আর কয়েক বছরের মধ্যে দেশের প্রকৌশল শিক্ষার বাজারে কেবলই সিজিপিএ আর লো-কনফিডেন্স সেলফ এস্টিম মশলা যোগে নতুন হবু গ্রাজুয়েটদের কথাটা মাঝে মাঝে চিন্তা করলে মন বিষিয়ে ঊঠে। আমাদের সরকারী বেসরকারী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আল্লহার ওয়াস্তে সিলেবাস আর আর্য-পলাশীর হস্তক্ষেপের কথায় আসছি না, কখনো সেটা নিয়ে বিশদ লেখার ইচ্ছে আছে। কিন্তু এভাবে চলতে দেয়া যায় না। যখন সিস্টেমটাই ঘুনে ধরে যায়, সিস্টেম চেঞ্জ না করতে পারলে নিজেদের হাতেই নিয়ন্ত্রন নিতে হবে।
চাই গবেষনা, গবেষনা, গবেষনা। ল্যাব-সেশনাল ভাইভাগুলো থেকে কন্সাল্টেন্সি-খেকো সাইকোপ্যাথিক জাপানি ইউরোপী পিএইচডি ওয়ালাগুলোকে ঝেড়ে ফেলে তা ভরে উঠুক প্রান শক্তিতে বলীয়ান কোন সত্যিকারের শিক্ষকে, ছেলেমেয়েরা আনন্দে, গবেষনা আর সৃস্টির নেশায় মেতে থাকুক । ল্যাবের ছোট ছোট টুলস গুলো, ল্যাপ্টপে ভরা সিমুলেশনের আউটপুট দিয়ে মেতে উঠুক আড্ডা। একটার পর একটা কনফারেন্সে ভরে যাক সারা বাংলাদেশ , সবার সিভি ভরে ঊঠুক পাব্লিকেশন লিস্টে
এক্টার পর একটা প্যটেন্ট আর নিউ প্রোডাক্ট লঞ্চ এ সারা বছর ব্যাস্ত থাকবে সোনারগা, আগারগাও।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


