somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হেনী নদীর ‘কিউসেক কিউসেক’ হানি ও বুদ্ধিজীবীদের দালান্ধ দেশপ্রেম! বনাম করণীয়

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(একটি প্রবন্ধ বিশ্লেষন ও ভাবনা)

বাংলাদেশের স্বনামধন্য একটা অনলাইনে শিরোনামের চমকেই পড়তে শুরু করি।লেখার শুরুতেই লেখক খুব তাত্ত্বিক এবং তাথ্যিক ভাবেই অক্ষাংশ দ্রাঘিমাংশের তথ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ঘটনাপঞ্জি বিশদ বিশ্লেষন করেই প্রবন্ধটি লিখেছেন। সাধুবাদ জানাই। লিখলে এমন তথ্যবহুল লেখাই লেখা উচিত। অতপর ফেনি নদীর গতিপথ নিয়ে ফেনি নদীর মতোই আঁকা বাঁকা বিশদ বর্ণনা। অনেক কিছু জানার আছে বটে। ফেনি নদীর সৃমদ্ধ ইতিহাস, বৃটিশদের কর আদায় থেকে শুরু করে বেশ বিশদই লিখেছেন বটে। কিন্তু হোচট খেলাম এরপরেই অরিন্দমের আসল বিষাদ কথনে!


টুইস্টের শুরু এখান থেকেই -
“ অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর চারদিনের ভারত সফরে দুই দেশের মধ্যে হওয়া কয়েকটি চুক্তির মধ্যে আলোচিত চুক্তিটি ফেনী নদী নিয়ে। জেলার নাম জানলেও আগে ফেনী নদীর নাম জানতেন না এমন অনেকেই এখন ফেইসবুকে অক্লান্ত ‘ফেনী…ফেনী’ টাইপ করে চলেছেন। এমনও খুঁজে পাওয়া যাবে যারা ফেনী নদীর আদি ইতিহাস জানেন না, সঙ্কট নিয়ে ধারনা রাখেন না তারাও চুক্তি নিয়ে সমালোচনায় মুখর। ”

মানে সকল সমালোচককে তিনি এক কাতারে ফেলে দিলেন! যা সঠিক নয় এবং উচিতও নয়। এরপর যা বললেন তা রীতিমতো হতবুদ্ধ করে দেয়ার মতো .....

----“ গণমাধ্যমে খবর হয়েছে, ওপারে মাটির নীচে পাইপ বসিয়ে অবৈধভাবেই নদীর পানি তুলে নিচ্ছে ভারত। এই অভিযোগ ৫-৭ বছর ধরে চলে আসছে। প্রায় ৩৬টি পাইপ দিয়ে ৭০-১০০ কিউসেক পানি অবৈধভাবে চলে যাচ্ছে ওপারে। তাহলে ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি সাবরুমকে বৈধভাবে দেওয়াতে কেন এখন সমালোচনা? ”

মানে কি? তারা চুরি করেছে দীর্ঘদিন! তাকে কি জাস্টিফাই করলেন এ প্রশ্নবোধক দিয়ে? ‍চুরি ঠেকানোর কোন আন্ত:রাষ্ট্রীয় চিঠি চালাচালি, আপত্তি বা চেষ্টা হয়েছে কি? কেন নয়? মমতা দিদি যদি তার রাজ্যের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীকে মূখের উপর না করে দিতে পারে.. আমরা কেন পারিনা। পদ্মার জলও তাই পাইনা! তিস্তাও দিল্লী দূরস্ত!! আর সব কিছু ঢাকতেই কি এখন চুরিকে বৈধতা দিলেন এত সমালোচনা কেন বলে? তবে কি চুরিকেই স্বীকৃতি এবং বৈধতা দিয়ে মেনে নেয়া হলো চুক্তি করে? তা কি কোন ভয়ে না চাপে? না লোভে?

