গত বছর রাজনৈতিক অঙ্গনে সরকারীভাবে সম্ভবত সবচেয়ে বেশিবার উচ্চারিত একঘেয়ামী বাক্যটি ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে বিরোধীদল। যদিও বিরোধীদল বিএনপির তরফ থেকে এরকম কোন বক্তব্য কখোনই শোনা যায়নি। তবে এ বিষয়ে অন্তত আর কোন সন্দেহ থাকার কথা নয় যে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে পুরো দেশকে বিপদগ্রস্ত করে সরকার শুধু রাজত্ব ধরে রাখতেই সাংবিধানিক জেদ বজায় রেখে একতরফা নির্বাচন করলো। ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার পরেও যদি নির্বাচনে এতো চুরি জালিয়াতি হয় তাহলে বিরোধীদল অংশ নিলে আরো কতো কারচুপি আর নোংরামী হতো সেটা বুঝতে এখন আর কারো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
আমি ব্যক্তিগতভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান এর অনেক বড় একজন ভক্ত। তাঁর বলিষ্ঠ কন্ঠে স্বাধীনতার হুংকার, আত্মমর্যাদাবোধ আর নেতৃত্বগুন ভিষন মুগ্ধ করে আমাকে। এই দেশে কোন অন্যায় পরাধীনতা দেখলেই আমি তাঁর অভাববোধ করি এবং বিশ্বাস করি তিনি বেচেঁ থাকলে পাকিস্তান দ্বীতিয়বারের মতো বাংলাদেশের দিকে আঙুল তুলার দুঃসাহস দেখাতোনা। কিন্তু দুঃখ লাগে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মনে রাখেনি বর্তমান আওয়ামীলীগ প্রজন্ম। না হলে জনগণকে বিপদে ফেলে এমন অন্যায়ভাবে কেন তারা ক্ষমতা ধরে রাখবে? কেন মুক্তিযোদ্ধার ব্যানার হাতে নিয়ে হামলা চালাবে আইনজীবি আর সাংবাদিকের উপর!
স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়েও আজ মাথা উচু করে রাস্তায় হাটতে লজ্জা লাগে আমার। বাংলাদেশের মানুষ কী আবার পরাধীন হয়ে গেল?
রবিউল করিম বাবু,
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


