সন্তর্পনে ময়ুরপঙ্খী চাপলাম যখন
কোমল পালকগুলো মৃদু স্পর্শে হৃদয় কাঁপালো
জনারণ্যে স্মৃতি রচনায় ব্যাপৃত হতে
মনের সায় ঠিক মেলেনা, কত কি যে ভেসে আসে মনে
আমরা গন্তব্যে চলি, ঢাকার রাস্তা থেমে থেমে ছোটে
ময়ুরপঙ্খি শুণ্যে ভাসে এবার, পালকগুলো কেঁপে ওঠে
রক্ত উঠে আসে পালকের ডগায়, রক্তাভ
রক্ত সিঞ্চনে ফুলে ওঠে শিরা-উপশিরা
আরও নিবিড় রচনায় প্রলুব্ধ হই প্রগলভে
গতি দ্রুততর হয় ময়ুরপঙ্খীর, ঢাকার রাস্তা খেমে যায়
নিশ্চল, নিথর পথের বাঁকে নিজেই গতিপথ
ধেয়ে যাই অজানা পথে ঠিক
তারপর...
শো শো শব্দে প্রলয়ঙ্কারি ঘুর্ণিবায়ু
নিমেষে শুষে নেয় সব অনভিপ্রেত বাচন
স্তব্দ দিগিবদিকে মুক্ত কুসুম কানন
অবমুক্ত করি নিজেকে - স্নান করি সব পবিত্রতা
কুসুমাস্তীর্ণ পথে এ যাত্রা ফুরোবে না জেনে
আমি আকাশ দেখি প্রশস্ত, তোমার পথে পথে।।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



