
বৃহস্পতিবার 'ঐক্যফ্রন্ট' ফ্রন্টের সাথে শেখ হাসিনার সংলাপ হবে; ড: কামাল, জাসদের রব, মান্না সবাই উনারই লোকজন; উনি যখন এদের মুখ থেকে শুনবেন, সংলাপের একটা বিষয় হচ্ছে, বেগম জিয়ার মুক্তি, ও আরেকটি উনার সরকার ভেংগে দিয়ে, সরকারের বাইরের লোকজন দিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের কথা, তখন শেখ হাসিনার নাক, কান দিয়ে ধুয়া বের হওয়ার শুরু করবে!
শেখ হাসিনা হাঁড়ে হাঁড়ে অনুধাবন করেন বেগম জিয়া উনার জন্য কে? শেখ হাসিনার জন্য বেগম জিয়া হলেন, শেখ ও তাজুদ্দিনের হত্যাকারীদের সবচেয়ে দীর্ঘজীবি উত্তরাধিকারী! বেগম জিয়ার মুক্তির দায়িত্ব শেখ হাসিনা নেবেন না, এবং বেগম জিয়ার মুক্তির কথা যখন ড: কামালের ও রবের মুখ থেকে বের হবে, সেটা শেখ হাসিনার জন্য কষ্টকর মহুর্ত হবে, অনেক পুরাতন স্মৃতি উনার মনে ভেসে উঠবে: এই রবেরা, এই ড: কামালেরা উনার বাবার হত্যার বিচার চায়নি!
শেখ হাসিনা তিনটি আওয়ামী লীগকে এক করে, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করেছিলেন; এরপর ২০০৮ সালে সরকার গঠন করেছেন, ড: কামাল, রবেরা বিএনপি'র বিপরিতে নিজেদের সরকার গঠন করেননি কোনদিন; যারা সরকার গঠন করেননি, তারা সরকার ভাংগার কে? এই প্রশ্নটা আসতে পারে শেখ হাসিনার মনে!
শেখ হাসিনা কোন অবস্হায় বিএনপি'র সাথে সংলাপে বসতে চাননি; কিন্তু সংলাপের সময়, ড: কামাল সাহেবের ডান ও বাম পকেট থেকে বের হয়ে আসবেন মির্জা ফখরুল, ড: খোন্দকার মোশারক, মওদুদ সাহবে; তাদের বক্তব্য কি হবে বলা মুশকিল! তবে, শেখ হাসিনা মওদুদ সাহেব ও ড: খোন্দকার মোশারফকে পছন্দ করেন না; শেখ হাসিনা যাদের ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করেন না, তাদেরকে এই ধরণের সংলাপে পাঠানো সঠিক হচ্ছে না।
সংলাপে হয়তো সবচেয়ে বিরক্তিকর চরিত্র হবে, আসম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না ও ডা: জাফর উল্লাহ; রব যদি চুপ করে বসে থাকে ভালো, রবের প্রতি বাক্যেই শেখ হাসিনা বিরক্ত হবেন; আর যদি রব নিজের মুখে বেগম জিয়ার মুক্তি চায়, উনাকে শেখ হাসিনা চুপ থাকার জন্যও বলতে পারেন। মান্না যদি বসে বসে চা ও বিস্কুট খেয়ে সময় কাটান, সেটা হবে সবচেয়ে ভালো, শেখ হাসিনা মান্নাকে কখনো কোন ব্যাপারে সিরিয়াস মানুষ হিসেবে নেন না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



