somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পিশাচ কাহিনীঃ অন্ধকারে বিলীন

২০ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ভাইজান। আমি আস্তে করে ডাকলাম।
নাসির ভাই লাল চোখে তাকালেন আমার দিকে। চুপ হারামজাদা।
কিন্তু চুপ করে থাকতে বললেইতো আর চুপ করে থাকা যায় না। অনেকক্ষণ ধরে চেপে রেখেছি, আর চেপে রাখলে হয়ত পেট ফেটেই মারা যাব।
ভাইজান। আমি আবার ডাকলাম।
এবার আর ভাইজান কথা বললেন না, বলল তার হাত। চড় খাওয়ার পর থেকে কনফিউজড হয়ে গেলাম, সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘোরে না পৃথিবী সূর্যের চারিদিক?
আর একটাও কথা না, একদম চুপ।
ভাই, চাপ বেশি, বাথরুমে যাইতে হবে।
এখানেই কর হারামজাদা, কোথাও যাইতে পারবি না।
কি বলেন এইসব? এত্তগুলা মানুষের সামনে ক্যামনে পেশাব করব? আমার কি লজ্জাশরম নাই?
পুরা কথাটা শেষ করতে পারলাম না, তার আগেই নাসির ভাইয়ের দ্বিতীয় চড়টা খেলাম।
আসছে আমার লাজুক লতা, লোকের সামনে পেশাব করতে পারে না। পারে শুধু রাতের আঁধারে লাশ চুরি করতে।একদম চুপচাপ দাঁড়ায় থাক।
আমি আর কিছু বললাম না, চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকলাম।মনযোগ সরানোর জন্য অন্য কিছু নিয়ে ভাবার সিদ্ধান্ত নিলাম, অথচ মাথায় অন্যকোন ভাবনাই আসছে না।
আমি ব্রিলিয়ান্ট লোক, ভাবার মত অনেক বিষয়ই আছে আমার। মনে মনে বললাম বটে, অথচ মাথায় কোন ভাবনাই আসছে না।শুধু একটা কথাই মাথায় আসছে, চাপ বাড়ছে। হাজার বছরের পুরনো চাপ।
এর মধ্যে আবার শিষ বাজায় কে?
লকআপে বন্দী লোকটা শিষ বাজাতে শুরু করেছে!
শৈশবে বাথরুম ছিল ঘর থেকে দূরে, রাতের বেলা একা যেতে ভয় পেতাম। আম্মা ঘরের বাইরে দাঁড় করিয়ে বলতেন, কর।
ভয়ে আমার চাপ আসত না।
আম্মা তখন শিষ দিতেন, কিভাবে যেন আমি চাপমুক্ত হয়ে যেতাম।
আজ এই বিপদের রাতে, লকআপে বদ্ধ লোকটার শিষ শুনে সেই পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল।
আর তখনই দূর্ঘটনা ঘটে গেল।

