somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসেন গবেষনা করি।চরমভাবে ১৮+ পোস্ট

২৫ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১০:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মূল পোস্ট মানে গুবেষনা শুরু করার আগে তিনটা প্রশ্নের উত্তর দেন-

১- আপনি কি মনে করেন ব্লগ বিনোদনের জন্য?
২- আপনার কি ধারনা জানা এবং আরিল সাহেব ফালতু সময় কাটানো এবং আড্ডাবাজি করার জন্য হাজার হাজার টাকা খরচ করে এই ব্লগ চালাচ্ছে?
৩-আপনি কি ১৮+ মার্কা পোস্ট পড়েন এবং ১৯- টাইপ পোস্ট দেন?


সবগুলোর উত্তর যদি হ্যা হয় তাহলে গেট আউট! এই পোস্ট আপনার জন্য না।

এবার আসুন মহান আরজ আলীর নাম নিয়ে শুরু করি গুএষনার কাজ-
কথা হল কথা শুধু কথাই নয়। এই যে ব্লগ দেখছেন তা আমাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং ব্যাক্তিগত ও সমষ্টিগত নৈপণ্য দেখানোর অতি উত্তম স্থান।আমাদেরকে ব্লগ অবশ্যই সঠিক কাজে সঠিকভাবে লাগাতে হবে।আমরা অবশ্যই ঠিকভাবে ব্লগকে কাজে লাগিয়ে উন্নতির চরম শিখরে পৌছে যাব এবং সেইদিন খুব দূরে নয় যেদিন কোনো সুদখোর নয় বরং একজন সফল ব্লগার বাংলার জন্য মহাসম্মানের নোবেল পুরুষ্কার ছিনিয়ে আনবে।এজন্য আমাদের ঠিকপথে এগিয়ে আসতে হবে।এবং সঠিকভাবে গুএষনা চালিয়ে যেতে হবে।আসুন আমরা দেখি সেই গুএষনার ধাপগুলো-

প্রথম আমরা শুরু করতে পারি ইতিহাস নিয়ে।

বাংলার যে ইতিহাস আমরা জানি তা কি ঠিক? ইতিহাসবিদগণ কিন্তু ভুল করতেই পারে তাই বলে আমরা ব্লগাররা কেন করব? আমরা জানি আমাদের বলা হয় আর্য থেকে উতপত্তি। কিন্তু কথাটি কতটা ঠিক? আমরা কি টাইম মেশিনে চড়ে এই ইতিহাসের ভুলভ্রান্তিগুলো ঠিক করতে পারি না? মহান ইতিহাসবিদ “লড়াকু আইকার” বলেছেন বৎস আদিকালে ছিল এক নদী যার নাম ছিল হৈমাবহী। তা থেকে সৃষ্টি আজকের বঙ্গোপসাগর..........


এবার ত বুঝলেন ইতিহাস কি তাহলে চলে আসুন রাজনীতি নিয়ে গবেষনা করি-

আপনি যত যাই বলেন না কেন ল্যান্জা বেশীদিন লুকিয়ে রাখতে পারবেন না। এই বাংলার ইতিহাস স্বাক্ষী কোনো ছাগলকে আমরা জীবিত রাখিনি।সে জাশিই হোক আর বিম্পিই হোক একথা স্বীকার করতেই হবে।ওরা হয়ত সংঘবদ্ধ তাতে কি? আমরাই বা মানুষ মারাতে কম কিসে?আপনাকে একটা কথা বুঝতে হবে ছাগুবিরোধী ফাইটারদের কোনো মৃত্যু নেই। মহান কবি কবাক এর ভাষায়

"ওরে ছাগলা
বানাব তর কিমা
তুই খাবি কাটালপাতা
মাইরা তরে আমি বানাব আলুভর্তা"।

এই যে সুন্দর একটা আন্দোলন সৃষ্টি হয়েছে তা যদি আমরা এগিয়ে না নেই তবে............

বুঝলেন ত কিভাবে রাজনীতি শুরু করতে হবে? এবার চলে আসুন ধর্মতত্ত্ব নিয়ে গুএষনা শুরু করি-

ঈশ্বর আছে এটা কোন বলদে বলে? যে বলে তার দাত উঠে নাই। আপনি যা কোনোদিন দেখেন নাই তা কেন বিশ্বাষ করবেন? আপনি কি বেকুব? অবশ্য ছাগু হলে আলাদা কথা ছাগুমাত্রই বেকুব। মহাবেকুব। এ নিয়ে আমাদের মহান দার্শনিক "কাস্তিকের কামানকথা" কি প্রবন্ধ লেখেছে তা পড়েন-
একদা অনেক আগে তা ধরেন হাজার হাজার বছর হবে ততদিনে বান্দর থেকে বিবর্তিত হয়ে মানুষ হয়ে গেছে। সেই প্রথম মানুষ তথা এক্স বান্দরের হল জ্বর। সে তখন উপর দিকে তাকিয়ে হা করে রইল এমন সময় আসমানে উড়ে যাওয়া এক সাদা বক তার মুখে হাগু করিল। সেই হাগুর কি গুন সেই মানুষের জ্বর গেল সেড়ে। তখন সেই মানুষ ভাবল নিশ্বয় আসমানে বাস করে ঈশ্বর আর এই বক তার প্রেরিত পাখি। এভাবেই শুরু হল ধর্ম আর ঈশ্বরের গাজাখুড়ি গল্প। এবার আসেন আমরা বিজ্ঞানের দুষ্টিতে এই ঘটনার ব্যাখ্যা খুজি। প্রথম ধরেন.......
গবেষনা জলতে থাকুক এর ফাকে এবার আসেন আমরা সাহিত্য নিয়ে গুএষনা করি।

