somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলামের কিছু প্রচলিত কৌশল । লেখাটার জবাবে...............

২৪ শে মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৪:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঐ লেখাটা এখানে Click This Link

শুধু তাই নয় ইসলামের অনেক বর্বরতা, নিষ্ঠুরতা কে খুব সুন্দর করে এমন ভাবে উপস্থাপন করা হয় যে , যেটা অনেকেই অনুধাবন করতে পারেন না বা তাদের কাছে সেটা স্বাভাবিক মনে হয় ।----- গোটা তিনেক উদাহরন দিতে পারলে উত্তরটা দেওয়া যেতো। বর্বরতা আর নিষ্ঠুরতার মাপ কাঠি কি আপনাদের দৃষ্টিতে?

ইসলামের খুব জনপ্রিয় একটি তত্ব হচ্ছে ইহুদী-নাসারাদের ষড়যন্ত্র । সারা বিশ্বের যেকোন ঘটনা মুসলিম বা ইসলামের বিরুদ্ধে যায় তখন "ইহা ইহুদী-নাসারাদের ষড়যন্ত্র" তত্ব টি সাধারন মুসলিমদের সামনে উপস্থাপন করা হয়, যাতে করে প্রকৃত ঘটনার কারন গুলো সাধারন মুসলিমদের থেকে দূরে রাখা যায় ।…...... যেটা ইসলামের বিরুদ্ধে যাবে সেটাতো ষড়যন্ত্রই। না কি অন্য কিছু? আর ষড়যন্ত্র কে করে? যে যত শক্তিশালী প্রতিপক্ষ সেই তো না কি? তো কে সেই শক্তিশালী ইহুদী- নাশারা ছাড়া?

উদাহরন সরূপ বলা যায়, টুইন টাওয়ার ধ্বংস হবার ঘটনা টি , বেশীর ভাগ মুসলিম বিশ্বাস করেন এটা ঘটনার সাথে কোন মুসলিম জড়িত নেই । শুধু মাত্র ইসলাম ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে ইহুদী-নাসারাই এটা ঘটিয়েছে ।…...... এটা কি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মীমাংসিত যে ঐ ঘোটনায় মুসলমানরাই শুধুমাত্র জড়িত? সে তদন্তের ফলাফলটা কথায় পাওয়া যাবে জানাবেন কি?

ধর্মীয় গ্রন্থের বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে মৃত্যু পরবর্তি জীবনের শাস্তি ও পুরুষ্কারের বর্ননা । শাস্তির বর্ননা এতটাই ভয়াবহ যে মানুষের কল্পনা শক্তির সীমানা পাড় হতে হয়, কল্পনা দূরে থাক শাস্তির বর্ননা শুনে একজন সাধারন মানুষ ও শিউড়ে উঠবে । সাধারন মুসলিম পরিবার গুলো তে শিশুদের খুব ছোট বেলা থেকেই ধর্মীয় শিক্ষা দেয়া হয়ে থাকে এবং সেই সাথে কচি মনে ঢুকিয়ে দেয়া হয় শাস্তির ভয়াবহতা । যা এত বেশী প্রভাবিত করে যে সেই শিশুটি বড় হয়েও এর প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারে না । সে নিজেও বুঝে না সে যে পরিনত হয়েছে ধর্মান্ধে ।…......... তাই না কি? আমি তো সে ভাবে বড় হই নাই, আপনিও হন নাই, হলে তো শিউরে উঠতেন! এই লেখা লেখতেন না!তবে কে হচ্ছে? সমগ্র কোরআনে শুধু মাত্র মহাকাশ নিয়ে ৩৭৬ টা সাইন আছে! অন্যান্য বিষয়ের কথা না হয় বাদই দিলাম।


