৯০ কোটি টাকা খরচ করে জাতীয় সংগীত গাওয়ার কি কোন দরকার আছে ??
ওরা যদি জাতীয় সংগীত ভালোবাসতো যদি চেতনার দানা এতই বেশী থাকতো তাহলে এই রকম একটা কাজে কেন ৯০ কোটি টাকার ব্যায় অথবা লুটপাট হবে।
আমার পরিবার উচ্চবিত্ত না হলেও আমি যদি আমার পরিবারকে বলতাম যে আমি জাতীয় সংগীত সম্মেলিত কন্ঠে গাওয়ার জন্য যাচ্ছি তাহলে অবশ্যই আমার পরিবার আমাকে সাধ্যমত টাকা দিত আর যদি শুনতো জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য কারো দান দখিনা নিয়েছি, এটাও সত্য হতো ঝাড়ুর বারি একটাও মাটিতে পরতো না, সব কয়টাই আমার কপালে পরতো।কারন আমরা আজ অবদি আমাদের দেশ প্রেম টাকা অথবা নামধারী চেতনার কাছে বিক্রি করি নাই।
আক্ষেপ করে বলতে হয়।
এটা সেই দেশ যেখানে জসীমউদ্দীনের নকশীখাঁতার মাঠের নায়িকা আসমানী বাঁচার জন্য সংগ্রাম করে অথচ ৯ টাকার সাহায্য পেতে এদিক সেদিক ছুটাছুটি করতে হয়েছে।
এটা সেই দেশ যেখানে বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমকে শত কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে পৃথিবী ছারতে হয়েছে।টাকার অভাবে প্রিয়তমা স্ত্রীরীর চিকিৎসা করাতে পারেন নাই।
এটা সেই দেশ যেখানে মান্না দে মারা গেলে ফেসবুক সেলিব্রেটিদের কান্নার শেষ নাই অথচ আনোয়ার হোসেন মারা গেলে তার জন্য কান্নার মত সাধারন সেলিব্রেটি খুজ পাওয়া দুষ্কর।
এটা সেই দেশ যেখানে আব্দুর রহমান বয়াতিকে জীবন বাঁচানোর জন্য মানুষের কাছে ভিক্ষা করতে হয়েছিল।
এটা সেই দেশ যেখানে প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধাদের অনেকেই রিকশা চালিয়ে জীবন যাপন করে অথচ দলবাজ ভুয়া মুক্তিযুদ্ধারা মাস শেষ হলেই সম্মানীর সাথে সাথে সালাম ও পায়।
তখন,অথবা এখনো কিন্তু নামধারী দেশপ্রেমীক চেতনাবাদীদের অভাব ছিলো না এই দেশে।
এই ৯০ কোটি টাকা দিয়ে অনেক কাজ করা যেতো সমাজের অসহায় অবহেলিতদের জন্য অথচ জ্ঞানপাপী বুদ্ধিজীবীরা ,চেতনা ব্যাবসায়ীরা এগুলো বুঝেও বুঝবে না।
কারন ওদের কাছে জীবনের চাইতে রেকর্ডের দাম অনেক বেশী,কিন্তু তা করবে ৯০ কোটি টাকা আত্মসাধ করে ,চেতনার দন্ড খাড়া করে নয়।
মানুষের মূল্য কোথায় যেখানে রেকর্ডের মূল্য সীমাহীন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


