
বহু লোক প্রতিদিন কোলকাতা যাচ্ছে।
প্রতিদিন শুধু মাত্র বাংলাদেশ থেকে বহু লোক কোলকাতা যাচ্ছে। কেউ যাচ্ছে বেড়াতে। কেউ যাচ্ছে চিকিৎসার জন্য, কেউ যাচ্ছে শপিং করতে আবার কেউ যাচ্ছে আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা করতে। পুরো নিউ মার্কেট এলাকা শুধু বাংলাদেশী মানুষজন দিয়ে ভরা। কোলোকাতা সরকারের উচিত মারকুইস স্ট্রীটসহ নিউ মার্কেট এলাকার নাম রাখা বাংলাদেশী পাড়া। কারন বাংলাদেশীরাই এ সমস্ত এলাকা জমজমাট করে রেখেছে। গড়ে প্রতিমাসে বাংলাদেশের লোকজন কোলকাতা গিয়ে কোটি কোটি টাকার কেনাকাটা করে থাকে। হয়তো বাংলাদেশীরা এই এলাকায় না আসলে তাদের ব্যবসা বানিজ্য অনেক কম হতো। হোটেল গুলো খালি পড়ে থাকতো। দোকানপাট গুলোতে বেচা-কেনা খুব কম হতো। আশা করি মমতা দিদি এই এলাকার নাম বদলে নতুন নাম ঘোষনা করবেন- বাংলাদেশী পাড়া নামে। যাই হোক, আর কথা বাড়াবো না। এখন কিছু ছবি দেখুন।
১।

ডালের বড়া। আমি খাই নি। সুরভি খেয়েছে।
২।

পাথর কেটে কেটে বানানো হয়েছে। অর্ডার দিলেও আপনার পছন্দ মতো বানিয়ে দিবে।
৩।

ঢাকা শহরের মতো রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি চলছে।
৪।

সাইন বোর্ডেই লেখা আছে।
৫।

রবীন্দ্রনাথের গাড়ি। আজও রবীন্দ্রনাথ আধুনিক।
৬।

কলেজ স্ট্রীট। মানে আমাদের বাংলাবাজার বা নীলক্ষেত বলা চলে।
৭।

ফুটপাত দখল। ঢাকা শহরেরও ফুটপাত দখল।
৮।

সরকারী হাসপাতাল। যেমন আমাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
৯।

কি সুন্দর করেই না বানিয়েছে!
১০।

আমার চোখ কিচ্ছু এড়ায় নি। হে হে
১১।

জুতো কালি। অবশ্য আমার জুতো আমি নিজেই কালি করি।
১২।

ব্যস্ত রাস্তায়। আসলে রাস্তাই ব্যস্ত রাস্তা।
১৩।

সংগীত ভবন। শান্তিনিকেতন। শান্তিনিকেতবে আসলেই একটা শান্তি শান্তি ভাব আছে।
১৪।

পুরান ঢাকার মতোন একটি ছোট্র দোকান। এরকম দোকান কোলকাতায় অনেক আছে।
১৫।

এটা কি বুঝলাম না। মসজিদ? পদাতিক দাদা বলতে পারবেন?
১৬।

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে বহু ছেলে মেয়ে প্রেম করতে যায়। প্রেম করার জন্য আদর্শ জায়গা।
১৭।

কফি হাউজ। এখানে সুরভি আছে।
১৮।

হলুদ ট্যাক্সি অনেক আছে। ভাড়া কম। সাদা ট্যাক্সির ভাড়া বেশি।
১৯।

দূর থেকে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। আমার খুব পছন্দ হয়েছে।
২০।

এমনি তুললাম। রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাত করে বাইকটা চলে এলো।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