সাহিত্য জিনিষটা অনেক কঠিন। এরজন্য আপনাকে হয়ত সহস্র বছরের সাধনা করতে হবে। তবে যা মন চাই তা আপনি কখনই লেখতে পারবেন না। যেমন ধরেন একটি গল্প লেখবেন আপনি। নিশ্চয় এভাবে শুরু করতে চাচ্ছেন-
সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই ভাত চাইলাম বউ এর কাছে।
ধুর মিয়া আপনি মহাফালতু। এটা বাদ আপনাকে লেখতে হবে... ও লেখার আগে একটা হাইথটের ছবি লাগাতে হবে তারপর শুরু করেন-
হেমন্তের সকাল। কুয়াশায় আচ্ছন্ন উঠান থেকে মোরগ ও মুরগীর চিতকার শুনে আমি ঘুম থেকে জাগ্রত হলাম। আজকের দিনটা চমতকার। আমি জানি পরকাল বলে কিছু নেই তাই বেহেশত ও নাই যদি থাকত তবে নিশ্চিত এই সকাল এর সৌন্দর্যের কাছে বেহেশত এর সকাল হেরে যেত।আমার বউ মানে আপনাদের ভাবীর মৃদ পায়ের আওয়াজ ভেসে আসতে লাগল কানে। তখন হঠাত ঠের পেলাম আমার পাকস্থলিতে কিসের যেন বড়ই অভাব। এ যেন
"হে মন আমার
বলনা তুই কাকে খুজিস
কিসে তর ব্যাথা
একবার নাহয় হাজারবার পুড়েও
আমায় তা বলিস"
টাইপ কিছু একটা।বুঝলাম কিছু একটা খেতে হবে। আচ্ছা এখন কি বউকে এই কথা বলা উচিত হবে আমার? নাকি এই ধরনীর প্রভাতকালীন সৌন্দর্য উপভোগ করা ঠিক হবে।কি জানি বুঝতে পারছি না। কেন যে মানুষ আমরা! আর কে না জানে মানুষের মনে যত দ্বিধার বাস তার অর্ধেকও সৌরজগতের...........


বুঝতে পারছেন আশা করছি।এতক্ষন ধরে আমি অনেক বকবক করেছি আপনারা নিশ্বয় অনেক বিরক্ত মূল গুএষনা কেন শুরু হচ্ছে না তা নিয়ে। আসুন এবার ১৮+ গুএষনা শুর করি-

বাল চিনেন? চিনেন ত তাই না? নিজের বাল নিজের পরিষ্কার করা উচিত। কে কি করবে তা নিয়ে না ভেবে সবার উচিত নিজের চিন্তা করা। আর যার এসব ভাল লাগে না তার উচিত নিজে একখান ব্লগ খুলে সেখানে তার উচ্চশ্রেনীর চিন্তাভাবনা প্রকাশ করা।

২৬টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ সুবহানার বীরত্ব

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:১০




সুবহানা খুব ছোট্ট হলেও, দারুণ মিষ্টি দেখতে,
চটপটে, বেজায় সাহসী , কেউ পারে না রুখতে।

স্কুল থেকে ফেরার পথে একদিন দুপুরবেলা
অনাথ দুটি শিশু বসে করছিল কি এক খেলা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

গঙ্গা-বুড়িগঙ্গার স্রোত অনেক বদলে গেছে...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৩৩

গঙ্গা-বুড়িগঙ্গার স্রোত অনেক বদলে গেছে...

একসময় ভারতীয় কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ কিংবা বাংলাদেশের কিছু ক্ষমতাসীন নেতা এমন ভাষায় কথা বলতেন, যেন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র নয়; বরং কোনো ছোট ভাই, আদরের বোন বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্তর্দিগন্ত

লিখেছেন মুনতাসির রাসেল, ১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৯



যে নদী সাগরকে ছোঁয়নি, সে-ই গায় সবচেয়ে নির্মল সঙ্গীত।
যে বৃক্ষের শাখা ফলের ভারে নত হয়নি, সে-ই আকাশকে বেশি বোঝে, বাতাসকে বেশি শোনে।

পৃথিবীর প্রাচীনতম ভ্রমগুলোর একটি এই,
মানুষ ভেবেছে প্রাপ্তিই পরিত্রাণ।

তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Laptop Stand কেন দরকার?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৯

Laptop Stand কেন দরকার? | Digital Fast IT থেকে স্মার্ট সমাধান



দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ ব্যবহার করলে অনেকেরই একটি সাধারণ সমস্যা দেখা দেয়—ল্যাপটপের নিচের অংশ অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। অতিরিক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমিগ্রেশনেই ধরা খেল বিএনপির কূটনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪০


ধরুন আপনার পাশের বাড়ির সাথে সম্পর্ক ভালো না। দীর্ঘদিনের পুরনো ঝামেলা, কথা বলাবলি বন্ধ, একে অপরকে দেখলে মুখ ঘুরিয়ে নেওয়ার অভ্যাস হয়ে গেছে। এই অবস্থায় পাশের বাড়িতে একটা বৈঠক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×