somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

মনের শান্তির জন্য কি করবেন?

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মনের শান্তির জন্য নিজেকে সময় দিন।
আজকে পৃথিবীতে লোকেদের মনে শান্তি নেই আর তারা একজন আরেকজনের সঙ্গে মিলেমিশে শান্তিতে থাকতে পারে না। কেন? আসলে এই পৃথিবীটা মনের জন্য প্রকৃত শান্তির জায়গা নয়। এখন আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন কেন শান্তির জায়গা নয়? পৃথিবীর মানুষগুলোর মনের মধ্যে সার্বক্ষনিক কোন না কোন বিষয় নিয়ে অশান্তি বিরাজ করছে। কারণ এই পৃথিবীতে মানুষের জীবন লিমিটেড। আবার এই লিমিটেড সময়ে মানুষকে সারাটা জীবন যুদ্ধ করেই বেঁচে থাকতে হয়। আর যুদ্ধ ক্ষেত্রের সর্বত্র অশান্তি বিরাজ করে, শান্তি নয়। জীবনে অনেক ব্যর্থতা আছে। ব্যর্থতা ছাড়া জীবনে সফলতা পাওয়া যায় না। সেই ব্যর্থতার অছিলায় আমরা অন্যদের হিংসা করি। কখনো সজ্ঞানে আবার কখনো জেনে শুনে। যদি শান্তি চান- হিংসায় বশবতী হয়ে কখনই কোন কাজ করবেন বা অপরের ক্ষতি করবেন না। মনে রাখবেন, হিংসা করে কখনই সুখি কিংবা সফল হওয়া যায় না। মানুষকে ভালোবাসুন, ভালোবেসে যান- বিনিময়ে কখনও কিছু আশা করবেন না।

ভুলেও কারো সমালোচনা করবেন না।
আমরা নিজেরা কিন্তু চাই না কেউ আমাদের নিয়ে বাজে কিছু বলুক, তাই আমাদেরও উচিত কাউকে বাজে কথা না বলা। আপনার জীবনের সব চাওয়া কখনও পূর্ন হবে না- এটা ধরে নিয়েই জীবন যাপন করুন। আমাদের মানসিক অশান্তির সবচেয়ে বড় কারণ মানুষ কী ভাববে, তা ভাবা। আসলে মানুষ আদতে আপনাকে নিয়ে কিছুই ভাবেনি কিন্তু আপনি অনেক কিছু ভেবে বসে আছেন। আরে ভাই, মানুষের এত সময় কই আপনাকে নিয়ে ভাবার? আমরা যে কোন আড্ডায় অন্যদের নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করি। আমাদের পছন্দ হলেও বিষয়টি ভালো নয়। অবচেতন মনে অন্যদের নিয়ে কথা বলতে বলতে আমরা নেতিবাচক কথার দিকে চলে যাই। অন্যদের নিয়ে কথা বলার অভ্যাস পরিহার করতে হবে। চেষ্টা করুন নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কথা বলতে। নতুন কোন বই, মুভি কিংবা ঘুরাঘুরি নিয়ে পরিকল্পনা করুন। যতটা সম্ভব আলাপ আলোচনায় নতুনত্ব আনার চেষ্টা করুন। সবসময় দূরে থাকুন অন্যদের নিয়ে বাজে আলোচনা করা তাহলে আপনার মনটা অনেকটা সুন্দর ও সাবলীল থাকবে।

যারা খুব ধার্মিক, তারা দিন শেষে আল্লাহর রহমতে ভালোই থাকে। তাদের বিশ্বাসই তাদের ভালো রাখে। ধার্মিকেরা এই দু'আ পড়বেন- 'আল্লাহুম্মা আংতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, হাইয়্যিনা রাব্বানা বিস-সালাম।’ অর্থ: হে আল্লাহ! তুমিই তো ‘সালাম’; শান্তি তো তোমারই পক্ষ থেকে বর্ষিত হয়। সুতরাং হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে সুখ ও শান্তিতে জীবিত রাখুন।’ সুতরাং দুনিয়ার সব ধরনের পেরেশানি থেকে মনকে শান্ত রাখতে উল্লেখিত দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ধরনা দেয়া যায়। আল্লাহ তাআলা মানুষকে অশান্ত মনকে শান্ত করে দিতে পারেন। মানুষকে নিয়মতান্ত্রিক স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের আদেশ দেন। আর সেই আদেশ-বিধিনিষেধ মেনে চললে জীবনে শান্তি আসবে, সুখ আসবে। সৃষ্টিকর্তার ওপর যার বিশ্বাস যত দৃঢ়, বস্তু জগতে তিনি তত সুখী। ধর্মের সমস্ত নিয়ম কানুন আপনাকে ইহকাল পরকাল দুই জাহানেই ভালো রাখবে। কাজেই কোরআন হাদিসকে আকড়ে ধরুন।

সুখ-শান্তি বৈষয়িক বা জাগতিক কোনো ব্যাপার নয়।
সুখ বহুলাংশে মনস্তাত্ত্বিক বা আধ্যাত্মিক ব্যাপার। বস্তুজগতে কাম, ক্রোধ, লোভ-লালসা, মোহ, মাৎসর্য, ঈর্ষা ও প্রতিহিংসা আমাদের দুঃখ, কষ্ট, অশান্তি, অসুখ ও ধ্বংসের মূল কারণ। যে কোনো ঘটনা বা ভবিষ্যতে কী ঘটতে পারে এ আশঙ্কায় অনেকে অযথা উৎকণ্ঠিত ও চিন্তিত হয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, জীবন মানেই কিছু সমস্যা থাকবে এবং এমন কিছু ঘটনা ঘটতে পারে যা জীবনে কাম্য নয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৫
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২০




১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×