দুই
দুই ঘন্টা আগে।
জলদি কর। মুনির স্যার তাগাদা দিলেন। আকাশের অবস্থা ভাল না।
স্যারের কথা শেষ হওয়ার আগেই দূরে কোথাও বাজ পড়ল।
আমি আকাশের দিকে তাকালাম। রাতের আঁধারে আকাশ কতটুকু মেঘাচ্ছন্ন বোঝা যাচ্ছে না, তবে একটু পর পর বজ্রপাত আর বিদ্যুতের ঝলকানি বুঝিয়ে দিচ্ছে অবস্থা ভাল না। হঠাৎ হঠাৎ বাতাস এসে ধাক্কা মারছে। ঝড় আসবে মনে হয়।
স্যার। কিংশুক ডাকল।
কি? মুনীর স্যার জানতে চাইলেন।
বাতাস অনেক। ধূলায় চোখ খোলা রাখতে পারতেছি না।
তোর কোন গগলস নাই?
এইডা কি জিনিস? কিংশুক অবাক।
জানার দরকার নাই। গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে রাখ।
স্যারের জবাব শুনে কিংশুক সন্তুষ্ট হয়েছে বলে মনে হল না। কিন্তু স্যার...
কথা বলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত হাত চালা। যত তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করতে পারবি, তত তাড়াতাড়ি ফিরতে পারব আমরা।
ঠিক বলছেন স্যার। আমি সাড়া দিলাম।
কিংশুক কিছু না বলে কবর খোড়ায় মনযোগ দিল, আমিও দ্রুত গতিতে বেলচা চালাতে লাগলাম।
পাঠক, আশা করি বুঝতে পেরেছেন আমি কি কাজ করি। লোকের ভাষায় আমি একজন লাশচোর, রাতের আঁধারে কবর থেকে লাশ সরাই। তবে নিজেকে আমি একজন উদ্যোক্তা বলেই মনে করি, মেডিকেল কলেজে লাশ সাপ্লাই করি, মাঝে মাঝে কঙ্কালও। ভবিষ্যতের ডাক্তারদের শিক্ষায় আমি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছি, সেই হিসেবে আমাকে একজন সমাজ সেবকও বলতে পারেন।
স্যার।
কি? মুনীর স্যারের কথায় বিরক্তি।
লাশ থেকে কঙ্কাল কিভাবে করে?
তোর জেনে কি লাভ?
এমনিই। জানতে চাইলাম আর কি।
বেশি জানা ভাল না। তোর কাজ নতুন কারো কবর হলে আমাকে খবর দেয়া, সেটাই কর। বেশি বুঝলে বিপদ। ঠিক আছে?
শালা হারামজাদা। অনেকদিন ধরেই এই ব্যাটাকে আমি লাশের খবর দেই, রাতের আঁধারে তাদের সাথে কবর খোঁড়াখুঁড়ি, লাশ টানাটানি-সবই করি। তবুও শালা একটু সম্মান দিয়ে কথা বলে না।
ব্যাপার না, তুই না বল, লাশ কিভাবে কঙ্কাল করতে হয় সেটা আমি ঠিকই জেনে নিব। তোদের মর্গের একজনের সাথে কথাবার্তা চলতেছে, সব ফাইনাল হয়ে গেলে এই মুনীর ব্যাটাকে আর কে গোনে? নিজেই লাশ নিয়ে রাতের বেলা মর্গে চলে যাব, তারপর কঙ্কাল বানিয়ে ফেলব। তারপর ফার্স্ট ইয়ারের চ্যাংড়া পোলা গুলার কাছে যাব। ভাইয়া, বোনস লাগবে? খুব অল্পদামে ছেড়ে দিচ্ছি।

