সত্যি সেলুকাস, কী বিচিত্র এই রাজনীতি। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হতে পারে, কিন্তু শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের মুখে এই ধরনের বাক্য বেমানান। বিশেষ করে যখন এই বক্তব্য গণমাধ্যমের কল্যাণে সারা দেশের মানুষের কাছে পৌছে যাবে তখন এর প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে ?
রাজনীতির কৌশল যদি হয় বুদ্ধির চেয়ে শরীরের তাকড় তাহলে একটা সময় আসবে তখন মানুষ আর রাজনীতিবিদ দের বিশ্বাস করবে না। ইদানিং কালে খেয়াল করা যাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত এর আঠারো দলীয় জোটের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের কথার মাফ কাঠি সরকার দলীয় মন্ত্রী-এমপি দের চেয়ে ভয়াবহ আক্রমণাত্তক। যা জনমনে সন্দেহ পোষণ করার খোরাক তৈরি করে দেয়, যে যদি বিএনপি-জামায়াত এর আঠারো দলীয় নেতারা কখনো ক্ষমতায় আসে তাহলে দেশের অবস্থা কতখানি ভয়াবহ হবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কতটুকু হিংস্র হবে ?
আমি মোটেই মেনে নিতে পারছি না, সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রীর উপস্থিতিতে একটি পরজীবী রাজনৈতিক দল জামায়াত ইসলামীর তৃতীয় সারির একটি নেতা কী প্রধানমন্ত্রী কে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে বলেছে, “তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সিঁড়ি দিয়ে আপনি ক্ষমতায় এসেছেন। এই সিঁড়ি সরিয়ে নিলে আপনি নিজেই নামতে পারবেন না। এতে আপনার জীবন অবসান পর্যন্ত হতে পারে।”
ঠিক আছে বিরোধী দলের দ্বাবি এটা তাদের রাজনৈতিক অধিকার, কিন্তু ভরা জনসভায় একটা দেশের প্রধানমন্ত্রীকে কী করে স্বাধীন বাংলাদেশ বিরোধী রাজাকার ঘাতক চক্রের একজন তৃতীয় সারির নেতা এই হুমকি দিলেন ? বেগম খালেদা জিয়ার মনে রাখা প্রয়োজন ছিল আজকে প্রধানমন্ত্রী কে জামায়াত এর একজন নেতা যে হুমকি দিয়েছে, আগামীকাল বেগম খালেদা জিয়াকে ও এইরকম হুমকি দিতে পারে। কারণ এরা(জামায়াত) কাল কেউটের দল, এরা এদের নিজেদের স্বার্থের জন্য সকল কিছু করতে পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