এরপরের প্যারায় পুরাই আক্কেল গুরুম। তিনি কিউসেকের অংক শেখালেন। আমরা্ও শিখলাম। চলূন আপনারাও শিখবেন ....
“ কিউসেক হচ্ছে পানির প্রবাহ পরিমাপের একক। প্রতি সেকেন্ডে কত ঘনফুট পানি ছাড়া হচ্ছে সেটাই কিউসেক। এক কিউসেক মানে হল ২৮ দশমিক ৩১৭ লিটার পানি। খাবার পানির ১ লিটারের বোতলগুলোর প্রায় ২৯টা বোতলেই ১ কিউসেক পানি হয়ে যায়। অথবা একটি বালতি ১৫ লিটার পানি ধারণ করলে এমন দুই বালতিতে এক কিউসেক পানি এঁটে যাবে।

ভারতকে দেওয়া ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি মানে হল ১.৮২x২৮.৩১৭ = ৫১.৫৩৬৯৪ লিটার পানি। এই পানি নিতে বালতি লাগবে মোটে (২X৫১.৫৩৬৯৪)/২৮.৩১৭ = ৩.৬৪টি অর্থ্যাৎ চারটির মত। ”

হুম এক কিউসেক মানে চার বালতি পানি, ধরেই নিলাম। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যাবে চার বালতি পানি।
মাত্র! এখন চলুন দেখে নেই ফাঁক টা কোথায়? শুভংকরের ফাঁকিটা ঠিক কোন খানে?
বাহ্যততো ঠিকই বলছে। ঠিকইতো। মাত্র তো চার বালতি! এতে আর কি এমন ক্ষতি! ছি: ছি: এত মানবিকতার কথা্ও তোমরা বুঝতে চাইতো না? সমালোচনা করছো! ভাবখানা এমন!

কিন্তু পার সেকেন্ড কথাটা পুরাই গলার ভেতর লুকিয়ে রাখছেন? না গিলে ফেললেন? প্রতি সেকেন্ড ১.৮২ কিউসেক বা ৪ বালতি পানি নিলে এক ঘন্টায় কত পানি যাবে? এক দিনে?
প্রতিদিন কি পরিমান পানি টানবে এ চুক্তি! মতো! দিনে কত ঘন্টা টানবে?
উনার প্রবন্ধের হিসাব অনুসারেই ধরি- ১.৮২ কিউসেক /সেকেন্ড হলে,

২৪ ঘন্টায় হয় একদিন, ৬০ মিনিটে হয় এক ঘন্টা, ৬০ সেকেন্ড হয় এক মিনিট
এক দিনে পাই মোট ৮৬৪০০ সেকেন্ড প্রতি সেকেন্ডে যদি নেয় ১.৮২ কিউসেক ( ৪ বালতি ! ) , তো একদিনে টানছে ১৫৭২৪৮ কিউসেক পানি !!! এক কিউসেক মানে হল ২৮ দশমিক ৩১৭ লিটার হিসেবে যা প্রায় ৪৫ লাখ লিটার! প্রতিদিন।

শুভংকরের ফাঁকি কি একেই বলে? মাত্র ৪ বালতির দারুন অংকের আড়ালে দেশ এবং জনতার বৃহত্তর স্বার্থ এভাবেই লুকিয়ে যায় জ্ঞানপাপীদের জ্ঞানের একমাত্রিকতায়? তারা বলেনা বিগত ১৭-২০ বছর ধরে এই নদীর পানি কিভাবে চুরি হচ্ছে!

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যে ফেনী নদীতে বর্ষা মৌসুমে ৮-১০ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহিত হয়। আর শুষ্ক মৌসুমে এ পানির প্রবাহ থাকে সর্বোচ্চ ৫০ কিউসেক। পানি উন্নয়ন বোর্ড যেখানে পানি পরিমাপ করে, ভারত তার ৫ কিলোমিটার উজানে পানি পরিমাপ করে থাকে। যৌথ নদী কমিশনে ভারতীয় তথ্য অনুযায়ী শুষ্ক মৌসুমে ফেনী নদীতে পানি প্রবাহ থাকে ১০৯ কিউসেক।