বেলচাটা মনে হয় আটকে গেল।
আশিক।
জ্বি স্যার।
কি সমস্যা? মুনীর স্যার জানতে জাইলেন।
বেলচাটা আটকে গেছে মনে হয়।
আটকে গেছে মানে কি?
মনে হচ্ছে কফিনের কাঠের মধ্যে আটকা পড়ে গেছে।
আটকায় কিভাবে? বললাম না সাবধানে কাজ করতে। মুনীর স্যার চিৎকার করতে শুরু করলেন। এখন একটা বেলচা না থাকা কাজে পিছিয়ে পড়া- সেটা বোঝ? ওদেরকে সময়মত চারটা বডি দিতে পারলে আমি ব্যবসা করব কি করে?
শালা। মনে মনে গালি দিলাম আমি। ব্যবসা তোর চেয়ে কম বুঝি? আমি না বললে তোর লাশের খবর দিবে কে? দাড়া, খালি লাইন ঘাট পেয়ে নেই। তোরে গুনার টাইম থাকবে না আর।
কিছু বললি? মুনীর স্যার জানতে চাইল।
না স্যার, দেখতেছি।
শালা, একে আধার রাত, তার ওপর এই মশালের আলো। কোন কিছু বোঝার জো আছে? তারপরও বোঝার চেষ্টা করলাম, বেলচার মাথাটা ভালমতোই আটকেছে মনে হচ্ছে।
হাত দিয়ে টানার চেষ্টা করলাম। লাভ হল না। হাতের জোরে হবে না।
হল নাকি? মুনীর স্যার জানতে চাইলেন।
দেখতেছি।
একটা বড় পাথর বা ইট জাতীয় কিছু হলে ভাল হত। এক পাশ থেকে জোরে বাড়ি দিয়ে বেলচাটা আলগা করা যেত।
এই আশিক।
জ্বি স্যার।
খালি হাতে হবে বলে মনে হচ্ছে না। ইট বা পাথর জাতীয় কিছু দিয়ে বাড়ি মার। আলগা হয়ে যাবে।
দেখতেছি।
এখন এই গোরস্থানে ইট বা পাথর পাব কোথায়?
হঠাৎ কেন যেন জেদ চেপে গেল। এই মুনীর ব্যাটারে আমি দেখায় দিব। শালা, তোর পরামর্শের মায়রে বাপ। ইট-পাথর লাগবে না, খালি হাতেই আমি বেলচাটা ছুটায় ফেলব।
কতক্ষণ বেলচাটা নিয়ে টানাটানি করলাম?
বিশ মিনিট?
হতে পারে।
ত্রিশ মিনিট?
তাও হতে পারে। ঘড়ি দেখি নাই, সময়ের হিসাব ছিল না।
তবে বেলচা নিয়ে কবর থেকে উঠে আসার পর যা দেখলাম, তার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। কবরস্থানে আমি ছাড়া আর কেউ নেই। মুনীর স্যার, কিংশুক আর নাম না জানা ছেলেটা দিকবিদিগজ্ঞানশূন্য হয়ে দৌড়াচ্ছে। গাড়ি নেয়ার কথাও ওদের মনে নাই।
এই কিংশুক। দৌড়ায় কই যাস?
কিংশুক কিছু বলার মত অবস্থায় ছিল না। দৌড়াতে দৌড়াতে হাত দিয়ে একদিকে ইশারা করল শুধু।
আমি ওর আংগুল অনুসরণ করলাম।
দূরে মশাল হাতে একদল লোক দেখতে পেলাম, এগিয়ে আসছে গোরস্থানের দিকেই। গ্রামবাসী কি তবে আমাদের লাশচুরির কথা জেনে গেছে?


তিন
নাসির ভাই লকআপের সামনে এসে দাঁড়াল।
আশিক।
জ্বি ভাই।
তোর লজ্জা নাই?
মানে?
আমাদের বংশের ছেলে হয়ে তুই শেষ লাশ চুরি করলি?
ওরে আমার বংশরে। আমি মনে মনে বললাম। ঘুষ দিয়ে হাবিলদারের চাকরি নিছে, ভাব দেখলে মনে হয় পুলিশের আইজি।
কি হইল? কথা বল।
কি বলব ভাইজান? চাকরি বাকরি নাই, কিছু করেতো খাওয়া লাগবে।
তাই বলে লাশচুরি?
আমি চুপ করে রইলাম।
তুই কি বুঝতেছিস তোর ভাগ্য কতটা ভাল?
কেন?
কেন মানে? তোর তিন সাথীর কি হইছে তুই জানস না?
আমি অবাক হয়ে যাই। থানায় আমাকে একা নিয়ে এসেছে ওরা, বাকি তিনজন কি তবে পালায় নি?
আরে, কারে কি বল? পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাবিলদারটা হেসে ওঠে, গ্রামবাসীর মিছিল দেইখাই তোমার ভাই জ্ঞান হারাইছে, তার জ্ঞান ফিরছে থানায় আসার পর। ঐ তিনজনের ভাগ্যে কি ঘটছে- তোমার ভাই জানেই না।
ওদের কি হইছে, ভাইজান? আমি জানতে চাই।
নাসির ভাই মুখ নামিয়ে নেয়।
কি হইল? কথা বল না কেন?
ওরা তিনজনই গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়ছিল। গ্রামের লোকজন ওদের গাড়ির মধ্যে বেঁধে রেখে পুরা গাড়ি জ্বালায় দিছে।
অ্যাঁ।
হ্যা, তোকেতো বাঁচায় আনছি অনেক কষ্টে। গ্রামবাসীকে আমি কথা দিছি তোর বিচার হবে। তার সব দায়দায়িত্ব আমি নিছি।
মানে?
এই সাধারণ কথাটার মানেও বোঝস না নাকি, হারামজাদা? ওদেরকে এই কথা না বললে তোকেও জীবন্ত জ্বালায় দিত।
কিন্তু...
কোন কিন্তু না। ঘুম দে। সকালে তোকে কোর্টে চালান করে দেব।


