আজ তাকে খুব মনে পড়ছে।
মনের মাধুরী মিশায়ে
যাকে হৃয়ের ক্যানভাসে হাজারো স্বপ্নিল রংগে
এঁকেছিলাম কৈশরের দিপ্ততা নিয়ে।
অতিক্রান্ত সময় বলয়ে
যে লাটিমটি ঘুরে নিরবদি।
চক্রাকার ,বক্রাকার যে যেমনি দেখি,
খেলা খেলা আর খেলায় মত্ত বালক
ফেলে গেলাম নুড়ি
যা জীবনের দামে কেনা ।
সওদা করা জীবন আজ যত সস্তা
এই নুড়ি তত নয়।
আমার বালক মন যুবুকে পদার্পণ করেছে
এক কিশোর আজ একজন যুবক-মানুষ
ঘর -সংসার , সমাজ, জাতি - দেশ
এই সব নিয়ে ভাবতে শিখেছে।
তবে ভুলে গেছে সেই জাতীয় সংগিতের ২য় লাইন,
ভুলে গেছে ছোট্ট কিশোরীটিকে;
যার হাসি দীঘল যুগল চঞ্চু
কপালের সবুজ টিপ
অবয়ব এক সীমানা হারা তৃপ্তিতে
উদ্দেল কিশোর মাতোয়ারা হত
বিনিদ্র রজনি একা একা বসে
প্রিয়ার দুটি সমদ্র চোখ আকঁতে আকঁতে
একসময় ক্লান্ত কিশোর বিছানায় লুটাত
সারা রাত .....
সেই অনাবিল সুলিল সুখের সন্ধানে তেপান্তরের মাঠ পাড়ি দিত
সকালে মায়ে বকুনি .....
'এত বেলা করে কেউ বুঝি ঘুমায়'!
আজ তাকে খুব মনে পড়ে
যাকে দৃষ্টির অগোচড়ে রেখেছি
বয়সের বার একি বেসামাল
কুজোহয়ে যাওয়া মাত্র
পেছনের সুখ স্মৃতী
হাজারো কষ্ট ভুলায়ে
আমাকে এখনো বাচাঁর আহ্বানে
সামনে ডাকে
যে পথ প্রতিদিনের পথ
আঁকা-বাঁকা পথ
ভিষন জামেলার পথ।
পিছনের স্মৃতির সাগরে ডুব দেওয়া
হারানো তোমাকে খোজে পাওয়ার করুন এই আকুতি
হয়তো তোমার কাছে এক রম্য গীতি হতে পারে
আমার মাঝে সেই তুমি
নিরবদি এক বিরহ গীতি -অফ্রিয়াসের বাশরীর সুরে বাজে।
১৬-৩-২০১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


