
২ সপ্তাহ আগেও শেখ হাসিনা বলেতেছিলেন যে, নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযা্যী, বিএনপি'র সাথে কোন সংলাপ মংলাপের দরকার নেই; বহুমুখী আওয়ামী লীগের সব নেতারা নেত্রীর কথা আওড়াচ্ছিল তোতা পাখীর মতো; এই সপ্তাহে নেত্রী উনার মত বদলায়েছেন, সংলাপ হবে। এখন আওয়ামী লীগের পিএইচডি, মিএইচডি, এডভাইজার, পেটভাইজার সবাই শেখ হাসিনার পিয়ন হয়ে গেছেন, টাই ট্যুই পরে পথে নেমে গেছেন, যাকে পাচ্ছেন তাকেই সংলাপের চিঠি দিচ্ছেন।
আওয়ামী লীগের সাথে সংলাপ হওয়ার প্রশ্ন যদি উঠে, কাহাদের সাথে সংলাপ হওয়ার কথা? নিশ্চয়ই বিএনপি'র সাথে হওয়ার কথা! এখন দেখা যাচ্ছে, শেখ হাসিনার ঘরের চাকরাণীগণ ব্যতিত সবার সাথেই সংলাপ হতে যাচ্ছে! আর বাদ পড়তে পারেন জর্জমিয়া, হয়তো।
বিএনপি নিজের নাম ব্যবহার করে সংলাপে যাচ্ছেন না, উনারা ড: কামাল সাহেবের পকেটে ঢুকে প্রাইম মিনিষ্টারের বাসায় ঢুকবেন! একদিক দিয়ে ভাবলে, প্রাইম মিনিষ্টার উনার কথা রাখছেন, বিএনপি'র সাথে সংলাপ মংলাপের দরকার নেই, হচ্ছেও না; হচ্ছে, ঐক্য, অনৈক্য, সাক্য মুণির সাথে!
ড: কামাল সাহেবের সাথে সংলাপের পর, নৈশ ভোজের ব্যবস্হা আছে; উহার মেনুতে নাকি ১৭ ধরণের খাবার আছে! এই মেনুর কথা শুনে কি ডা: বদরুদ্দোজা সাহেব নিমন্ত্রণ চেয়ে বসলেন? ডা: বদরুদ্দোজা সাহেবকে দেখতে কিন্তু রংপুরের লোকদের মত দেখাচ্ছে আজকাল! এরপর নিমন্ত্রন পত্র চেয়েছেন আমাদের গ্রামীন গণতন্ত্রের পিতা জেনারেল এরশাদ সাহেব; উনার কিন্তু কারণ থাকতে পারে; রওশন এরশাদ ফ্রি খাবার খান পালর্লামেন্টে, বাড়ীতে রান্নাবান্না হয় বলে মনে হয় না।
কারো সাথে শেখ হাসিনার সংলাপ না হলেও, এরশাদ সাহেবকে একবার শেখ হাসিনা ডাকার কথা, ভোটের আগে একবার উনাকে স্মরণ করায়ে দিতে হয় যে, জেলখানায় রুম প্রস্তুত করা আছে, এদিক ওদিক করার উপায় তেমন নেই!
ইনু, মেমনও নাকি আসতেছে সংলাপে; উনারা ঘর জামাই, তারপরও শ্বশুর বাড়ীতে বেড়াতে চাচ্ছেন। রওশন এরশাদ পত্র পেয়েছেন কিনা এখনো মিডিয়ায় আসেনি; উনি মনে হয়, উনার আগের পদটা ঠিক রাখার চেষ্টা করবেন; উনি নারী উন্নয়নের ধারক-বাহক ও উদাহরণ। বাকী থাকছে কাদের সিদ্দিকী; উনি চিঠি একখানা পেয়েছেন, উহা ইংরেজীতে লেখা থাকায়, উনি কিছু বুঝতে পারেননি; উনি ফোন করে জানায়েছেন যে, উনাকে চিঠিপত্র দেয়ার দরকার নেই, উনি সোজাসুজি খাবার টাইমে এসে উপস্হিত হবেন!
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