চার
কেউ পার পাবে না।
উফ, এই রাতের বেলা আবার কে এত প্যা পোঁ করে?
কেউ পার পাবে না।
মেজাজটা খারাপ করে দিল।
ওই মিয়া চুপ। আমি চিৎকার করলাম।
প্যা পোঁ বন্ধ হয়ে গেল।
অন্ধকার লকআপে শুয়ে আছি। হাতের কাছে ঘড়ি মোবাইল কিছু নাই, সময় বোঝা যাচ্ছে না।সকাল হতে কতক্ষণ বাকি কে জানে? সময় থাকলে আরেকটু ঘুমানোর চেষ্টা করতাম, কোর্টে চালানের আগে।
নাহ, ঘুম আর আসবে বলে মনে হচ্ছে না।
বাল। এই ছাগল লকআপমেটের প্যা পোঁ শুনে ঘুমটা ভেঙ্গে গেল।
আচ্ছা, আমিতো লকআপে একা ছিলাম। এই ছাগলটা আসল কখন?
নিশ্চয়ই ঘুমানোর পর।
একটা সিগারেট হলে ভাল হত।
বিড়ি খাইবেন? লোকটা জানতে চাইল।
আমার সিগারেট খেতে মন চাইল, আর লোকটা আমাকে বিড়ি অফার করছে! কাকতালীয় ব্যাপারই বটে।
আছে নাকি?
আছে, তয় পানিত ভেজা।
পানিতে ভেজা বিড়ি?
হ, নৌকা ডুইবা গেছিল আমার। লুঙ্গির গিটে রাখা বিড়িগুলাও তখন ভিজা গেল।
তাহলে আর কি লাভ। বাদ দেন।
আইচ্চা।
লোকটা চুপ হয়ে গেল।
কিছুক্ষণ নীরবতায় কাটল।
নাহ, আর থাকা যাচ্ছে না, কোথা থেকে যেন একটা পচা গন্ধ আসছে।
ভাই।
বলেন।
গন্ধ পাচ্ছেন?
কিসের?
একটা পচা গন্ধ।
না তো।
বলেন কি? এমন তীব্র গন্ধ আপনি পাচ্ছেন না? আপনারটা কি নাক না অন্য কিছু?
কি জানি। বিড়ি খাইতেছিতো, আমার চারপাশে বিড়ির ধোঁয়া। গন্ধ থাকলেও কাছে আসতে পারতেছে না।
দেন ভাই, আমাকেও একটা ভেজা বিড়ি দেন। এই পচা গন্ধ আর সহ্য হচ্ছে না।
বিড়ি নেয়ার জন্য আমি উঠে দাঁড়ালাম।
তখনই দূরে কোথাও বজ্রপাত হল, বিদ্যুতের ঝলকানি অন্ধকার সেলটা আলোকিত হয়ে গেল।
যা দেখলাম, তার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।
আমার দিকে বিড়ি বাড়িয়ে ধরেছে একটা পচা গলা লাশ।
দবির মাঝি।আমার চুরি করা প্রথম লাশ!


