারে।

এমন ব্যবস্থা গৃহীত হলে- ক) সরকারকে বির্তকে বা বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হবে না।; খ) সুষ্ঠ এবং পরিকল্পিতভাবে দায় পরিশোধ হবে; গ) যুবক-এর সম্পদগুলো সু-ব্যবস্থাপনায় ফিরে আসবে। আমরা দৃঢ় প্রত্যয়ী যে, অচিরেই ‍যুবক দায় মুক্ত হবে -ইনশা আল্লাহ।

যুবকের স্থাবর -অস্থাবর সকল সম্পদ যথাযথ ব্যবহার করে আমরা নিজেরাও যুবকের সকল দায় মোচন করতে পারবো। প্রযোজন সরকারের সমর্থন। গণতান্ত্রিক এই সরকারের কাছে আমাদের বিনীত প্রত্যাশা, যুবকের সদস্যদের পাওনা পরিশোধের ইস্যুটিকে সরকার একটি সামাজিক ইস্যু হিসাবে বিবেচনা করে একে সামাজিক ভাবেই নিরসনের উদ্যোগ নেবেন। সরকারের প্রতিনিধি ও যুবকের প্রতিনিধি নিয়ে একটি যৌথ দায় পরিশোধ টীম/কমিটি গঠন করে আমাদের কাজ করার সুযোগ দিলে আমরাই সকল দায় গ্রহন করতে রাজী আছি।

(যুবক পরিবারের ভুক্তভোগী সদস্য ও কর্মীবৃন্দ)


কথা হলো এতো কিছু করে কি সরকারের মন গলবে? সরকারকি যুবকের ডাকে সারা দিবে?
সদস্যরাকি পাবে তাদের প্রাপ্য পাওনা? কর্মকর্তা কর্মচারিরা কি পাবে তাদের ৮ বছরের ক্ষতিপুরন? আল্লাহই ভালো জানেন। অপেক্ষায় থাকা ছারা যুবক সংশ্লিষ্টদের কোন গতি নাই।

আসলে বাংলাদেশে এসব প্রতিষ্ঠানের কোন ভবিষ্যৎ নাই। একটা সময় সরকার এদের পৃষ্টপোষকতা দেয় পরে তাদের টুটি চিপে ধরে। আইটিসিএল, ডেসিটিনি, যুবক উদাহরন একের পর এক তৈর হয়ে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠান আর সরকারের মাঝে পরে থাকে নি:স্ব জনগনের হাহাকার আর কান্না।
এসব প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কত লোক যে বেকার হলো । কত মানুষ যে তাদের শেষ সম্বল হারিয়ে পথে বসল। সে হিসাব কি কেউ রাখে। ইছ্ছে হল এসব প্রতিষ্ঠান চালু করার অনুমতি দিলাম। ইচ্ছে হল বন্ধ করে দিলাম। জনগন মরুক কি বাচুক কার কি যায় আসে।

জনগনের জান মাল চাকুরীর নিরাপত্ত বিধান সরকারের দায়িত্ব। কাজেই কোন প্রতিষ্ঠন বন্ধ করার আগে এসব দিক সরকারেকে ভাব দরকার। হুটহাট সিদ্ধান্ত নিযে জনগনকে বিপদে ফেলে কি লাভ?

আশাকরি সরকার জনগনের দু:খ দুর্দসার কথা বিবেচনা করে এসব প্রতিষ্ঠান এর বিষয়ে সুষ্ঠ সিদ্ধান্ত গ্রহন করে জনহিতকর সমাধান বের করবেন।


১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭ নভেম্বরঃ যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

৭ নভেম্বরঃ
যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

১৯৭৫ থেকে ২০২৬, মাঝখানে পেরিয়ে গেছে অর্ধশত বছর! এই সময়ের মধ্যে ঘুরেফিরে সরকার পরিচালনা করেছে- বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা সেতু চালুই কি বিআইডব্লিউটিসির লোকসানের একমাত্র কারণ? নাকি প্রশাসনিক স্থবিরতার মাশুল?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০১

টানা পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিক লোকসান গুনছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)। সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সংস্থার নিজস্ব মূল্যায়নে সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া হলো—পদ্মা সেতু চালু হওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুরানো সেই দিনের কথা ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


নওগাঁর বদলগাছীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১৫ জন শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে এলোমেলোভাবে কেটে দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, শিশুদের চুল বড় হয়ে চোখের ওপর পড়ছিল, দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×