
চলুন আমরা মোমবাতির মতো বাঁচি, নিজেকে দান করে, কিন্তু সকলকে আলো দিয়ে।
১। আমি কোনো মানূষের মুখে প্রথমেই পাপ দেখি না বলেই বন্ধুত্বের সহজ হাত বাড়িয়ে দেই। যে একে গ্রহন করতে পারে না তার জন্য আমার মায়া হয়। নিজের মনের অবিশ্বাস দিয়ে পরের বিশ্বাসকে আহত করার নামই হলো- কাপুরুষতা।
২। পৃথিবী জুড়ে বিশ্বাসের ভাঙ্গচূর হচ্ছে বলে আজকাল দেশে এত অশান্তি এবং বিশৃংখলা। জাতিতে জাতিতে এত হিংসা, রেষারেষি। আন্তজাতিক দস্যুতা, ক্ষমতার অপহরন, শক্তির দম্ভ এবং এক দেশের স্বাধীনতার ওপর অন্য দেশের হামলা। আন্তজাতিক অবিশ্বাস মানুষের ব্যক্তিগত জীবনেও গ্রাস করেছে। আমরা বিশ্বাসকে হারিয়েছি বলে জীবনের সবচেয়ে বড় মূল্যবোধকেও হারিয়ে ফেলেছি। জীবনের প্রতি সত্য নিষ্ঠা নেই বলে আমরা প্রতি কাজে এমনকি বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং প্রেমেও ছল চাতুরি এবং স্বার্থবুদ্ধির আশ্রয় নিই!
৩। জমি চাষ করবো সারাদিন। দুপুরবেলা বউ ভাত নিয়ে আসবে। খাওয়া শেষে কোমড়ে জড়ানো গামছা খুলে মুখ মুছতেই বউ তার শাড়ির আঁচল বাড়িয়ে দিবে। বউ বলবে বিড়ি টিড়ি খাইয়া একটু জিরাইয়া লও। সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়বে। সবজি মাথায় করে নিয়ে আমি হাটে যাবো। বিক্রি করবো। টাকা গুনবো বউ এর জন্য শাড়ি কিনব। বউ মাটির চু্লায় রান্না করবে। আমি তার পাশে গিয়ে বসে থাকব। গল্প করবো। সুখের গল্প, দুঃখের গল্প।
৪। আমি তো মনে করি, বেসিক্যালি মানুষ হচ্ছে অস্থির প্রকৃতির, এবং স্বভাবগত ভাবেই ক্ষমতালোভী ও অলস প্রকৃতির। সুতরাং মানুষের কাছ থেকে absolute good বের করে আনা কখনই সম্ভব নয়।
৫। নীলক্ষেতের পুরনো বইয়ের দোকানে এলে আমার একটা আশ্চর্য অনুভূতি হয় । পুরোনো বই নাড়াচাড়া করে দেখার কী আনন্দ, সেটা প্রকাশ করার ভাষা নেই । একেকটা বই কত হাত ঘুরে এসব দোকানে আসে । প্রতিটি পুরোনো বই এর ভেতরে প্রাক্তন গ্রন্থ মালিকের একটা ব্যক্তিগত সান্নিধ্য অনুভব করি । এ বই কিভাবে মালিকের ব্যক্তিগত সংগ্রহের ভান্ডার থেকে বেরিয়ে এসে পুরনো বইয়ের দোকানে ঠাই করে নিলো ।
৬। কখনো কখনো কোনো নির্জন মুহূর্তে নিজেকে অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন মানূষ বলে মনে হয় ! সুন্দরের বাতাবরনের মধ্যে দিয়ে মিথ্যাকে সত্যে রুপান্তরিত করা যায় । কখনো কখনো মনে হয়- মেঘেতে গিয়ে ঠেকেছে আমার মাথা ।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



