লিখেছেন প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, কুড়িগ্রাম জেলাসহ রাজারহাট উপজেলায় আবারো ন্যাশনাল সার্ভিসের কার্যক্রম চালু হওয়ার গুজব উঠেছে। ফলে আবারো দৌড় ঝাঁপ শুরু করেছে শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা। অন্যদিকে গুজবে কান না দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা বাসীকে অনুরোধ করেছেন।
বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে জানা গেছে, এক শ্রেনীর প্রতারক চক্র ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্প পূনরায় চালু হওয়ার গুজব বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিচ্ছে। খবর শুনে অনেকের মাঝে আনন্দ দেখা যায়। এমনকি আওয়ামীলীগ আবারো নতুন করে সরকার গঠন করায় এ জেলার শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা আশার আলো দেখছেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আসার পর বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের জন্য ঘরে ঘরে চাকুরির নিশ্চিয়তা দিতে কুড়িগ্রাম জেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে ন্যাশনাল সার্ভিসের কার্যক্রম চালু করেন। যার ফলে এ জেলায় নির্বাচিত প্রায় ৩৫হাজার বেকারদের পর্যাক্রমে ১০টি ট্রেডে সফল ভাবে প্রশিক্ষণ গ্রহনের পর বিভিন্ন দপ্তরে কাজে যোগদান করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেন। ন্যাশনাল কর্মীদের সহযোগীতায় অফিস আদালতের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ফাইলগুলো খুলতে থাকে। সুশৃঙ্খলভাবে কাজকর্ম চলতে থাকে। ফলে বিগত সরকারের আমলে এ জেলায় সর্বাধিক উন্নয়ন হয়। সারা জাগায় সারা দেশব্যাপী ন্যাশনাল সার্ভিসের কর্মকান্ড। অবাধ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ায় বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পান শিক্ষিতরা। কিন্তু বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে এ জেলার ন্যাশনাল কর্মী বাহিনী পূনরায় বেকার হয়ে যায়। ভারী হয় বেকারত্বের বোঝা। অসার দেহ নিয়ে বেকাররা অলস সময় পারি দিচ্ছে। শুরু হয় জীবন জিবিকিা নির্বাহের জন্য নানা অপকর্ম। ঠিক সেই সময় আবারো পূনঃকাজের সন্ধানে জাগ্রত হয় বেকাররা। গত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ পূনরায় সরকার গঠন করায় উৎস্ফলিত হয়ে উঠে ওই সব বেকাররা। বেশ কয়েকদিন ধরে এ জেলার আনাচে-কানাচে শুধু একটি খবরই শোনা যায়, আবারো ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্প এ জেলায় আসছে। অনেকে বিভিন্ন অফিস আদালতে শুরু করে দিয়েছে দৌড় ঝাঁপ। সব মিলে এটি গুজব হলেও এ জেলার মানুষ অবাধ কর্মসংস্থানের জন্য কাজ খুঁজছে। তাদের এ আশার আলো থেকে যেন সরকার মুখ ফিরিয়ে না নেন জেলার সচেতন মানুষ সে জন্য সরকারের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক জানান, এক শ্রেনীর লোক এসব প্রতারনামূলক গুজব ছড়াচ্ছে। এখন পর্যন্ত ন্যাশনাল সার্ভিসের কোন অনুমোদন আসে নাই। গুজবে কান না দেয়ার জন্য ইতিমধ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।#

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