মি. আনোয়ার বলেন, "যে ফিগারটা তারা বলছে এবং আমাদের হাতে আছে সেটা নিয়ে বিতর্ক আছে। এটা নিয়ে আমরা একটা কমিটি অচিরেই মিটিং করতে যাচ্ছি। সেখানে এগুলো ফাইনাল করতে পারবো। এই ডাটাগুলো আসলে সঠিক নয় এই মুহূর্তে।"

এদিকে ফেনী নদীতে চুক্তি ছাড়াই পাম্প বসিয়ে পানি তোলার অভিযোগ আছে। ত্রিপুরার সাবরুমে খাবার পানি সরবরাহের জন্য উজানে ১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহার হলে কোনো ক্ষতি হবে কিনা সে প্রশ্নের চেয়ে স্থানীয় মানুষের কাছে বিদ্যমান ভারতীয় পাম্পগুলো নিয়েই প্রশ্ন।


রামগড় এলাকায় গিয়ে নদীর তীরে ভারতীয় অংশে এরকম পানির পাইপ এবং পাম্প মেশিনের অস্তিত্ব দেখা গেছে।স্থানীয়রা একটি নদীতে একটি পাইপলাইন এবং তার পাম্পঘর দেখিয়ে বলেন, ২০০২ সাল থেকে এখান থেকে পানি তুলছে ভারত।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ নিয়ে প্রতিবাদ করা হয়েছে বলেও জানা যায়।

রামগড়ে অবস্থিত ৪৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তারিকুল হাকিম বিবিসিকে বলেন, সীমান্তে ৩৬টি এরকম পাম্প মেশিন দিয়ে পানি তুলছে ভারত। নোম্যান্স ল্যান্ড থেকে এগুলো সরিয়ে নিতে বিএসএফ এর সঙ্গে বৈঠকে তাগাদা দেয়া হলেও জানানো হয়েছে, এটি তাদের এখতিয়ারভুক্ত নয়।
উজানে বাংলাদেশ অংশে তিনটি পাম্প দিয়ে শুষ্ক মৌসুমে পানি তোলা হয় বলেও স্থানীয় মানুষের কাছে জানা গেছে।

ওয়ারপো'র সাবেক মহাপরিচালক ম ইনামুল হক বলেন, ১.৮২ কিউসেক পানি দেয়ার চুক্তি হয়েছে সেটা তেমন কোনো ক্ষতি করবে না। কিন্তু এখনই যে পাম্পগুলো ভারতের অংশে বসানো আছে তার প্রতিটির ন্যূনতম ক্ষমতা দুই কিউসেক।

"২০ বছর আগে ফেনী নদীতে শুষ্ক মৌসুমে ১২০ কিউসেক পানির প্রবাহ ছিল সেটা এখন ৫০ কিউসেকে নেমে এসেছে। এর কারণ তারা উজানে পাম্প দিয়ে পানি প্রত্যাহার করছে। যদি এখন ১.৮২ কিউসেক নেয়া হয় তাহলে অন্যান্য যে ৩৬টি পাম্পে তারা পানি উঠাচ্ছে তার কী হবে?"

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যৌথ নদী কমিশনের সদস্য কে এম আনোয়ার হোসেন বলেন,


"অফিশিয়ালি এ ধরনের কোনো তথ্য আমাদের কাছে নাই। তারা যদি তুলে থাকে সেটা হতে পারে। আমরাও আমাদের অংশে প্রয়োজনে পানি তুলে থাকি। এটা ঠিক একতরফা না। উভয়ের প্রয়োজনে উভয়ে তুলে থাকে। এটা চুক্তি বহির্ভূত যেসকল নদীগুলো আছে সেখানে হয়ে থাকে। সেজন্য ভবিষ্যতে যাতে সেটা নয় হয় সেজন্য সাতটি আন্তঃ সীমান্ত নদীর পানি বণ্টন চুক্তি হতে যাচ্ছে তখন এগুলো সমাধান হয়ে যাবে।"

