ছেলেটা খবরের কাগজ বিক্রি করত... ওর রক্তাত্ত লাশটা পড়েছিল রাস্তায়, মুখের উপর ওর অবিক্রীত খবরের কাগজ। খবরের কাগজ বিক্রি করত ছেলেটা... সাতসকালে আহারের সন্ধানে বের হয়ে লাশ হয়ে গেল...
অনাবিল আর তুরাগ বাসের পারাপারির বলি হোল ছেলেটা, কুরিল বিশ্বরোডে।
সকাল বেলা ওই আনাবিল বাসটি যখন গেট লক করে সামনে দিয়ে চলে গেল, খুব মন খারাপ লাগছিল... আর একটু পরে দেখি সেই বাসটিই...
খবর নিয়ে ঘুরে বেরাতো ছেলেটা, ভেবেছিলাম ওর মৃত্যুটা অন্তত খবর হবে, হোল না... হবে কি করে দু পয়সার হকার ও, কয়জন ওকে চিনে... আর এইসব ব্যাপারতো আমাদের কাছে ডাল-ভাত।
যাক এই ভালো... মরা মানুষটাকে নিয়ে টানাটানি না করাই ভালো...
কয়টা টাকা দিয়ে দিলেই, যখন মামলা ডিসমিস... তখন আর কথা বারিয়ে লাভ কি... যাই ঘুমোতে, সকালে অফিসে যেতে হবে... কাল যে আবার বাস ধরতে হবে...
ফিরোজ রাশিদ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



