somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি তো অবাক।

২৩ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১০:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার ছোট ভাই,গনিতে মাষ্টার্স শেষ করে স্বল্প বেতনে একটি বেসরকারি হাই স্কুলে চাকরি করছে৷গতকাল আমাকে হঠাৎ আমাকে ফোন দিয়ে বলে ,আপনার কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুক কোন প্রার্থী আছে?থাকলে বলেন ভর্তি করে দেব৷আমি তো অবাক৷যে এতদিনে অনেক চেষ্টা ও পরিশ্রম করে ও ভাল একটা চাকরির ব্যবস্থা করতে পারল না ,সে নাকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত প্রতিষ্ঠানে প্রার্থী ভর্তি করাবে৷ওর এত ক্ষমতা?তো আমি বললাম কি করে,ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে না?ও বলল , ভর্তি পরীক্ষা তো দিতেই হবে৷আমি বললাম,যদি পাশ না করে?ও বলল ,পাশতো করবেই৷আমি তো অবাক ৷,পাশ করবে মানে?বলল পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র দিয়ে দিব৷তাপরে ও যদি পাশ না করে ,তাহলও ব্যবস্থা আছে৷ভর্তি করিয়ে দেওয়া হবে৷আমি বললাম তুই নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারলি না,আর এখন অন্যকে ভর্তি করিয়ে দিবি,তাতে তোর লাভ কি?ও বলল আমাদের সময়তো এইগুলো ছিল না৷এখন তো এটা একটা বানিজ্য৷আমি বললাম কিভাবে?বলল,প্রতি প্রার্থী ভর্তি বাবদ পাচঁ লাখ ৷এক বড় ভাই এই কাজ করে থাকে৷আমাকে বলেছে প্রার্থী সংগ্রহ করতে।আমি তো পুরাই টাস্কি খেয়ে গেলাম৷আমি আর কথা না বাড়িয়ে বললাম আমার কাছে কোন প্রার্থী নাই৷এবার মনে মনে ভাবলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের ভর্তি ব্যবস্থা যদি এই হয় তাহলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠামের যে কি অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়৷আমাদের সময়ে সাধারন একটি ভাল কলেজে ভর্তির জন্য কত পরিশ্রম,কত লেখাপড়া৷রীতিমত যুদ্ধ করতে হয়েছে৷আর এখনতো পরতে হবেনা৷পরীক্ষার আগেই যদি ছাত্র ছ্ত্রীরা প্রশ্নপত্র পেয়ে যায় তাহলে পরবেই বা কেন৷এই যদি হয় আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা তাহলে উন্নয়নের জোয়ারে দেশ ভাসিয়ে দিয়ে লাভ কি?কি হবে এত আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়ে?ভবিষ্যতে তো আমরা মেধাহীন এক জাতিতে পরিনত হয়ে যাব৷পরে আবার ভাবলাম ও কি আমার সাথে মিথ্যে বলল?নাহঃ আমার সাথে মিথ্যে তো বলে না ,আর বলেই বা ওর লাভ কি?যাক পরে ওকে বললাম এই সব অনৈতক পথে না যেতে৷আল্লাহ আমাদের সত্য ও ন্যয়ের পথে চলার তাওফিক দান করুন৷আমীন৷
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১১:০৯
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭ নভেম্বরঃ যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

৭ নভেম্বরঃ
যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

১৯৭৫ থেকে ২০২৬, মাঝখানে পেরিয়ে গেছে অর্ধশত বছর! এই সময়ের মধ্যে ঘুরেফিরে সরকার পরিচালনা করেছে- বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা সেতু চালুই কি বিআইডব্লিউটিসির লোকসানের একমাত্র কারণ? নাকি প্রশাসনিক স্থবিরতার মাশুল?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০১

টানা পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিক লোকসান গুনছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)। সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সংস্থার নিজস্ব মূল্যায়নে সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া হলো—পদ্মা সেতু চালু হওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুরানো সেই দিনের কথা ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


নওগাঁর বদলগাছীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১৫ জন শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে এলোমেলোভাবে কেটে দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, শিশুদের চুল বড় হয়ে চোখের ওপর পড়ছিল, দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×