
রোদের শরীরে মেঘ ঢুকে গেলে
গোপন সুড়ঙ্গ বেয়ে উঠে আসে প্রাচীন অন্ধকার,
ক্ষুধার্ত পিপীলিকার দল;
মৃত নগরীর বুকে সভ্যতার মিছে ক্যামোফ্লেজ,
মানুষের জীবন্ত লাশ,
পাখিদের কলরবহীন ভোর..
অজ্ঞাতনামা লাশের পচা খুলিতে বসে
নেংটি ইঁদুর পাঠ করে আগামীর ইশতেহার।
ইশতেহারে গোপন কালিতে উঠে আসে-
সেলাই কন্যর ফুলতোলা রুমাল,
শ্রমিকের ঘাম মাখানো জামার আস্তিন,
গোলার ধান,
কৃষানীর মুঠি চাল।
ওরা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়,
ভাগ করে নেয় সিংহাসন আর আস্ত চাঁদ
গৃহস্থের চুরি হয়ে যাওয়া রুটির মত।
মানুষ তখন ভীত-সন্ত্রস্ত কতিপয় মুখোশ
জীবনের কাছাকাছি অথচ জীবিত নয়;
বুক পকেটে নিজস্ব হিসেবের খাতা,
চোখের ভিতর দৈহিক মৃত্যু ভয় পুষে-
শীত ঘুমে পালিয়ে থাকে চিলেকোঠায়।
হ্যামিলনের কোন বাঁশিওয়ালা আর ফিরে আসেনা,
শুধু দিনে দিনে বাড়ে নেংটি ইঁদুরের আবাদ।
শেখ আহমেদ ফরহাদ
০৭ জানুয়ারী ২০১৫।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


