তামাশার নির্বাচনের বর্ষ[পূর্তি - লাভ ক্ষতির খতিয়ান
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ২:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
দেশের অবস্থা সবার জানা। দেশ কার্যত অচল। বিএনপি আওয়ামী লীগের লড়াই এর কারনে জনতার অবস্থা একেবারেই কাহিল। তবে এবার মানুষের সমর্থনের তীরটা খালেদার দিকে বেশী। এইটা হয়েছে সরকারের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী আচরনের কারনে। স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে সূচী কিংবা কোরাজন একুইনোর পর্যায়ে চলে যাচ্ছেন।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় আওয়ামী লীগের পক্ষে কোন মানসম্পন্ন নির্বাচন আয়োজন করা কোন কালেই সম্ভব হয় নি। ১৯৭৩ কিংবা ২০১৪ - সবই এর সাক্ষী। ২০১৪ সালে কার্যত কোন নির্বাচনই হয় নি। তারপরেও ছিল জাল ভোটের ছড়াছড়ি। বিরোধী পক্ষ অধ্যাপক আবু সায়ীদ কিংবা বাদশাকে হারাতে করা হয় ব্যাপক কারচুপি। অথচ এই দলটিই ৫৪ সালে কিংবা ৭০ সালে যখন বিরোধী দল হিসেবে অন্যদের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল তখন বিজয়ী হয়েছিল। একজন ইয়াহিয়ার অধীনেও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে, কিন্তু আওয়ামী লীগের পক্ষে এটা সম্ভব নয়।
গায়ের জোরে আওয়ামী লীগ কতদিন ক্ষমতায় থাকবে জানি না।
তবে এই থাকার মধ্যে নেই কোন গৌরব, কোন কৃতিত্ব। সেখানেই আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় ক্ষতি।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি
কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।
২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর...
...বাকিটুকু পড়ুন
২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
জুল ভার্ন, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭
৭ নভেম্বরঃ
যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?
১৯৭৫ থেকে ২০২৬, মাঝখানে পেরিয়ে গেছে অর্ধশত বছর! এই সময়ের মধ্যে ঘুরেফিরে সরকার পরিচালনা করেছে- বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ... ...বাকিটুকু পড়ুন
টানা পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিক লোকসান গুনছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)। সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সংস্থার নিজস্ব মূল্যায়নে সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া হলো—পদ্মা সেতু চালু হওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

নওগাঁর বদলগাছীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১৫ জন শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে এলোমেলোভাবে কেটে দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, শিশুদের চুল বড় হয়ে চোখের ওপর পড়ছিল, দেখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন