somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পশ্চিমাদের হাইড্রোকার্বন রাজনীতি ও মোল্লাদের গদির মোহ -- মুসলমানদের কি খাদের কিনারে টেনে এনেছে?????

১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কিছুদিন ধরেই বিশ্ব মিডিয়া সরগরম সৌদি বনাম কাতার কিংবা গাধা বনাম বলদ কিংবা নেকড়ে বনাম হায়েনা কিংবা সুন্নি বনাম শিয়া লড়াইয়ের খণ্ডচিত্র, পার্শ্বচিত্র, পূর্ণাঙ্গচিত্র, ঘোলাটে কিংবা ফকফকাচিত্রে।

এই পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবির প্রোটাগনিস্ট সৌদি-কাতার হলেও সাইড লাইনে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বাজাচ্ছে বহু কলাকুশলী। তো আমাদের ফ্রি ফ্রি বাজাতে সমস্যা কোথায়?

এবার প্রথমে আসা যাক কেন আমি সৌদি-কাতার কলহকে গাধা বনাম বলদ বা নেকড়ে বনাম হায়েনা বলছি। গাধা বনাম বলদ বলার কারণ হচ্ছে এই নিরীহ গোছের প্রাণীরা আরাম-আয়েশ করে খায় দায় আর মালিকের বেগার খাটে। কিংবা মালিকের ছোট পোলাটা মায়ের দুধ কম পায় তাই দুদু সরবরাহ করাও এদের অন্যতম দায়িত্ব। নিজেদেরকে নিয়ে অ্যাডভেঞ্চার বা এক্সপেরিমেন্ট এরা খুবই কম করে। বরং এরা গতানুগতিক এই জীবন নিয়েই দিন গুজরান করে ধরাধাম ত্যাগ করে স্বর্গবাসী হয়। আর রেখে যায় কিছু গোবর।

এখন তুলনা করুন—মোল্লারা আয়েশ করে জীবন কেটে দেয়। আর নিজেদের তেল বেচা টাকা অস্ত্র কেনা আর নারী-মদ-গাড়ি-জুয়া ইত্যাদির মাধ্যমে পশ্চিমাদের কোষাগারে যোগান দেয়। অ্যাডভেঞ্চার বা এক্সপেরিমেন্ট মানে এরা কোনো গবেষণা বা বিশ্বকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কোন অবদান রাখে না। আর মরার পরে (নরকবাসী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি) গোবরমস্তিষ্কের কিছু কুলাঙ্গার রেখেযায়।
আর হায়েনা বনাম নেকড়ে বলার কারণ হচ্ছে এরা ধূর্ত প্রাণী। খিদে পেলে নিজেদের বাচ্চা-কাচ্ছাও এরা খেয়ে ফেলতে পারে। এরা নিজেদের টেরিটরিতে এমনকি নিজ সম্প্রদায়ের কেউ হলেও চামড়া ছিলার জন্য প্রস্তুত থাকে। আবার বাঘ-সিংহ দেখলে বিড়ালের মতো ম্যাঁও ম্যাঁও করে। এরা নিজ গোত্রের বাইরের কাউকে সন্দেহের চোখে দেখে। এই চরিত্রের সাথে মোল্লাদের চরিত্র মিলিয়ে নিন।

হাইড্রোকার্বন। বিশ্বকে আজ এতটা আধুনিক করার পেছনে এই জড় বস্তুটিই প্রধান। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে মোল্লাদের মরুর দেশে এই দুর্মূল্য জিনিসটি অাবিষ্কার হওয়ার পরেই সেখানকার ভূ-রাজনীতির চিত্র পাল্টে যায়। এটি আবিষ্কার বহু আগে থেকেই প্রায় পৃথিবীর মধ্যভাগের এই অঞ্চলটি নিয়ে বহু ধরণের রাজনীতি হয়েছে। তবে এই মহার্ঘ বস্তুটি মোল্লাদের ঝুলিতে যোগ হওয়ায় সেখানকার রাজনীতি নতুন মাত্রা পায়।

