পল পল করে সময় গড়িয়ে কতনা রাত ভোর হলো
দিন থেকে সপ্তাহ পেরিয়ে মাস, মাস থেকে বৎসর।
যুগ পেরিয়ে শতাব্দী থেকে মিলেনিয়াম
এভাবে কাল থেকে কালান্তরে কত না সময় হারালো।
পল পল করে বেয়ে চলে যাওয়া সময়
গ্রাস করে নিলো পৃথিবীটার শৈশব ,কৈশর যৌবন,
আজ সে বয়সের ভারে ন্যুব্জ জরাগ্রস্থ পদানত ।
প্রস্তর থেকে লৌহ যুগ আধুনিক উত্তরাধুনিক
কালটাও পেরিয়ে আজকের ডিজিটাল দুনিয়া।
পিসির কিবোর্ডে আঙ্গুল চালিয়ে এন্টার চেপেই
পূব থেকে পশ্চিমে বিশ্ব ভ্রমন এক লহমায়।
কতনা এগিয়েছে ধরিত্রী প্রস্তর থেকে ধাতব
সেখান থেকে মিশাইল কিংবা আজকের ড্রোন।
প্রতিদিন এসবের আশির্বাদে পৃথবী উপহার পায় লাশের প্যাকেজ
অথচ কালকেও ওরা অসীম সম্ভবনাময় মানুষ ছিলো।
শত শত অট্টালিকা গড়েছো হিমালয় জয় করেছো
আটলান্টিক কিংবা এন্টার্কটিকাতেও খুটি গেড়েছো।
চাঁদের বাড়িও ঢুঁ মেরেছো মঙ্গলটাতেও হাত বাড়িয়েছো
কিন্তু তোমার হাতের কাছেই নিজেকে তুমি কতটা চিনেছো।
আজো এইডস্, পিতৃহীন সন্তানের হাহাকার
কিংবা সম্ভবনা কেড়ে নেয়া ঘাতন ক্যানসার ।
লিউকেমিয়া ব্লাড সুগার হার্টের ব্লক
বাইপাস ওপেন হার্ট ছাড়া কি দিয়েছো?
আজ নবজাতককেও পৃথিবীতে আসতে হচ্ছে
ছুঁড়ি ,চাকু আর নরম শরীরে সুঁইয়ের স্পর্শে।
একের পর এক অস্ত্র বানিয়েছো
শানিত মারনাস্ত্রের আলোক ঝলাকানি ,
কেড়ে নিচ্ছে নিমিষেই অমিত সম্ভবনার জিবন
ইনোভেশনের এ্যডভ্যানচারে
লিমিটেশান আজ ক্রিয়েচারে ।
তোমাদের ডিজিটাল যুগের সিগনালের তেলেসমাতি
হয়তোবা বেগ দিয়েছে ঠিক রচনা করেছে আবেগের সমাধি।
মানুষ গুলোর সামনো ঝুলন্ত মূলা নাম তার ক্যারিয়ার
মানবতার সামনে উঠে গেছে হাজারো ব্যারীয়ার ।
তোমরা হয়তোবা একদিন নিজেরাই
সিগনাল হয়ে ইথারের পাখায় ভড় করে
ফোটন কিংবা গড্ পার্টিকেল খুঁজতে যাবে
খুঁজতে খুঁজতেই পৃথিবীটা সহ হারিয়ে যাবে,
ব্ল্যাক হোল নামক অন্তিম সমাধিতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



