গতকাল রাতে অফিস থেকে ফিরতেই বড় ভাই ডাক দিয়ে বললেন, কিছু বই কিনেছি, দেখবি না?
আমি বললাম, হ্যাঁ অবশ্যই দেখবো। তার আগে ফ্রেশ হয়ে নেই।
স্নানাগার থেকে ফেরা মাত্রই ভাইয়া বললেন, এবারের বাজেটটা একটু বেশিই বলা যায়।
আমি ভ্রু কুচকে জিজ্ঞেস করলাম, মানে?
উনি বললেন, মানে এবার এক হাজার টাকার বই কিনেছি।
ভাইয়ার কথা শুনে আমার মনের মধ্যে কৌতুহল বাড়তে থাকলো। বললাম, কোথায় সেই বই? দেখি দেখি!
উনি বললেন, দেখ টেবিলের উপরে একটা কালো ব্যাগ আছে। ওটা নিয়ে আয়।
.
ব্যাগ থেকে ভাইয়া প্যাকেট করা বেশ কয়েকটা বই বের করলেন। সবগুলো বইয়েরই "প্রকাশকের কথা এবং অনুবাদকের কথাগুলো পড়লাম।" আবার ভেতরের কিছু অংশও পড়লাম। তন্মধ্যে "নট ফর সেল এবং মেঘ রোদ্দুর বৃষ্টি" বই দু'টি নজর কাড়লো।
"নট ফর সেল" সেল বইটির দুইটা লেখা পড়লাম। সাথে "মেঘ রোদ্দুর বৃষ্টি" বইটির একটি লেখা।
"মেঘ রোদ্দুর বৃষ্টি" বইটির মধ্যে থাকা 'আমার স্বামীর ডায়েরি' গল্পটা পড়ার প্রতি তীব্র প্রবৃত্তি জাগলো। ভাইয়া বললেন, আমি পড়ে শোনাই। তুই চুপচাপ শুনতে থাক।
.
ভাইয়া গল্পটা ধীরে ধীরে পড়ছিলেন। আমি বললাম, একটু দ্রুত পড়া যায় না? এত আস্তে আস্তে পড়লে কিন্তু আমার নিজেকেই পড়তে হবে। আকর্ষণীয় জায়গাগুলোতে এসে আপনি ধীরে ধীরে পড়ছেন, এটা অন্যায়।
ভাইয়া হেসে বললেন, দেখলাম তুই গল্পটা শোনার প্রতি কতটা ব্যগ্র।
.
গল্প পড়া শেষ হলো। কিন্তু মনের মধ্যে খচখচানি রয়ে গেল। হে আল্লাহ, তুমি আমাদের হেদায়েত দান করো। আমরা না জেনে না শুনে কত ভুলই না করছি। বিয়ের আগে অবাধ মেলামেশা তথা প্রেম ভালোবাসায় লিপ্ত হচ্ছি। অথচ, আমরা মুসলিম হয়েও ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ।
বিশেষ কথা, আমি উক্ত লেখায় "গল্পটিতে কী আছে" সে সম্বন্ধে আলোচনা করিনি। আপনারা "সমকালীন প্রকাশনী" থেকে বইটা সংগ্রহ করতে পারেন। আমি আশা রাখি, এই বইটাও হবে আপনার জীবনে পড়া শ্রেষ্ঠ বইয়গুলোর একটি।
.
বইয়ের নাম: মেঘ রোদ্দুর বৃষ্টি
লেখা: রৌদ্রময়ীরা
.
গল্পটিতে থাকা "আমার স্বামীর ডায়েরি" গল্পটির রৌদ্রময়ীর নাম "অনিকা তুবা।"
.
ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