আর এই রাজনীতির পিক মানে সর্বোচ্চ অবস্থার যাত্রা চলছে গত বিশ বছর ধরে। তবে এটা এবার বোধ হয় ডাউন করতে শুরু করেছে হাইড্রোকার্বনের বিকল্প (সোলার পাওয়ার)পাওয়া যাওয়াতে। যুক্তরাষ্ট্রের শেলওয়েল আর সোলার পাওয়ারের বাড়বাড়ন্ত মোল্লাদের গদির খুঁটি ধরে টান দিয়েছে।

এখন দেখা যাক কাতার কেন বলির পাঁঠা হল জাতভাইয়ের কাছে? এককথায় উত্তর হল ইরান ও রাশিয়ার সাথে বেশি মাখামাখি। সিরিয়াতে বাসার সরকারকে গোপনে সাহায্য। মিশরে সিসির বিপরীতে অবস্থান। ফিলিস্তিনে ফাতাহকে বাদ দিয়ে হামাসকে সাপোর্ট। সবগুলোই ইসরাঈল, সৌদি ও পশ্চিমাদের মধ্যপ্রাচ্যের নীতির সাথে স্বার্থের সংঘাত ঘটিয়েছে। অথচ কাতার দাদাভাই সৌদিদের সাথে তিনা জোঁকের মতোই লেগে ছিল। ইয়েমেনে বোমা মেরে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে।

কাতার থেকে পাইপলাইন সৌদি-জর্ডান-সিরিয়া বা সৌদি-কুয়েত-ইরাক-সিরিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হবে কিংবা ইরানকে বাইপাস করে তুরস্কের ভিতর দিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করবে। এতে প্রথমে ইরাক বাগড়া দিয়েছিল। তার ফল হল সাদ্দাম বাবাজি প্রায় দশলাখ মানুষসহ জীবন দিয়ে পূরণ করেছে। এরপর সিরিয়ার আসাদ মিঞা গাইগুই করছে। ফলে ইতোমধ্যে নিজে বেঁচে থাকলেও লাখ লাখ লোকের জীবন, সম্পদ ও বাসস্থান ধ্বংসের সাক্ষী হয়েছেন।



এখানে পার্শচরিত্র হিসেবে নিজেদের স্বার্থে কলকাঠি নাড়ছে রাশিয়া আর ইরান। তুরস্কের অবস্থা হয়েছে খেপ দেওয়া পতিতার মতন। যার কাছে মালকড়ির সাথে জীবনের নিরাপত্তা বেশি তার কাছেই রাত কাটাবে। প্রথমে পশ্চিমাদের সাথে থাকলেও ঘটনার ঘনঘটায় এখন রাশিয়ার বগলের নিচে অবস্থান করছে। ঠিক একইভাবে কাতারও প্রথমে পশ্চিমাদের সাথে গুরু-সাগরেদের ভূমিকাই থাকলেও নানামুখী (এখানে আরেক মোল্লা ইরানের ভূমিকা রয়েছে) তৎপরতায় এখন কিছুটা বাঁধন আলগা। আর এইটাকে বিশ্বাসঘাতকতা মেনে পশ্চিমা মদদে গাধা বনাম বলদের লড়াই।

রাশিয়া কেন এখানে কেন জড়িত। কারণ হাইড্রোকার্বন। ইউরোপের বেশিরভাগ দেশেই রাশিয়ার গ্যাস ছাড়া এই সাদাবাবুরা গরম হতে পারে না। রাশিয়া এই কাজটা বহুদিন ধরে করে আসছিল ভালোভাবেই। কিন্তু পুতিন আসার পরে এই সস্তাই গ্যাস পাওয়ার এই গুটিবাজীর দিনের রাশ টেনে ধরেছে। আবার মাঝে মাঝে হুংকার দেয় সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার। ফলে ইউরোপীয়ানরা পড়ে ফাঁফরে। পুতিনপূর্বযুগে পশ্চিমারা যেভাবে রাশিয়াকে খাসি করে রেখেছিল। পুতিন পরবর্তীযুগে কিছুটা হলেও তার বিপরীত চিত্র দৃশ্যগত হচ্ছে। আর এখানেই ইউরোপীয়ানদের ভয়। বিপদের সময় কে চায় শত্রু দেশের কাছে জিম্মি হতে। ফলে এরা চায় মধ্যপ্রাচ্যের হাইড্রোকার্বনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ। যে বাগড়া দিবে ইসরাঈলকে খুঁটি ধরে সবগুলোরে সাইজ কর!!

