somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দুই-আত্মা

১৯ শে মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তারা দিয়েছে অভিজ্ঞান
গণহত্যা দিয়ে দেই ধন্যবাদের জানান
মেরেছি তাদের লক্ষ লক্ষ জন
কেটেছি তাদের বন
জবাই করেছি পশু
এবং অস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত শিশু
আর করতে আসি হাড় বাছাই
ভড়ং দেখানো ধারণাই
দাসত্ব এবং রোগ দ্বারা পৃথিবীর লবণাক্ততা

দুই-আত্মা
আমাদের অন্তর্গত নয়
এটা আমাদের করা সংস্কৃতির ধ্বংসপ্রলয়
ষাট হাজার বছরেরও বেশি মানুষের ইতিহাস
ছিন্নভিন্ন, জ্ঞান সমাহিত, বিস্ময় হারানো দীর্ঘশ্বাস
আমি শহর সম্পর্কে পড়েছি, বিশাল আকার
যার এক ফসলী চাঁদের সঙ্গে বিস্তার
এবং তারপর বসন্তেই উবে যায়
আমি পড়েছি যে শুরু করতে পারা পুনরায়
গঙ্গা নদীর বাঁকে
উত্তরে দেখা বঙ্গোপসাগর থেকে
অনেক উপজাতি এবং গ্রামের মাধ্যমে আদিবাসী
অনেক ভিন্ন ভাষী
অনেক প্রথা ও ঐতিহ্য
এবং সবসময় স্বাগত খুঁজে পায় সমারোহ

আমি পড়েছি কচ্ছপ এবং ভালুক সম্পর্কে
নেকড়ে, বুনোমোষ আর গোষ্ঠীগত প্রাণীদের থেকে
আমি এও পড়েছি যে কিছু জায়গায়, কোনো সময়
যদি একটি স্বপ্ন দেখা হয়
এবং তাতে যদি বলে কি করতে হবে
সেটা তখন পরিণত হয় কর্তব্যে
আর যদি দেখা হয় সাথে কারো
যদি তাদেরকে স্বপ্নের কথাটা বলতে পারো
তাহলে তাদের জন্য সাহায্য করাটা দায়িত্ব

আমাদের আছে সময় এবং স্থান আভাসিত সত্য
যেখানে নারী ও পুরুষ ছিল বন্ধু পরিমান
যেখানে উভয় লিঙ্গকে করা হত সম্মান
যেখানে লিঙ্গের নিয়মরীতি
অনেক ভিন্ন অর্থ ছিল বোধের জ্যামিতি
অনেক ভিন্ন ভিন্নতা
এবং কখনও কখনও, হতে পারে তা
কোনো নিয়মই ছিল না
এটা নয় হারানো স্বর্গের ধারণা
এটা জীবন, পুষ্প আর কন্টক
ছিল যুদ্ধ, সাম্রাজ্য, দাসত্বের ঝোঁক
ভুল হয়েছে, শিক্ষা নেওয়া হয়েছে
সব ধরনের বিপ্লবের অনেক গল্প আছে
ভাল এবং খারাপ, ভয়ানক ও আশ্চর্যজনক
কিন্তু সব কিছু হারিয়েছে শুধু এক ক্ষুদ্র সম্যক

সময় এবং হত্যা করে গেছে কাজ
শুধু শেষ মূল্যবান কিছু ফুল আজ
জগতে বেঁচে আছে লিখিত
যেসব জমি পুড়িয়েছি আর করেছি খন্ডিত
ফুলকে করতে পারি সম্মান
তাদের দ্বারা হতে পারি অনুপ্রাণ
কিন্তু সেগুলো করতে পারি না অনুকরণ
বদলাতে পারিনা তাদের মালিকানার ধরন
কিন্তু নিজেদের তৈরি বিশ্বের উপর করা যায় না আরোপণ
সামাজিক রোগ, শ্রেণী ও লিঙ্গ ও বর্ণবাদী ইত্যাদি কারণ

