
আসলে, কারো প্রতি আমার বা আপনার দায়িত্ব থাকার কথা নয়; আমরা হালাম ব্লগার মানুষ, কবিতা লেখা, গল্প লেখা, কোরান হাদিসের তফসীর লেখা, ছবি পোষ্ট দেয়া, কিংবা মুভি রিভিয়্যু করা আামদের দায়িত্ব হতে পারে; নেওয়াজ আলী সাহেবের দায়িত্ব হলো, কমেন্ট করা। পথ শিশু ও রোহিংগাদের দায়িত্ব হলো শেখ হাসিনার; কারণ, সবকিছু আপা জানেন! আমাদের ব্যুরোক্রেটরা, প্রশাসনের লোকেরা আপার উপর সব ছেড়ে দিয়ে নিজেদের পরিবার পরিজন নিয়ে ব্যস্ত আছেন।
রোহিংগা সমস্যার সমাধানের কোন সঠিক পদক্ষেপ সরকার এখনো নেয়নি; সরকার বার্মাতে জেনারেল জিয়া ও এরশাদের জাতি ভাইদের সাথে লেনদেন করার চেষ্টা করছে। বিদেশীরা টাকা দিচ্ছে, বাংলাদেশ ভুমি, জ্বালানী ও জনবল দিচ্ছে রোহিংগাদের পেছনে; সেজন্য এখনো গায়ে লাগছে না তেমন। বিদেশী টাকা থেকে কিছু বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে নাকি? মনে হয়, কিছুটা বাঁচছে, না হয়, করোনার মাঝেও কিভাবে প্রশাসনের লোকজন এখনো রোহিংগাদের জন্য ভাত কাপড়ের যোগান দিচ্ছে?
সরকার ১০ লাখ পথ শিশু নিয়ে ভাবছে না, ঐগুলো রোহিংগা নয়, বিদেশীরা ওদের জন্য এত টাকা দেয় না; যা দেয়, ওদের পেছনে টাকা ব্যয় করা সম্ভব নয়, খুঁজে পাওয়া যায় না, রোহিংগাদের মতো ওরা ক্যাম্প থাকে না; কোথায়ও ক্যাম্পে থাকলে, শেখ হাসিনার চোখে পড়লে উনি হয়তো ব্যবস্হা নিতেন।
জাতির প্রফেশানেলরা ও প্রশাসনের লোকেরা নিজেদের বাচ্চার খবর রাখছেন, নিজেদের অপদার্থ বাচ্চাকে প্রাইভেটে দিয়ে ডাক্তার ইন্জিনিয়ার বানাচ্ছেন; কিন্তু এতিম, কিংবা হত-দরিদ্রদের ছেলেমেরা যে, রাজধানীর রাস্তাঘাটে সংসার গড়েছে উহার খবর নেই। পুরো জাতির কাছে ইহা কোন সমস্যা নয়: ডা: জাফর উল্লাহ, ড: কামাল সাহেব বেচারী বেগম জিয়ার জন্য ২ বছর চীৎকার দিচ্ছেন, কিন্ত রাস্তার বাচ্চাগুলোর জন্য ২ মিনিটও কথা বলেননি। আমাদের কয়েক লাখ শিক্ষক একদিনও সরকারকে এই বাচ্চাগুলোর পড়ালেখার ব্যাপারে কিছু বলেননি; তাই ভাবছি, আমরা ব্লগারেরা কি করবো, কি ভাববো এসব বাচ্চাদের নিয়ে?
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



