somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দীঘিনালা-খাগড়াছড়ির সীমানা পাড়া ঘুরে পানির জন্য তারা কেন সরকারের কাছে দাবি জানায় না!?

২৪ শে মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



তারিখ: ২৪ মার্চ, ২০১৪

দীঘিনালা-খাগড়াছড়ি রোডের ৯ মাইল এলাকা। পাকা পথের বা঳ক উত্তর দিকে ইট বিছানো একটি পথপাহাড় বেয়ে চলে গেছে। পাহাড়ের একেবারে উপরে একটি ইশকুল রয়েছে। সেখান থেকে দীঘিনালা দেখা যায়। নয়নাভিরাম পাহাড় ঘেরা দীঘিনালাকে এখান থেকে অপরূপ রূপবতী বলেই মনেহয়!

আমি সেখানে না থেমে ‘সীমানা পাড়া’ গ্রামে চলে গেলাম। সীমানা পাড়া মানে হলো এই গ্রামটির মাঝখানে দীঘিনালা ও খাগড়াছড়ি উপজেলার সীমান্ত চলে গিয়েছে। চৈত্রের এই তাপদাহে দেখলাম এলাকার জনগণ কলসি দিয়ে পানি আনছে। প্রশ্ন করলাম, কোত্থেকে পানি আনেন? তারা বললো পাশের ঝিরি থেকে তারা পানি আনে। চৈত্রের এই সময়ে তারা পানির অভাবে ভোগে বলে জানালো। তারা বললো, কয়েকবছর আগে স্থানীয় জেলা পরিষদ প্রশাসন গ্রামে দুটো ‘রিং’ দেয়া নলকূপ স্থাপন করে দিয়েছিল। এগুলো এখন ব্যবহার অনুপযোগী। একটি রিং ব্যবহার করা নলকূপ দেখতে গেলাম। দেখলাম, খোলা পড়ে আছে নলকূপটি নিচে ২০/২৫ হাত গভীরে যে পানি আছে তা থেকে ময়লা গন্ধ বেরোচ্ছে। কূপে তেমন পানি নেই। তবে অনেক ব্যাঙ সেখানে বসবাস করছে।

দোকানের একজন জানালো, এলাকাবাসীরা সহজ সিধে জীবপন যাপন করে। তারা জানে না কীভাবে সরকারের কাছ থেকে দাবি জানাতে হয়।

এছাড়া দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী স্থানে গ্রামটি স্থাপিত হবার কারণে দুইদিক থেকেই তারা সরকারী সুযোগ সুবিধা লাভ থেকে বঞ্চিত হয়।

তাদের পানির অভাব দূর করতে এত বেশি সরকারী অর্থ খরচ করতে হবে না বলেই মনেহয়।

১. রিং অয়েলের নলকূপগুলো সংস্কার করলেই তাদের পানির অভাব কিছুটা দূর হতে পারে।

২. অথবা, নতুন গভীর নলকূপ স্থাপন করে তাদের পানির অভাব দূর হতে পারে।

আশাকরি ৮০-৯০ পরিবারের এই গ্রামের লোকজন শীঘ্রই তাদের তিয়াস দূর করতে পারবে!
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭ নভেম্বরঃ যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

৭ নভেম্বরঃ
যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

১৯৭৫ থেকে ২০২৬, মাঝখানে পেরিয়ে গেছে অর্ধশত বছর! এই সময়ের মধ্যে ঘুরেফিরে সরকার পরিচালনা করেছে- বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা সেতু চালুই কি বিআইডব্লিউটিসির লোকসানের একমাত্র কারণ? নাকি প্রশাসনিক স্থবিরতার মাশুল?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০১

টানা পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিক লোকসান গুনছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)। সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সংস্থার নিজস্ব মূল্যায়নে সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া হলো—পদ্মা সেতু চালু হওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুরানো সেই দিনের কথা ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


নওগাঁর বদলগাছীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১৫ জন শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে এলোমেলোভাবে কেটে দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, শিশুদের চুল বড় হয়ে চোখের ওপর পড়ছিল, দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×