somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

অদ্ভুত সব ব্যাপার স্যাপার

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
১।


২০০৬ সালে মেক্সিকোতে এক জমায়েতে একই সময়ে দাবা খেলতে বসেছিলেন ১৩,৪৪৬ জন মানুষ। সেই রেকর্ড ভাঙবার জন্য ভারতের আহমেদাবাদ রাজ্য সরকার ২০১০ সালে আরো বড় এক দাবার আসরের আয়োজন করে। আহমেদাবাদ মাঠে এই আয়োজনে দাবার টেবিলগুলোও সাজানো হয় অত্যন্ত চমৎকারভাবে। টেবিলের চাদর সাদা-কালোর নির্দিষ্ট অনুপাতে সাজানোয় পুরো আসরটিকেই মনে হয়েছে একটি বিশাল দাবার ছক। উপরন্তু, খেলোয়াড়রাও কেবল সাদা আর কালো পোশাকেই এসেছিলেন। খেলোয়াড়দের সংখ্যাটা ছিল সেদিন ২০,৪৮০!

২।


গিনেজ রেকর্ড এমনই এক জিনিস যা দাঁত ব্রাশ করার মতো নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপারকেও রেকর্ড বইয়ে জায়গা করার মতো করে তোলে। ২০১৬ সালের ৭ জানুয়ারি, দন্ত বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য ভারতের রাজধানী দিল্লির একটি স্কুলে একত্রে দাঁত ব্রাশ করে ১৬,৪১৪ জন মানুষ যা স্থান করে নেয় রেকর্ড বইয়ে।

৩।


পিথাগোরাসের নাম শোনেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। গ্রিক এই গণিতবিদ শাকাহারী ছিলেন। কখনোই মাংসের ধারেকাছে যাননি। কিন্তু সারা জীবন শাকসবজি আর ফলমূল খেয়ে কাটিয়ে দিলেও মটরশুঁটি পছন্দ করতেন না তিনি। পিথাগোরাস নিজে যেমন খেতেন না, তেমনি তাঁর অনুসারীদেরও মটরশুঁটি খেতে বারণ করতেন তিনি। এমনকি মটরশুঁটি ছোঁয়াও যেত না! স্বাস্থ্যগত নাকি ধর্মীয়—কোন কারণে তিনি মটরশুঁটি খেতেন না, তা জানা যায়নি। গল্প প্রচলিত আছে, এই মটরশুঁটির কারণেই পিথাগোরাসের মৃত্যু হয়েছিল। দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা করার পর পালাতে চেয়েছিলেন পিথাগোরাস। কিন্তু একটি মটরশুঁটি খেতের মধ্য দিয়ে যেতে হবে বলে শেষে মৃত্যুকেই আলিঙ্গন করেন এই বিখ্যাত গণিতবিদ!

৪।


প্রতি বছরের নভেম্বরে মাংকি বুফে ফেস্টিভ্যাল আয়োজন করে থাইল্যান্ডের খেমের যুগের মন্দির ফ্রা প্রাং স্যাম ইয়ট। মজার বিষয় হলো– মানুষ নয়, উৎসবের মুখ্য চরিত্র হলো বানর! লম্বা লেজ আকৃতির এই প্রাণীদের সামনে কয়েক মন ফল রেখে আতিথ্য দেওয়া হয়। উঁচু আকৃতিতে ধাপে ধাপে স্তূপের মতো সাজানো থাকে বিভিন্ন ফল। খুব কাছে দাঁড়িয়েই অদ্ভুত এই আয়োজনের সাক্ষী হতে পারেন ভ্রমণপ্রেমীরা। গতবার নানান রঙের ফলে উৎসব হয়ে ওঠে আকর্ষণীয়। তখন বানরদের জন্য ছিল তরমুজ, আনারস, ড্রাগন ফ্রুটস। এছাড়া সফট ড্রিংকসেরও ব্যবস্থা রাখা হয়।

৫।


বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফগ লেগ ফেস্টিভ্যাল হিসেবে বিবেচি ব্যাঙ নিয়ে ফ্লোরিডার ফেলসমেয়ার এই অদ্ভুত আয়োজন। চার দিনের উৎসবটিতে অংশ নিয়ে ব্যাঙের পা খাওয়ার জন্য পৃথিবীর সব প্রান্তের মানুষকে স্বাগত জানানো হয়। তাদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণে ফেলসমেয়ারকে এখন বলা হয় ‘ফগ লেগ ক্যাপিটাল অব দ্য ওয়ার্ল্ড’। শিশুদের কথা ভেবে ছোট্ট পরিসরে শুরু হয়েছিল অদ্ভুত এই খাবারের উৎসব। এই আয়োজনের সুবাদে ফেলসমেয়ার এখন বিচিত্র খাবারের সন্ধানকারীদের তীর্থস্থান।

৬।


বসনিয়া ও ক্রোয়েশিয়া সীমান্ত।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি বাড়ি। বাড়িটির মাঝ বরাবর পড়েছে দু'টি দেশের সীমান্ত। সাদা রঙ করা অংশটি পড়েছে বসনিয়াতে। আর বাদামি রঙ করা অংশটি পড়েছে ক্রোয়েশিয়াতে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৪
১৯টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২০




১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×