আমাদের প্রতিবেশির যে স্বভাব এবং ইতিহাস তাতে এই চুক্তির শর্ত নিয়ে যদি কোন দেশ প্রেমিক প্রশ্ন তোলে অন্যায় হবে কি? এসব ক্ষেত্রে আমাদের দলান্ধ বুদ্ধিজীবীরা স্পিকটি নট। মূখে তারা। অথচ এগুলোই হওয়া উচিত আলোচনা-সমালোচনার মূল। যার মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসবে প্রকৃত সমাধানের এবং পারষ্পারিক স্বার্থ সুরক্ষার সঠিক পথ।

পানি সরবরাহের শর্ত:

যৌথ নদী কমিশন সূত্রে যানা যাচ্ছে, এবার ভারতকে ১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহারের সম্মতি দেয়া হয়েছে সাতটি শর্ত:

১। 'লঞ্চিং অ্যাপ্রোচ'-এর প্রশস্ততা ৭.৬৫ মিটারের পরিবর্তে ৪.৫ মিটার হবে।
২। পাম্পের বৈশিষ্ট্য চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশে সরবরাহ করতে হবে।
৩। ফেনী নদী হতে পানি উত্তোলনের পরিমাণ ১.৮২ কিউসেকের বেশি হবে না, যা উভয়
দেশের প্রকৌশলীরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে।
৪। বাস্তবায়নের পর উভয় দেশের প্রকৌশলীদের দ্বারা পাম্পের সক্ষমতা যাচাই করা হবে।
৫। ত্রিপুরার সাবরুম শহরে ১.৮২ কিউসেক পানি সরবরাহ পাইপ একটির বেশি হবে না।
৬। ইনটেক ওয়েলের (কূপ) অবস্থান যৌথভাবে উভয় দেশের প্রধান প্রকৌশলীগণ নির্ধারণ
করবেন।
৭। ইনটেক ওয়েলের বিপরীতে ফেনী নদীর বাংলাদেশের দিকে ভাঙন দেখা দিলে ভারতীয় পক্ষ উক্ত অংশের নদী তীর সংরক্ষণমূলক কাজ বাস্তবায়ন করবে।

শেষ করার আগে ধোঁয়াশা বা ভাসা ভাসা ভাবনায় নয়, সত্যিকারের তথ্য উপাত্তে হোক দেশের স্বার্থে যৌক্তি আলোচনা।
আসুন দেখে নেই যৌথ ইশতেহারে কি বলা আছে এ বিষয়ে।
মূল যৌথ ইশতেহারটি মোট ৫৩টি পয়েন্ট উল্লেখ আছে । এর মাঝে ফেনি নদী নিয়ে উল্লেখ আছে ২১ ও ২৩ এ এবং সবশেষে ৫০ নং ক্লজে চুক্তির অংশে

21. Both Leaders directed the Technical Level Committee of the Joint Rivers Commission to expeditiously exchange updated data and information and prepare the draft framework of Interim Sharing Agreements for the six rivers, namely, Manu, Muhuri, Khowai, Gumti, Dharla and Dudhkumar and to firm up the draft framework of interim sharing agreement of Feni River.

২১. উভয় নেতা যৌথ নদী কমিশনের কারিগরি স্তরের কমিটিকে তাত্ক্ষণিকভাবে আপডেট হওয়া তথ্য ও উপাত্ত আদান-প্রদানের জন্য এবং মনু, মুহুরী, খোওয়াই, গুমতি, ধরলা ও দুধকুমার নামে ছয়টি নদীর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন শেয়ারিং চুক্তির খসড়া কাঠামো প্রস্তুত করতে এবং ফেনী নদীর অন্তর্বর্তীকালীন শেয়ারিং চুক্তির খসড়া কাঠামোটি তৈরী করতে.

22. Both Leaders appreciated the decision taken in the Water Resources Secretary level meeting in Dhaka for early start of the work on withdrawal of 1.82 cusec of water from Feni River for drinking purpose of the people of Sabroom town of Tripura.

