এভারেষ্ট বিজয় এখন খুব বড় কিছু আর নেই। ছোট বাচ্চা থেকে অশতিপর বৃদ্ধ, সবারই হিমালয়ে ওঠার খবর পাওয়া যায়। আমাদের দৃষ্টিতে যারা শারীরিক ভাবে পুরোপুরি সক্ষম নয়, তাদেরও অনেকে এভারেষ্টের চুড়ায় উঠেছেন। আমাদের কেউ ছিলনা। সেই শুন্যস্থান পুরোন হলো মুসা ইব্রাহীম কে দিয়ে। তাকে আমরা তরুন প্রজন্মের কাছে পরিচয় করিয়ে দিলাম যে স্বপ্ন দেখতে পারে, কষ্ট করে এক অসাধ্য সাধন করতে পারে এমন একজন বীর হিসাবে! বেড়ে ওঠা শিশুদের কাছে তাকে আমরা রোল মডেল বানিয়েছিলাম।
যে সকল খবর বের হচ্ছে, অবস্থা দৃষ্টে তা সত্যি বলেই মনে হচ্ছে। মুসা ইব্রাহীম কে নিয়ে নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং নেপাল মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের ষড়যন্ত্র করার কোন আগ্রহ থাকার কথা না। তাই যদি হয়, আমাদের প্রথম এভারেষ্ট বিজয়ি যদি ‘ফটোশপ বিজয়ী’ হয় তাহলে যে প্রজন্মের কাছে আমরা তাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম ‘রোল মডেল’ হিসাবে তাদের কি হবে?? তারা কি শিখবে? তারা শিখবে কষ্ট করে না, প্রতারনা করে বড় হওয়ার উপায়। আর আমরাও পাবো অসংখ্য ‘ফটোশপ চন্দ্র-বিজয়ী’!!
খুব চাচ্ছি, মন থেকে চাচ্ছি, খবরটা মিথ্যা হোক। আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি, মুসা ইব্রাহীমের বক্তৃতা শুনে স্কুলের বাচ্চাদের চোখে স্বপ্ন ছুটে বেড়ানো। এই সব কিছু মিথ্যা হয়ে যেতে পারে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