(পরিবারের কেউ হাফেজ হলে পুরো পরিবার জান্নতে বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে , এই লোভে পড়ে অনেক পিতা-মাতা তার সন্তান কে স্কুলে না পাঠিয়ে মাদ্রাসায় পাঠিয়েছেন এমন ঘটনা প্রচুর রয়েছে …......... এই কথা কথায় আছে যে, কেউ বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে? আমি তো জানি স্বয়ং নবী করিম সাঃ কেও হিসাব দিয়ে তারপর পাড় হতে হবে! আর মাদ্রাসা শিক্ষাকে আপনি কি মনে করেন? স্কুলে পড়ে আপনার মতো পণ্ডিত মদ্রাসায় হয় না? না কি মাদ্রাসা শিক্ষা কনও শিক্ষাই না? ধারনা আছে তাঁদের সিলেবাস কি? গত বছর মেডিক্যালের পরিক্ষায় যে ছাত্রটা প্রথম হয়েছে, সে কি মাদ্রাসা প্রডাক্ট না আপনার মতো তথাকথিত স্কুল কলেজ প্রডাক্ট? একটু খোঁজ নেন তো! আরও খোঁজ নেন বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর কতো মাদ্রাসা প্রডাক্ট বিদেশে উচ্চ শিক্ষা কোরতে সুযোগ পাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সিরাত, কেরাত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কতজন ছেলে মেয়ে প্রথম, দ্বিতীয় হচ্ছে? যদি মাদ্রাসা শিক্ষা অবজ্ঞা করার মতোই হতো তবে বাঙ্গালী হয়েও মাদ্রাসা প্রডাক্টের সাফল্য স্কুল কলেজ প্রডাক্ট এর থেকে বেশী ছাড়া কম না কেন? খোঁজ নিয়ে উত্তর দিবেন। আপনি যখন লেখেছেন তখন আপনারই দায়িত্ব বিস্তারিত সততার সাথে জেনে নিয়ে লেখা।

ইমানের অর্থ হচ্ছে বিশ্বাস ! মানে অন্ধ ভাবে ইসলাম কে বিশ্বাস করতে হবে ।…...... হ্যাঁ হবে। তবে ইসলাম কে না! আল্লাহকে। শেষ বিচার কে। মৃত্যু পরবর্তী জীবন কে। আর এই সবকে শর্তহীন ভাবে বিশ্বাস কোরতে যা যা রসদ প্রয়োজন তাঁর সবগুলোই কোরআনে ও হাদিসে বিস্তারিত ভাবে বলা আছে। ইসলামকে অন্ধ ভাবে বিশ্বাস কোরতে হবে বা মানতে হবে এটা কথায় আছে? প্রমাণ দেন।

মনের মাঝে যতই প্রশ্ন আসুক না কেন কিন্তু কোন প্রশ্ন করা যাবে না ! প্রশ্ন করলে ইমান চলে যাবে আর চলে গেলে সে হয়ে যাবে কাফের ! কাফের মানেই অনন্ত কাল ধরে দোজখের আগুনে পোড়া । তাই কোন কিছু জানার চেয়ে একজন মুসলিমের কাছে ইমান অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ন । এটা মানুষ কে এত বেশী প্রভাবিত করে যে তার চোখে ইসলামের ভুল গুলো ধরা পড়ে না ।…............ এটা কথায় পেলেন? প্রশ্ন করা যাবে না কে বলেছে? আল্লাহ? রসুল? কে? প্রমাণ দেন।আমি ইনশাআল্লাহ আপনার উল্টাটাই প্রমাণ কোরতে পারবো। প্রশ্ন যদি করা নাই যাবে, তবে সাহাবিরা কেন হাজার হাজার বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলো? কেন ইসলামে মাসলা, মাসায়েল আছে?

ইসলাম কে নির্দোষ প্রমান করতে বর্তমান সময়ে খুব প্রচলিত বুলি হচ্ছে " ইহা সহীহ ইসলাম নহে" । যখন আফগানিস্থানে পাথর ছুড়ে কোন নারীকে হত্যা করা হয়, সিরিয়াতে সামান্য চুরির অপরাধে জন সম্মুখে কেটে নেয়া হয় হাত, সৌদির বৃদ্ধ শেখ ১২ বছরের মেয়ে কে শয্যা সঙ্গিনী বানায় , যখন জিহাদের নামে সারা পৃথিবীতে অশান্তির সৃষ্টি করা হয়, যখন বাংলাদেশে আল্লাহর আইন কায়েম করার জন্য জামাত-শিবির ধ্বংস যজ্ঞ চালায় তখন সাধারন মুসলিমরা জিকির তোলেন "ইহা সহীহ ইসলাম নহে" । কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে এরাই ইসলামের বাহক , এরাই রক্ষাকারী …......... অনেকক্ষণ ধরে আপনার গাঁজাখোর কথা গুলো সহ্য কোরতে কোরতে এখন আর পারছি না! কিন্তু তাঁর পরও......... বিবাহিত পুরুষ-নারির জন্য ব্যাভিচারের শাস্তি পাথর নিক্ষেপে হত্যা। এটাই ইসলামের আইন।এখানে নারী- পুরুষের কনও পার্থক্য নেই।অবিবাহিত পুরুষ ও নারীর অবৈধ যৌন সঙ্গমের শাস্তি ১০০ বেত্রাঘাত।আপনি মানেন না সেটা আপনার ব্যাপার। সব কিছু আপনার মতো করে হতে হবে এমন তো না। আপনাদের/আমাদের বিচারের ফলাফলটা এই খানে দেখেন Click This Link