এখন রাশিয়া দেখছে পারস্য সাগরের তরলসোনা যদি ইউরোপে প্রবেশ করে তাহলে তো তাঁর এতদিনের স্বপ্ন (ইউরোপিয়ানদের চাপে রাখা) ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। নিজেরা হারাবে হাইড্রোকার্বন মার্কেট। তাই তারা ইরানকে পাশে নিয়ে প্রথমে সাদ্দামকে বুঝায়। পাইপলাইন হবার লয়। হলেও সেটা ইরান-সিরিয়া টু ভূ-মধ্যসাগর। সাদ্দাম পটল তোলার পর এখন আসাদকে ধরেছে পশ্চিমারা। কিন্তু এখানে রাশিয়া পূর্ণউদ্যোমে বাধা দেওয়ায় কিছুতেই তাকে বাগে পাচ্ছে না পশ্চিমারা। প্রথমে কাতারসহ জিসিসিভুক্ত মোল্লারা সবাই সমস্বরে পশ্চিমাদের সাথে গোপনেযুক্ত হয়ে আসাদকে হটাতে বহুমুখী চেষ্টা চালায়। ইরান ও রাশিয়ার দৃঢ সাপোর্টে প্রথমে ঐ জোট ব্যর্থ হয়। না পেরে এবার পশ্চিমাদের কূটবুদ্ধিতে এই মোল্লারা কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়। পশ্চিমা গোয়েন্দাসাপোর্ট, অস্ত্রশস্ত্র ও ট্রেনিং আর মোল্লাদের সালাফি ডক্ট্রিনের সহায়তায় তৈরি করে একবিংশ শতাব্দির কুখ্যাত কাল্ট গোষ্ঠী আইএস।

এই আইএস গঠনের উদ্দ্যেশ্য ভিন্ন থাকলেও পরে এরাই আবার ফ্রাংকেনস্টাইন হয়ে প্রভুদেরও কতল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলে এবার মোল্লাসহ পশ্চিমারাও নড়েচড়ে বসে। কিন্তু ততদিনে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে। এরপর রাষ্ট্রীয়ভাবে সহায়তা না করা হলেও বিভিন্ন গোষ্ঠী ও ব্যক্তি এই জঘণ্য সন্ত্রাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে গেছে। ফলে একে বিনাশ করা এখন হয়ে পড়েছে অসম্ভব। কারণ এদের আইডিওলোজি এরা ইতোমধ্যেই বিশ্বের অপরাপর মুসলিম জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিয়েছে। ফলে গুটিকয়েক হলেও তাদের সিম্প্যাথাইজার পেয়ে গেছে। যার ফল আমরা বাংলাদেশিরাও হোলি আর্টিজন রেস্তোরাঁতে দেখলাম।

এখন আবার মোল্লারা বলছে আমরা ভারতীয় উপমহাদেশের লোকজন মুসলমানই নয়। এটা বলছে কারণ বাংলাদেশ ও পাকিরা সৌদি জোটে সৈন্য সরবরাহ করতে অনিচ্ছুক হওয়ায়। এখানেও সৌদিদের নষ্টামীর চিত্র আছে। তারা পাকিদের বলেছে শুধু সুন্নি সৈন্য দিতে শিয়া নয়। পাকিরা এতে নিজ দেশে সমালোচনার শিকার হবে ভেবে আর রাজি হয় নি। তাই এখন তারা গোটা ভারতবর্ষের মুসলিমদের নাম দিয়েছে হিন্দু-মুসলমান (কনভার্টেট হওয়ায়)। পাকিদের এতদিন সাচ্চা মুসলমান বললেও এখন তারা হিন্দু-মুসলমান। এই পাকিরাও কিন্তু আমাদের এই নামেই ডেকে একাত্তরে রক্ত বন্যা বয়ে দিয়েছিল। সেসময় ভ্রাতা সৌদি-কাতার পাকিদের অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছিল। পাকিরা তাদের ভন্ডামী, গোঁড়ামী আর নষ্টামীর কারণে মুসলমান আছে কিনা সে বিষয় তর্কসাপেক্ষ! কিন্তু এই মোল্লারা জানে না এই হিন্দু-মুসলমানেরাই বিশ্বে এখন কিছুটা হলেও তাদের মান ইজ্জত বজায় রাখতে সাহায্য করছে। তাই ভন্ড মুসলিম হওয়ার চাইতে হিন্দু-মুসলিম হয়েই থাকতে চায় বাঙ্গালী জাতি।

