যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যানটিন প্রো-ভি শ্যাম্পু, হারবাল এসেনশিয়াল লোশন, ডাভ সাবান ও ক্রিম, থাইল্যান্ডের হেড অ্যান্ড শোল্ডার বা ভারতের গার্নিয়ার লেবেলের শ্যাম্পু দেখে বোঝার উপায় নেই, এগুলো আসল নয়। সরকারের তদারকি সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে অবাধে তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছে এসব প্রসাধনসামগ্রী।
বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু, লোশন, ক্রিম, পাউডার, বডি স্প্রে ব্যবহারের পর ভোক্তারা সাধারণত খালি কৌটা ফেলে দেয়। নানা হাত ঘুরে এই কৌটা আবার ভর্তি হয়ে চলে আসে বাজারে। পুরান ঢাকার চকবাজারের কিছু পাইকারি দোকানে এসব নকল প্রসাধনী পাওয়া যায়। আর এ প্রসাধনসামগ্রী তৈরি ও বাজারজাত করার সঙ্গে জড়িত আছে একটি প্রতারক চক্র। এ চক্রের একটি অংশ খালি কৌটা সংগ্রহ করে, আরেক পক্ষ নিখুঁতভাবে নকল সামগ্রী প্রস্তুত করে কৌটায় ভরে এবং অন্য পক্ষ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন দোকান, সুপার শপ ও ডিলার নিয়োগ করে এই প্রসাধনসামগ্রী বাজারজাত করে।
বিএসটিআইয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রসাধনী তৈরিতে এসিড, পানি, মোম, সুগন্ধি ও পারফিউম ব্যবহার করা হয়। এসব তৈরিতে মোমের পরিমাণ বেশি হলে তা ত্বকের ভেতর ঢুকে লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ত্বকে মেছতা, ব্রণ ও ফাঙ্গাশ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
বিস্তারিত:
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


