somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়; সবাই সাবধান থাকবেন

২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



খেলা শুরু। গ্রামেগঞ্জে বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ যায় না, বিদ্যুৎ আসে পরিস্থিতি আবার দেশে। বিশ বছর আগে যেমন ছিলো। আবার সারাদেশে হারিকেন, কুপি, মোমবাতি, হ্যাজাকের যুগ ফিরে আসছে। পাশাপাশি অপরাধ, দূর্নীতি, দুনম্বরি ধুমসে শুরু হয়ে গেছে সবখানে। মোরে মোরে সরকারি দলের লোকজন প্রকাশ্যে অবাধ জবরদখল, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধে লিপ্ত। ক’দিন আগের ঘটনা, ঢাকার কোথাও কয়েকজন চাঁদাবাজ মিলে একজন ভ্রাম্যমান কুশারের শরবত বিক্রেতাকে জোরপূর্বক লাঞ্ছিত করে সড়ক থেকে উঠিয়ে দিলো। আশেপাশের উৎসুক জনতার দুয়েকজনকে জিজ্ঞেস করলাম মৃদুস্বরে, ‘ভাই, এরা কি আইনের লোক? এই মাঝবয়সী দরিদ্র ভ্রাম্যমাণ শরবত বিক্রেতাকে সড়ক থেকে তুলে দিচ্ছে কেন? এরা সিদ্ধান্ত নেবার কে, এখানে এই শরবত বিক্রেতা থাকবে কি না?’ সবাই চুপ। সবার চোখেমুখে আতঙ্ক। অল্প দূরে গিয়ে দুয়েকজনের কাছে জানলাম যে, ওরা বিএনপির লোক। দাবি করা চাঁদা না দেয়ায় নির্যাতন নেমে এসেছে কুশারের শরবত বিক্রেতার ওপর। সবমিলিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। সামনে আরও বহু খারাপ হতে চলেছে নিঃসন্দেহে। চারিদিকে ভয়, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা। ২০০১ পরবর্তী সে ভয়ঙ্কর অন্ধকার সময় মনে পড়ে যাচ্ছে বারবার। সে সব কালো দিন আবার ফিরে আসতে চলেছে! এবার খাম্বা বোধহয় ইদি আমিনের স্ট্যাইলে দেশ চালাবে। দেশে গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা সবই থাকবে। কিন্তু ঘরে ফিরে গেলে কি হবে তার দায়দায়িত্ব সম্পূর্ণ নিজের। ব্লগে লেখাও আজ আর নিরাপদ নয়। আমার কথা নোট করে রাখতে পারেন, আগামীতে পরিস্থিতি আরও বহু খারাপ হতে চলেছে। খাম্বা খুব সম্ভবত এবার কিলিং মিশনের প্লান নিয়ে দেশে এসেছে। প্রথম ভাষণে ওরকম কিছু বলেছেও। গুমফুম নয়, সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বললেই ডাইরেক্ট কিল। দেশের চল্লিশ থেকে পয়তাল্লিশ শতাংশ মানুষের সমর্থিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা সে ইঙ্গিতই দিচ্ছে। ব্যাপারটা ভয়ঙ্কর। ভোট দিতে গিয়ে নিজের পছন্দের মার্কা ব্যালটে নেই দেখে মন ছোটো হয়ে এসেছিলো! এ কেমন গণতন্ত্ররে ভাই! এ কেমন বাকস্বাধীনতা! এক বা একাধিক ব্যক্তির অপরাধের জন্য দল, সংগঠন নিষিদ্ধ করা সত্যি ভয়াবহ ব্যাপার! দুই কোটি মানুষ সক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত। ছয় কোটি ভোটার। তারা সবাই কি অপরাধী! গুজব হুজুগে সয়লাব বাঙ্গুল্যান্ড। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন আব্দুল মান্নান। যিনি নিজের সমস্ত সম্পত্তি বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দান করে অতি সাধারণ জীবনযাপন করে আসছেন। তাঁর নামেও ১০১ দূর্নীতির গুজব! ইউনুসের জঙ্গি সরকারের সময় জেলও খেটেছেন! বাঙ্গুরা আসলে অত্যন্ত গুজবে, হুজুগে জাতি। সবমিলিয়ে দেশ নিয়ে আমি ভীষণ হতাশ ও শঙ্কিত। জয় বাবা ফেলুনাথ সিনেমার সেই বডি বিল্ডার ভাড়াটিয়া মলয় রায়ের মতো অবস্থা আমার। যারা সিনেমাটি দেখেছে, তারা বুঝবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:০০
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারো নামে মিথ্যা অপবাদ কাম্য নয় তবে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৯


ঘটনাটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং তার সঙ্গে থাকা এক সাংবাদিক বন্ধুকে ঘিরে। পরিবাগ ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়া জনগোষ্ঠীর কয়েকজনের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কী-বোর্ড কাহিনী: ডেল কেবি২১৬

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:০০


আমি ১৯৯৬ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কী-বোর্ড ব্যবহার করছি। দেশে থাকতে কী-বোর্ড তেমন প্রয়োজন পড়েনি। মাঝে মধ্যে কেনা হতো। একবার বাংলা লিখার জন্য "বিজয়" সফটওয়্যারের প্রলোভনে, বিজয় এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×