নিজেদেরকে জাহির যায় না তৈরি করা ইতিহাসে
অনেকেই মারা যাচ্ছে কারাগার নামক সরকারী আবাসে
অনেক আদিবাসী নারীরা এখনও নিখোঁজ
ভূমি ও তার জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সাঁজগোজ
চলতে থাকে
যুদ্ধের মুখোমুখি করা নারীদেরকে
চলতে থাকে
যুদ্ধের বিরুদ্ধে গরীবলোকে
চলতেই থাকে
সন্ধান বেঁচে থাকার পক্ষে কথা বলার লাইসেন্সটাকে

পূর্বপুরুষরা তাদের সাথে নিয়ে এসেছে গণহত্যা
সাজিয়ে অপরাধ এবং নিষ্ঠুরতা
কাঁচাপয়সার মতো সংস্কৃতি ব্যয় করার লাইসেন্স নয় এটা
ধ্বংস এবং নতুন করে গড়ে তুলতে হবে বিশ্বটা
প্রথমত, জনগণের আছে আত্মনির্ধারণের অধিকার
সমগ্র গ্রহ বিপ্লবের জন্য করে চিৎকার
যুদ্ধ চলছেই - আর আমরা সর্বদাই যাই হেরে
তাই লোভনীয় কল্পনার জগতেই যাওয়া ফিরে
যেখানে ব্যক্তিগত মানেই রাজনৈতিক, আরকিছু নেই গণনার বিষয়
কিন্তু যুদ্ধ চলতেই থাকে — আর অবশ্যই এতে হতে হবে জয়
শেখা ভালো বিভিন্ন সংস্কৃতি
যা বুঝি না তা কল্পনা করা বিপত্তি
অতীত একটি যাদু আয়না হতে পারে যা দেখায়
ঠিক দর্শক যা-ই দেখতে চায়
অথবা এটি হতে পারে অনুপ্রেরণা
যেসব অনেক কিছুই ছিল সম্ভবনা
আর কত?
আর কী করা যেতো?

দুটি লিঙ্গ আছে: পুরুষ ও মহিলা
একটা বাচ্চা তৈরি করতে এদের দুইজন করে জটলা
কিন্তু এর অর্থ সেটাই — এটা থেকে তৈরি যা করি
তারচে বেশি বার মানে বদলে গেছে যা কল্পনা করতে পারি
এটা ভবিষ্যতেও পরিবর্তন হবে
এটাকে এখনই দেখা হচ্ছে নতুন ভাবে
যদি সেই পরিবর্তনের দিকটি বেছে নিতে আগ্রহী হই
সৎ দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে শুরু করতে হবে নিশ্চয়ই
নথিভুক্ত ইতিহাসে নারীরা পুরুষের দ্বারা হয়েছে নির্যাতিত
নীল নদ এবং টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস শহরের মত
কালের শুরু থেকে
অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বদলেছে একের পর একে
আইন ও প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিতেই রাখা পুরুষের আধিপত্য
সহিংসতার মধ্যে ভক্ষণ এবং ভক্ষিত, সম্পত্তি, শ্রেণীযুদ্ধ, দাসত্ব,
লিঙ্গ হলো নিয়ন্ত্রণ করা যায় কিভাবে।
লিঙ্গ এলো বিভক্ত করার স্বভাবে।
পুরুষত্ব ও নারীত্ব নির্ধারণ যায় না করা
তারা নিপীড়নের বিভিন্ন চেহারা
দরকার আরো একটি পুনঃমেরুকরণ
পুংলিঙ্গ এবং স্ত্রীলিঙ্গ নয় উদাহরণ
বরং ভালো আর খারাপ; অথবা দয়ালু এবং নিষ্ঠুর
কিম্বা সাহসী ও কাপুরুষ: বিদ্রোহী হৃদয় নাকি মন দাসত্বে ভাঙচুর
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪৭
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×