শিক্ষার নাকি শেষ নেই। ব্লগে এসেও অনেক কিছুই শিখেছি।
প্রথমেই শিখলাম প্লাস দেয়া। ভালো কিছু দেখলেই দেখি সবাই সবাইকে প্লাস দেয়। এই প্লাসের কোন অর্থমূল্য নেই। তবু এই মূল্যহীন বস্তু লাভ করে সবার আকর্ণ বিস্তৃত দাত কেলানো হাসি। প্লাস দিতে আবার টাকা পয়সাও লাগেনা । বাহ ভালোতে, ভালোনা! আমিও শুরু করলাম প্লাস দেয়া। আর পুলাপান সেফ হবার জন্য যে এতো কান্তে পারে আগে জানতাম না, বিয়া না করতে পারার দুক্ষেও মানুষ এতো কান্দেনা।
আলোর নিচেই আধাঁর, প্লাসের নিচেই মাইনাস! মাইনাস নিয়ে বেশি কিছু বলবোনা। প্লাস সহজেই দেয়া যায় মাইনাস সহজেই দেয়া যায়না (মাইনাস বাটন না থাকাও একটা কারণ হতে পারে)। কারও কারও সাথে সর্ম্পক ভালো হয়ে যায়, তাই লেখা খারাপ হলেও তাকে মাইনাস দেয়া যায়না। বাংগালরা দুষ্ট হলেও লাজুক এবং স্বজনপ্রিয়।
তারপর কমেন্ট করা। কমেন্ট ব্যাপারটা পিঠ চুলকানোর মতো। তুমি আমার পিঠ চুলকাইয়া দিলে আমিও তোমার পিঠ চুলকাইয়া দিবো টাইপের একটা ভাবনা কাজ করে (সব সময় না) । কোন কোন পোস্টের চাইতে কমেন্টই বেশি মজাদার হয়ে থাকে। আমি যে পোস্ট পড়ি তার সব কয়টা কমেন্টও পড়ি।
পিতৃ প্রদত্ত নামের পাশাপাশি প্রায় সবারই দেখি একটা করে নকল নাম। কাউকে তার ইচ্ছা মতো নাম রাখতে দিলে হয়তো সে এই নামটাই রাখতো। যত মানুষের জীবনী আমি পড়েছি তার মধ্যে হযরত আদমের জীবনীই আমার কাছে সব চাইতে আকর্ষণীয়/ট্র্যাজিডিক বলে মনে হয়েছে। তাই আমার নিক নেম হল “আদম_”। (আন্ডারস্কোরটা কেমনে লাগলো জানিনা, সব শালা মডুর দুশ)
১৮+ কৌতুক না থাকলে আমার ব্লগে আসা হতো না। এ ধরণের কৌতুক বলে যে একটা বস্তু আছে তা জানতা্মইনা । হে কৌতুক তুমি মোরে করেছো বলগার; তয় অখনো সেফ হইছিনা (ব্যাপক মাত্রার হেচকি ওঠা কান্নার ইমো হইবেক) ।
ব্লগে সবাই পুস্টু দেয়। পেটের ভেতর ক্রমাগত গুতাগুতি করতে থাকা কথা/ভাবনা উগরে দেবার জায়গাই বোধ হয় ব্লগ।কোন এক শুভ প্রহরে কি একটা যেন খুজতে গিয়ে দেখা মিললো ব্লগের তারপর……………..গলি থেকে রাজপথ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