এভাবে নানা উপায়ে মোল্লারা ক্ষমতার লোভে (জনগণকে সুযোগ দিলে এই রাজতন্ত্রের মোল্লাদের লাথি মেরে বিদায় করবে বিনা বাক্য ব্যয়ে) নিজেদের নষ্টামীর দ্বারা সকল দেশের মুসলমানদের এক ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছে!!!!!



বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা দিয়ে শেষ করছি:

আমার প্রদীপখানি অতি ক্ষীণকায়া,
যতটুকু আলো দেয় তার বেশি ছায়া।
এ প্রদীপ আজ আমি ভেঙে দিনু ফেলে,
তাঁর আলো তোমাদের নিক বাহু মেলে।
----ভালো থাকুক বিশ্ব-বিধাত্রীর সকল মানবশিশু।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:২৯
১৯টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রঙ বদলের খেলা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৯:৪৮


কাশ ফুটেছে নরম রোদের আলোয়।
ঘাসের উপর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শিশিরকণা।

ঝরা শিউলির অবাক চাহনি,
মিষ্টি রোদে প্রজাপতির মেলা।

মেঘের ওপারে নীলের অসীম দেয়াল।
তার ওপারে কে জানে কে থাকে?

কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

শ্রদ্ধেয় ব্লগার সাজি’পুর স্বামী শ্রদ্ধেয় মিঠু মোহাম্মদ আর নেই

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:৩৮

সকালে ফেসবুক খুলতেই মনটা খারাপ হয়ে গেল।
ব্লগার জুলভার্ন ভাইয়ের পেইজে মৃত্যু সংবাদটি দেখে -

একটি শোক সংবাদ!
সামহোয়্যারইন ব্লগে সুপরিচিত কানাডা প্রবাসী ব্লগার, আমাদের দীর্ঘ দিনের সহযোগী বিশিষ্ট কবি সুলতানা শিরিন সাজিi... ...বাকিটুকু পড়ুন

এখন আমি কি করব!

লিখেছেন মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৩:১৯

মাত্র অল্প কিছুদিন হল আমি ফরাসি ভাষা শিক্ষা শুরু করেছিলাম।



এখন আমি ফরাসি ভাষা অল্প অল্প বুঝতে পারি। হয়তো আগামী দিনগুলিতে আরেকটু বেশি বুঝতে পারব।

ফ্রান্স একটি সুন্দর দেশ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

=স্মৃতিগুলো ফিরে আসে বারবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৪:০৮



©কাজী ফাতেমা ছবি
=স্মৃতিগুলো ফিরে আসে বারবার=

উঠোনের কোণেই ছিল গন্ধরাজের গাছ আর তার পাশে রঙ্গন
তার আশেপাশে কত রকম জবা, ঝুমকো, গোলাপী আর লাল জবা,
আর এক টুকরা আলো এসে পড়তো প্রতিদিন চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহারা

লিখেছেন মা.হাসান, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৩




আমাবস্যা না । চাঁদ তারা সবই হয়তো আকাশে আছে। কিন্তু বিকেল থেকেই আকাশ ঘোর অন্ধকার। কাজেই রাত মাত্র নটার মতো হলেও নিকষ অন্ধকারে চারিদিক ডুবে আছে।

গায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×