চুরি সামান্য অপরাধ? এটা ঠিক করার আপনি কে? কি আপনার ক্ষমতা? কি আপনার অধিকার? নিজের একটা চুলও তো বাকা থেকে সোজা বা সোজা থেকে বাঁকা কোরতে পারেন না!সউদি কনও বৃদ্ধ ১২ বছরের মেয়েকে শয্যা সঙ্গিনী করলে দোষের হবে না, এটা ইসলাম বলেছে? বললে প্রমাণ দেন।

পৃথিবীর তাবৎ দেশের তাবৎ ভদ্র,সুশীল, জ্ঞানি মাথাওয়ালারা কিন্তু ঐ ১২ বছরের একটা মেয়ের যোনীর সাধ পাবার জন্য ব্যাকুল! আপনার বাবাকে জিজ্ঞেস করে দেখেন তো কি বলে, যদি সৎ সাহস থাকে! এক জন শিক্ষক জার্মানিতে হার্ট এটাক কেন করেছিলো জানেন? গ্রুপ সেক্স আর সুইঙ্গার সেক্সের জন্য জার্মানি কিন্তু বিখ্যাত!

এই সব কারনে বর্তমানে সারা পৃথিবী জুরে শিশু ও নারী অপহরন ভয়ানক ভাবে বেড়েছে। টেকেন সিনেমা টা দেখেন নাই? দেখে নেন……। কথায় যায় প্রতিদিন হাজার হাজার হারিয়ে যাওয়া শিশু ও মেয়ে? নেটে সব পর্ণ সাইট গুলোতে ঢু মেরে দেখেন তো, ১০ থেকে ১৬ বছরের শিশুর ছরাছরি কি না? বিশেষ করে এশিয়ান ও পূর্ব ইউরপের!কারা তাঁদের খদ্দের? আপনার পিতা। অবাক হলেন( জন্মদাতাই শুধু পিতা না)?

জি তারাতো আপনার পিতাই, যদি নাই হবে তবে সাধারন মানুষতো ওদের ভোগ কোরতে পারবে না! অনেক দামি যে ঐ কচি শিশুরা! যদি তা নাই হবে, তবে ঐ পিতাদের তইরী করা বুলি কপচান কেন? কেন তাদের সব কিছুকে তালি বাজিয়ে সাপোর্ট করেন? কেন তাদের মূল্য বোধ নিজের সাথে মিলিয়ে নেন?কন ওদের শিক্ষা ঠিক বলেন?যদি তাই না হবে তবে কেন ঐ শিশুগুলোকে মুক্ত করা যায় না? কেন প্রতিদিনই হারিয়ে যাওয়া শিশুর ও নারীর সংখ্যা বাড়ছে? কারন একটাই……… আবার বলছি, ওরা আপনার পিতা, ক্ষমতাবান! বিকৃত মস্তিষ্কের অধিকারী শয়তানের সহচর। সৃষ্টিকর্তার আইনকে মানা যায় না! কিন্তু ঐ শয়তানদের আইনকে চর্চা করা যায়!কেন, কোন বিচারে ওদের কথা,বানী,আইন। নিয়ম-কানুন একদম নির্ভুল? পৃথিবীর কোন কোন পণ্ডিত এই দাবি করে? নাম দেন যদি পারেন।

জিহাদের নামে সারা বিসশে কয়টা লোক মরেছে? ৫০০০?১০,০০০?২০,০০০?৩০,০০০? কয়টা? আপনার পিতাদের মূল্যবোধের কারনে, ভোগ বাদিতার কারনে যে শুধু মাত্র গত ছয় দশকেই অন্তত ১,৫০,০০,০০০ মানুষ মরেছে! গৃহহীন হয়েছে তারও অন্তত ছয় গুন! আর এই অন্যায়ের শিকার অন্তত ৮০% মুসলিম! মধ্যপ্রাচ্য থেকে আফ্রিকা, এশিয়া থেকে আমেরিকা! ব্রাজিল আর মেস্কিকর ৫০ লক্ষ মুসলিম নাই হয়ে গিয়েছে!রাশিয়া সহ সমস্ত পূর্ব ইউরোপের অন্তত ১ কটি মুসলিম গায়েব হয়ে গিয়েছে! আফ্রিকাতে প্রতি বছর অন্তত ১০ হাজার মুসলিম হত্যা করা হচ্ছে! এশিয়া আর আফ্রিকার সম্পদ লুটপাট করে আপনার সভ্য পিতারা এখন সভ্যতার জয় গান গাইছে! আইন শিখাচ্ছে, কলা-কানুন শিখাচ্ছে!“HOW THE OTHER HALF DIES”বৈটা পড়েন। নেটে পাবেন আশা করি।মুসলমানরা জিহাদের নামে বিদ্রোহ করলেই দোষ? কারা ইসলামের রক্ষাকারি? আর কারা ইসলামের বাহক? ইসলামিক জ্ঞান থেকে জবাব দেন।