২২. উভয় নেতা ত্রিপুরার সাবরুম শহরের জনগণের পানীয়জলের উদ্দেশ্যে ফেনী নদী থেকে
১.৮২ কিউসেক জল প্রত্যাহারের কাজ শুরু করার জন্য ঢাকায় জলসম্পদ সচিব পর্যায়ের
বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন;

এবং সব শেষে চূড়ান্ত চুক্তির তালিকায় উল্লেখ আছে এভাবে
. MoU on withdrawal of 1.82 cusec of water from Feni River by India for drinking water
supply scheme for Sabroom town, Tripura, India

সাব্রুম শহর, ত্রিপুরা, ভারতের পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের জন্য ফেনী নদী থেকে ১.৮২
কিউসেক জল প্রত্যাহারের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলো,

আমরা্ও আশা করি সমস্ত শর্ত মেনে এবং পারষ্পারিক কূটনৈতিক শিস্ঠাচার বজায় রেখে সমস্ত সমস্যার সুন্দর ভাবেই সমাধান হোক। কোন তত্ত্ব তথ্যের প্যাচে যেন দেশের স্বার্থ লংঘিত না হয়। এবং সু- প্রতিবেশি সুলভ মানসিকতায় তারা তা মাণ্য করবেন। তাদের প্রতি মানবিক যে দৃষ্টি ভঙ্গি বাংলাদেশে দেখিয়েছে তারা্ও পদ্মা এবং তিস্তার ক্ষেত্রে একই মানসিকতা প্রদর্শন করবে। কোন লেইম অজুহাত নয়, আমরা দেখতে চাই আন্তরিকতার বাস্তবায়ন।

তথ্য সূত্র:
প্রবন্ধ
https://opinion.bdnews24.com/bangla/archives/58233
বিবিসি
https://www.bbc.com/bengali/news-50032110

যৌথ ইশতেহার
https://mea.gov.in/bilateral-documents.htm? dtl/31911/IndiaBangladesh+Joint+Statement+during+Official+Visit+of+Prime+Minister+of+
Bangladesh+to+India

ছবি কৃতজ্ঞতা:
অন্তর্জাল



সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:০৮
৩৭টি মন্তব্য ৩৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রগলভ (ড্রাফট কবিতা-২)

লিখেছেন সোনালী ডানার চিল, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৭



বলিনি আমার দূ:খেও তুমি থাকো-
অন্ধকারে শীতল ঘরের কোণে
বলিনি আমার দূ:স্থতা তুমি নাও
বিষাদ মাখানো একাকীত্বের ক্ষণে!

আমি তো বলিনি কোথায় কান্না রাখা
বিগলীত করো হরিনী চোখের বাকে
চাইনি আমি তো কোমল বাহু-জোড়া
মৃদ্যু উষ্ণতায় যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুভকামনা কবি গুলতেকিন..!

লিখেছেন সোহানী, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৩



কি বললেন? গুলতেকিন বিয়ে করেছে?...

- ছি: ছি: এ বয়সে এ মহিলার ভীমরতি হয়েছে।..... নাতি পুতি নিয়া সুখে থাকবে না তো, নানি এখন বিয়ের পিঁড়িতে...খিক্ খিক্ খিক্ !!

- ওওও তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ লাভ অন ফায়ার

লিখেছেন অপু তানভীর, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯




মেঘলা চোখ খুলে প্রথমে বুঝতে পারলো না ও কোথায় আছে । মাত্র কয়েক সেকেন্ড লাগলো ওর সব কিছু মনে করতে । সাথে সাথেই মনে পড়ে গেল অজ্ঞান হওয়ার আগে কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি এসেছি

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫২



আমার সোনা বন্ধুরে তুমি কোথায় রইলা রে
দিনে রাইতে তোমায় আমি খুইজা মরি রে
যদি না পাই তোমারে আমার জীবনের তরে
সোনার জীবন আঙ্গার হইবে
মরন কালে যেন বন্ধু একবার তোমায় পাই
যদি না পাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয়তমা ও ভালোবাসায় অন্যরকম সম্ভাষণ

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৯


প্রিয়তমা
যখন তুমি হাসো ,এই পৃথিবী থমকে যায় ,চমকে তাকায় ।
আর আমি তোমার নেশায় ,
অবাক চেয়ে রই ।
আকাশের যত তারকারাজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×