সার্ফ এক্সেলের বিজ্ঞাপনটা দেখেছেন? একটি ছোট্ট ছেলে আর তার বোন শার্টে 'মা' লিখে উপরে ধরে। তারপর তারা তাদের মাকে খুঁজে পায়। ক্রিকেট মাঠে অনেক বাংলাদেশীকেও দেখলাম যারা শরীরে পাকিস্তানের পতাকা একে কিংবা পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়ে কাকে যেনো খুঁজে বেড়াচ্ছে। পাকিস্তানে তাদের কে আছে জানি না। তবে তাদের জন্য শুভকামনা, আশা করি তোমরা তোমাদের বাবা কিংবা মাকে খুঁজে পাবে। উপরোক্ত লেখাটি, যেসব বাংলাদেশী ভারতের পতাকা নেড়েছেন, তাদের জন্যও প্রযোজ্য।
ব্যপারটা শুরু হয়েছিল গত এশিয়া কাপে, কতিপয় বাংলাদেশী তরুণ শরীরে পাকিস্তানের পতাকা আঁকা অবস্থায় স্টেডিয়ামে যায়। অনেক বাংলাদেশী আবার বিশাল সাইজের পতাকা উড়িয়ে পাকিস্তানকে সমর্থণ দেয়। কতিপয় তরুণী "ম্যারি মি আফ্রিদী" প্লেকার্ড নেড়ে উচ্ছাস প্রকাশ করে। আগেও পাকিস্তানের সমর্থক ছিলো, কিন্তু এর এত নগ্ন প্রকাশ হবে তা ভাবতে পারিনি।
গত এশিয়া কাপ থেকেই তাই আন্দোলন চলছে যাতে ক্রিকেট মাঠে কোন বাংলাদেশী অন্য দেশের পতাকা নিয়ে যেতে না পারে। এখন প্রতিটা ম্যাচের আন্তর্জাতিক সম্প্রচার হচ্ছে। আর এই মাঠের দর্শকেরা রিপ্রেজেন্ট করছেন মাঠের বাইরের সমর্থকদের। তাই এই বাংলাদেশীদের এই পতাকা উড়ানো কিংবা গালে শরীরে ভিন্ন দেশের পতাকা আঁকা , অন্য দেশের কাছে এই দেশকে ভুল ভাবে তুলে ধরছে।
আপনার নিজের দেশ যেখানে বিশ্বকাপ খেলছে, সেখানে আপনি অন্য দেশের পতাকা উড়িয়ে তাদের কেন সমর্থণ দেবেন? নাকি ঐ পাকিস্তানী পতাকার প্রতি জন্মগতভাবে আকর্ষণ বোধ করেন? এই দেশে অনেক কুলাঙ্গার আছে যাদের বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তান কিংবা ভারতপ্রীতি বেশী। এই কুলাঙ্গারেরা বারবার অপমানিত করে চলেছে দেশকে।
পতাকা কেন নেয়া যাবেনা, সেটার আইনগত ব্যাখ্যা ফ্যাখ্যা দিয়ে লাভ নেই। সহজকথা এই কুলাঙ্গারেরা যাতে অন্য দেশের পতাকা নিয়ে মাঠে ঢুকতে না পারে সেই ব্যবস্থা করুন। আজ আবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। আবার হয়তো একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাবে। তাই সরকারের প্রতি অনুরোধ, আজকের ম্যাচ থেকেই ক্রিকেট মাঠে যাতে কোন বাংলাদেশী দর্শক অন্য দেশের পতাকা উড়াতে না পারে সেই ব্যাবস্থা নিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