কিন্তু আর উন্নত বিশ্বের দিকে তাকিয়ে মুসলিমরা স্বান্তনা খোজে "…......... উন্নতির মাপ কাঠি কি?কনও বেকুব তথাকথিত মুসলমান যদি তথাকথিত উন্নত বিশ্বের দিকে তাকিয়ে স্বান্তনা খোজে, তবে তাতে ইসলামের দায় কি? কনও মুসলিম অথবা পৃথিবীর সব মুসলিমও যদি ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা করে তবে তাতে ইসলামের কিছুই যায় আসে না। মুসলমান আর ইসলাম এক না।

মুসলমান আর ইসলাম এক না।
আপনার সম্পূর্ণ লেখাটায় এটা দিনের সূর্যের আলোর মতো পরিষ্কার যে, ইসলাম বিষয়ে আপনার জ্ঞান এতোটাই কম যে আপনি ইসলাম নিয়ে এক লাইন লেখার যোগ্যতা রাখেন না।মুসলমান আর ইসলাম এক না এই কথাটা আগে খুব ভালো করে বুঝে নেন।

বেশ কিছু বিভ্রান্ত পাঠক আপনি পাবেন আপনার পক্ষে, কারন ঐ বিভ্রান্তি! কেউ কেউ জন্ম পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তে আছে! কেউ জাতীগত পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তে আছে! কেউ তাদের জন্মদাতাদের মূল্যবোধ নিয়ে বিভ্রান্তে আছে!আর এই বিভ্রান্তি নিয়ে ১৫/২০/৩০ বছর একই ছাদের নীচে, একই বন্ধু মহলে, একই সমাজে কাটানোর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের সম্পূর্ণ চিন্তা ধারাই বিকৃত হয়ে গিয়েছে। এটা আমার কথা না! যে কনও মনবিশেষজ্ঞ বা সমাজ বিজ্ঞানি এই কথাই বলবে। আর কিছু আছে সুযোগ সন্ধানী মালোয়ান! থাকে ঐ পারে, গাল পারে এই পারের। থাকে এই পারে তালি বাজায় ঐ পারের! এই দেশে কামায়, খায়, হাগে কিন্তু জমায় ঐ পারে,গুন গায় ঐ পারের! আর আপনাদের মতো বেকুব ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতো, ওদের সুরে সুর মেলায়।

অনেক পাঠক আপনার ঐ লেখাটার খুব বাজে ভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। আমি উনাদের বলছি, এদেরকে রিহাইবিলেটেশন সেন্টারে পাঠানোর খুবই প্রয়োজন মানছি! যে ভাবে পাগল আর ড্রাগ এডিক্টদের পাঠানো হয়। কিন্তু প্লিজ, আবেগ দিয়ে না, বাজে ব্যাবহার দিয়ে না, খারাপ ভাষা দিয়ে না।এরাও সমাজের অংশ, পচন ধরলেও ফেলে দেবার মতো না। দুর্গন্ধ ছরালেও অস্বীকার করার মতো না। যেমন আপনাদের পায়ু পথের দুর্গন্ধ বন্ধ কোরতে পায়ু পথ কেটে ফেলে না দিয়ে যত্ন করে পরিষ্কার করে রাখেন, তেমনি এদেরও যত্ন করে পরিষ্কার করে রাখা আমাদেরই দায়িত্ব! আর যদি তা না পারেন তবে, শ্রেফ অবজ্ঞা করেন। এরা এটাই ডিজারভ করে।


১৫টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭ নভেম্বরঃ যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

৭ নভেম্বরঃ
যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

১৯৭৫ থেকে ২০২৬, মাঝখানে পেরিয়ে গেছে অর্ধশত বছর! এই সময়ের মধ্যে ঘুরেফিরে সরকার পরিচালনা করেছে- বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা সেতু চালুই কি বিআইডব্লিউটিসির লোকসানের একমাত্র কারণ? নাকি প্রশাসনিক স্থবিরতার মাশুল?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০১

টানা পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিক লোকসান গুনছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)। সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সংস্থার নিজস্ব মূল্যায়নে সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া হলো—পদ্মা সেতু চালু হওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুরানো সেই দিনের কথা ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


নওগাঁর বদলগাছীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১৫ জন শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে এলোমেলোভাবে কেটে দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, শিশুদের চুল বড় হয়ে চোখের ওপর পড়ছিল, দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×