পাঁচ
কটা বাজে? সময় কত হল?
এই অন্ধকার লকআপে সময় বোঝার কোন সুযোগ নেই।
আমি উঠে বসলাম।
উফফ, কি ভয়ানক স্বপ্ন। দবির মাঝির পচা গলা লাশ আমার সাথে এক লকআপে।
বাইরে হালকা আলো দেখা যাচ্ছে, সাথে কেমন যেন গোঙ্গানির শব্দ।
নাসির ভাই।
কোন সাড়াশব্দ নেই।
নাসির ভাই। আমি আবার চিৎকার করলাম।
কে যেন নাসির ভাইকে লকাপের সামনে ছুড়ে মারল। দেয়ালের সাথে বাড়ি খেয়ে নাসির ভাই গোঙ্গাতে লাগল।
ভাই। আমি ডাকলাম।
আশিক।
বলেন ভাই।
পালা।
মানে?
আমাদের থানাটা লাশেরা মিছিল করে ঘিরে ফেলছে। যেভাবে পারিস পালা, নাহয় কেউ পার পাবে না...


===================================================================
আমার লেখা আরো কিছু পিশাচ কাহিনীঃ

১। খোলা দরজা
২। শয়তানের পাল্লায়
৩। রক্তখেকো ডাইনী
৪। কন্ঠ
৫। অতিথি
৬। একটি ফটোগ্রাফ
৭। আমাদের নতুন পুরানো ঘর
৮। রাতের আঁধারে
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:০৮
১৪টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একদিন ভালো লাগার দিন.....

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:১৭



সময়ের অনেক আগেই পৌঁছে গেছি। রোববার বলেই সম্ভবত রাস্তাটা ফাঁকা। সকাল সাড়ে ন’টায় জামাত শুরু হবার কথা। লোক আসতে শুরু করেছে। মেয়েকে বললুম, মসযিদের কোথায় তোরা নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডেঙ্গু ব্যাবসা - মানুষের মৃত্যুও একটি ব্যাবসা কর্ম হতে পারে !!!

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:২৪



আমি লেখক বা সাহিত্যিক নই, কথা সাহিত্যিক আনিসুল হক সাহেব ও নই যে, দোকান - রেষ্টুরেন্ট - পার্লার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মডেল মেয়ে - মহিলা নিয়ে লাল ফিতা কেটে কেক খাবো... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাগলী’র মা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:০৯

তাঁরও একটা নাম ছিল,
সে নামেই তাঁর বিয়ে হয়েছিল,
যদিও তখন কোন জন্ম সনদপত্র রাখা হতো না।
তিনি কখনো বিদ্যালয়ে যান নি, তাই তাঁর কাছে
কোন বিদ্যালয়ের একটাও সনদপত্র ছিল না।
তবুও,... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘গোলমাল’ না হলে ফুটবল খেলা কঠিন হত। =p~ =p~

লিখেছেন গিয়াস উদ্দিন লিটন, ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৫৪


রঙ্গ ভরা অঙ্গনে মোর – ৬



লিখাটা যখন ‘রঙ্গ ভরা অঙ্গনে মোর’ সিরিজে লিখছি তাই শুরতেই ফুটবল নিয়ে একটা কৌতুক-
প্রেমিকার বাড়িতে বসে নতুন কেনা থ্রিডি টিভিতে ফুটবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিবর্ণ জীবন

লিখেছেন মুক্তা নীল, ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮



কেস স্টাডি ১ : কণা ও আবিরের সাত বছরের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে দুই পরিবারের বিয়ের সম্মতিতে।আবির চাকরি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আর কনা বেসরকারি ব্যাংকে। বিয়ের চার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×