কিস্তি - ১ [ Click This Link ]
কিস্তি - ২ [ Click This Link ]
কিস্তি – ৩
খাদিজার সাথে তাঁর দাম্পত্য জীবনে কয়েকটি সন্তানের জন্ম হয়। এদের ভেতরে কন্যা ফাতিমা অন্য সন্তানদের তুলনায় দীর্ঘদিন জীবিত ছিলেন। [ পরবর্তী কালে এই ফাতিমা তাঁর পিতার কনিষ্ঠতমা স্ত্রী’র ঈর্ষার পাত্রী হয়েছিলেন, এবং সেই অর্থে ফাতিমার স্বামী এবং তার সম্পর্কে দেবরকে ভালো চোখে দেখতেন না। ফাতেমার পিতার এই স্ত্রী রত্নটি এক পর্যায়ে মুসলমানদের ভেতরে প্রথম যুদ্ধের উস্কানিদাতা হিসবে পরিচিত পান। ] মুহম্মদ (সঃ) ব্যবসায়িক জীবন আরম্ভ হলে তিনি তাঁর চাচাতো ভাই আলীকে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। পরবর্তী কালে এই আলীর সাথে নিজ কন্যা ফাতিমার বিবাহ দেন। সেই অর্থে চাচা ও ভাতিজীর ভেতরে বিবাহ ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ হবার কথা নয়।
আরবের প্রথা অনুযায়ী সম্ভ্রান্ত প্রতিটি পরিবারে ক্রীতদাস এবং ক্রীতদাসী রাখা হত। এবং সেকালে ক্রীতদাসীদের সাথে যৌন মিলনকে স্বাভাবিক ভাবেই মেনে নেওয়া হত। এই ব্যাপারে যেহেতু কোন জীবনীকার কোন তথ্য দিতে পারেন নাই, তাই মনে করা যায় যে মুহম্মদ (সঃ)-এর গৃহেও এর ব্যতয় ঘটে নি। একটা ব্যাপারে আমি অজ্ঞাতঃ সেই সময়ের সম্ভ্রান্ত পরিবারের নারীরা কি পুরুষ ক্রীতদাসদের সাথে যৌন মিলন করতে অনুমতি প্রাপ্ত ছিলেন কিনা, বা সেই সমাজে এমন কোন প্রচলন ছিল কিনা।
ইসলাম ধর্ম প্রবর্তনের ফলে ধীরে ধীরে অনেক সামাজিক আচরনে পরিবর্তন আসে। কিন্তু অধীনস্থ দাসীদের সাথে যৌন মিলনের ব্যাপারে কোন নিষেধাজ্ঞা আসে না। এই ব্যাপারে একটু খটকা লাগে বৈ কি। যে ধর্মে অধীনস্থ দাস মুক্তির ব্যাপারে অনেক পূণ্য বা সোয়াব ঘোষণা করা হয়, সেই ধর্মে কেন অধীনস্থ দাসীদের সাথে যৌন মিলনের মত একটা পুরাতন প্রথাকে নিষিদ্ধ করা হয় না, সেই প্রশ্ন চলে আসে। এইটা কিন্তু এই ধর্মের একটা স্ববিরোধীতা। অন্যভাবে দেখলে কিন্তু গোপনে চলতে থাকা পতিতাবৃতিরও একটা স্বীকৃতি [http://www.somewhereinblog.net/blog/kkk/28789644 ]।
আরেকটি ব্যাপারে আমার খটকা লাগে। সেটি হল, মুহম্মদ (স
রক্ত সম্পর্কের ভেতরে বিয়ে না করার বিধান থাকায় এবং সেই ব্যবস্থা দেখলে মনে হয়, মায়ের দিকের আত্মীয়দের বিয়ের ব্যাপারেই নিষেধাজ্ঞা বেশী। এইটা পিতৃতান্ত্রিক সমাজের আরম্ভ বললেও কম বলা হবে না।
( চলবে )

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

