
১) আমার পূর্বে এক লেখায় বলেছিলাম- সরকার খালেদা জিয়াকে নির্বাচনের আগে বড়-জোর মাস দুই-তিন আগে ছাড়তে পারে তাই বিএনপিকে শুধু খালেদার জিয়ার মুক্তি নিয়ে আন্দোলন না করে মাঠ গোছাতে হবে। কিন্তু দেখা গেল বিএনপি নেতারা সারাদিন টকশো নিয়ে ব্যাস্ত আর অটো বুলি একটি খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই। বিএনপি এখন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কিন্তু মাঠের অবস্থা তারা ঠিকমত জানে কিনা আমার সন্দেহ। এখনো কোথাও বিএনপির কর্মীদের দৃশ্যত চোখে পড়ে না জানিনা এই অবস্থায় শুধু ঢাকায় মাঠ গরম করার চেষ্টা কতটা সাফল্য এনে দিবে।
২) শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন দিচ্ছে বিএনপিকে জামাই আদর করে ক্ষমতা হস্তান্তর করার জন্য না, ক্ষমতায় টিকে থাকার সব ব্যাবস্থা করেই তিনি মাঠে নেমেছে, বিএনপিকে সেই ব্যাবস্থা ভাঙ্গতে হলে ২০০১ সালের মত গন-জোয়ার ছাড়া কোনভাবেই সম্ভব নয় তাই বিএনপির নেতাদের খুব দ্রুত সারাদেশে কর্মীদের দৃশ্যত আসতে হবে, লুকিয়ে থেকে আওয়ামলীগকে পরাজিত করা অসম্ভব। চারিদিকে- গুম, শেয়ার বাজার লুট , ব্যাংক লুট, গনতন্ত্র হত্যা এগুলো মানুষের কানে ভালভাবে পেীঁছাতে হবে, সময় অল্প তাই করতে হবে সবকিছু সম্বনয়ে এবং দ্রুত।
৩) বিএনপিকে আসন ভিত্তিক তিনটা ভাগ করতে হবে সাথে তিনটা কমিটি থাকবে, প্রথম ১০০ আসন নির্ধারণ করতে হবে যেখানে বিএনপি ও জোটের জয়ের সম্ভবনা ৭০-৮০ ভাগ, এই ১০০ আসনের জন্য একটি কমিটি করতে হবে। পরবর্তী ১০০ আসন নির্ধারণ করতে হবে যেখানে তাদের জয়ের সম্ভবনা ৫০ ভাগ, এই ১০০ আসন বিএনপির মূল টার্গেট করতে হবে আর এই জন্য শক্তিশালী একটি কমিটি করতে হবে। বাকি ১০০ আসন যেখানে তাদের জয়ের সম্ভবনা ৫০ ভাগের নিচে সেখানে শক্তি ব্যায় করা হবে বোকামী।
৪) জামাতের জনপ্রিয়তা বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা গুলোই তাই তাদের সাথে আসন ভাগাভাগি করার সময় অবশ্যই এগুলো মাথায় রাখতে হবে, গতবার জামাতের সাথে ভেজাল করে নিশ্চিত কিছু আসন বিএনপি হাতছাড়া করেছে তাই ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।
৫) বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার হতে হবে ক্লিয়ার, ক্ষমতা গেলে এগুলো করব, এগুলো বাদ দিব। ভেবে দেখব, পরীক্ষা করব এই শব্দ এখন যুব সমাজ গ্রহণ করবে না।
৬) বিএনপির অতীত ভুলের জন্য জাতির কাছে অবশ্যই ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। কোন ভাবেই জজমিয়া টাইপের চিন্তা মাথায় আনা যাবে না।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



