somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

" পবিত্র মাস মাহে রমজান " - রহমত-বরকত-মাগফেরাতের এই মাসে কিছু আমলের অভ্যাস আমাদের সকলেরই করা উচিত।(ঈমান ও আমল - ১৫)।

০৭ ই এপ্রিল, ২০২২ দুপুর ২:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছবি - dailyeventnews.com
রমজান মাস - মহান আল্লাহপাকের নিকট হতে রহমত, বরকত ও মাগফেরাতের মাস। এই মাস মুসলমানদের জন্য আল্লাহপাকের এক বিশেষ অনুকম্পা ও নিয়ামাতের মাস। অধিক পরিমাণে আমলের মাধ্যমে বিপুল সওয়াব অর্জন ও নেকি লাভ সম্ভব এ মাসে। পবিত্র এ মাসেই আল কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। এ ব্যাপারে আল-কোরআনে বলা হয়েছে, " রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তা'আলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।" (সুরা আল-বাকারাহ, আয়াত - ১৮৫) ।

আর তাই আমাদের সকলকে রমজান মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে যেন কাজে লাগানো যায়, সে প্রচেষ্টা চালানো উচিত। কেননা এ মাস আমলের মাস, ইবাদতের মাস। রমজান মাসের ফজিলত সম্পর্কে রাসুল (সাঃ) বলেছেন, " রমজান- বরকতময় মাস তোমাদের দুয়ারে উপস্থিত হয়েছে। পুরো মাস রোযা পালন আল্লাহ তোমাদের জন্য ফরয করেছেন। এ মাসে জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত করে দেয়া হয়, বন্ধ করে দেয়া হয় জাহান্নামের দরজাগুলো। দুষ্ট শয়তানদের এ মাসে শৃংখলাবদ্ধ করে দেয়া হয়। এ মাসে আল্লাহ কর্তৃক একটি রাত প্রদত্ত হয়েছে, যা হাজার মাস থেকে উত্তম। যে এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে (মহা কল্যাণ থেকে) বঞ্চিত হলো"। (সুনান আত-তিরমিজি, হাদিস নং - ৬৮৩)।

পবিত্র এ মাসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল রয়েছে, যেগুলো পালন করার মাধ্যমে আমরা জান্নাতে যেতে পারি, পেতে পারি জাহান্নাম থেকে মুক্তি । আসুন জানি রমজান মাসের কিছু আমল সম্পর্কে -


ছবি - in.pinterest.com

১। তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করা - রমজানে কিয়ামুল লাইল করার কথা আছে। কিয়ামুল লাইল শব্দের অর্থ রাতের নামাজ। তারাবির নামাজ যেমন কিয়ামুল লাইলের মধ্যে পড়ে, তেমনি শেষ রাতে তাহাজ্জুদও সালাতুল লাইলের অন্তর্ভুক্ত।

২। কোরআন খতম ও তিলাওয়াত - রমজানে যেহেতু প্রতিটি ইবাদতের সাওয়াব ৭০ গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তাই এ মাসে যথাসাধ্য বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক। মহানবী (সাঃ) বলেছেন,"রোজা ও কোরআন কিয়ামতের দিন মানুষের জন্য সুপারিশ করবে..."। (আহমাদে মুসনাদ,হাদিস নং - ৬৬২৬)।


ছবি - in.pinterest.com

৩। সদকা বা দান - প্রখ্যাত সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন,"মহানবী (সাঃ) ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দানশীল। আর রমজানে তাঁর বদান্যতা আরো বেড়ে যেত"। (মুসলিম শরীফ, হাদিস নং - ৩২০৮) । এ মাসে আমাদের সকলেরই সাধ্যানুযায়ী বেশী বেশী দান-সাদকা করা উচিত।

৪। ইতিকাফ - হজরত ইবনে ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, "মহানবী (সাঃ) রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন" (মুসলিম শরীফ, হাদিস নং - ১১৭১)।

৫।রোজাদারদের ইফতার করানো - রোজাদারকে ইফতার করালে রোজাদারের মতো রোজার সাওয়াব পাওয়া যায়। মহানবী (সাঃ) বলেছেন," যে ব্যক্তি কোনো রোজা পালনকারীকে (রোজাদারকে) ইফতার করাবে, সে রোজা পালনকারীর অনুরূপ সাওয়াব লাভ করবে। এতে রোজা পালনকারীর সাওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র হ্রাস করা হবে না"।(আহমাদ শরীফ, হাদিস নং - ২২৩০২) ।

৬। তাওবা ও ইস্তেগফার করা - আমাদের সকলেরই সর্বদা তাওবা করা ওয়াজিব, বিশেষ করে এ রমজান মাসে তো বটেই। এ মাসে তাওবার অনুকূল অবস্থা বিরাজ করে। শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়, জাহান্নাম থেকে মানুষকে মুক্তি দেওয়া হয়। মহানবী (সাঃ) বলেছেন, " যে ব্যক্তি রমজান মাস পেয়েও তার পাপ ক্ষমা করাতে পারেনি, তার নাক ধুলায় ধূসরিত হোক"।(জামেউল উসুল,হাদিস নং - ১৪১০)।

৭। বেশী বেশী নেক আমল করা - রমজান মাসে অধিক হারে নেক আমল করতে চেষ্টা করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য একান্ত আবশ্যক, বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, "যখন রমজানের শেষ দশক এসে যেত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তখন রাত্রি জাগরণ করতেন, পরিবারবর্গকে নিদ্রা থেকে জাগিয়ে দিতেন, লুঙ্গি শক্ত ও ভালো করে বেঁধে (প্রস্তুতি গ্রহণ) নিতেন"।(মুসলিম শরীফ,হাদিস নং - ১১৭৪) ।

৮। বেশি বেশি জিকির করা - আল্লাহ তাআলার জিকির এমন এক মজবুত রজ্জু, যা মানুষকে স্রষ্টার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে। তাঁর সান্নিধ্য লাভের পথ সুগম করে। মানুষকে উত্তম আদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত করে। সরল ও সঠিক পথের ওপর অবিচল রাখে। এ কারণে আল্লাহ তাআলা মুসলিম ব্যক্তিকে দিবা-রাত্রি গোপনে-প্রকাশ্যে জিকির করার আদেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো এবং এবং সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।(সুরা আহজাব, আয়াত- ৪১-৪২)

৯। সাহরি খাওয়া - হাদিসে এসেছে," সাহরি হলো বরকতময় খাবার। তাই কখনো সাহরি খাওয়া বাদ দিয়ো না। এক ঢোক পানি পান করে হলেও সাহরি খেয়ে নাও। কেননা সাহরির খাবার গ্রহণকারীকে আল্লাহ তাআলা ও তাঁর ফেরেশতারা স্মরণ করে থাকেন। ’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং - ১১১০১)।

১০। ইফতার করা - সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা বিরাট ফজিলতপূর্ণ আমল। এতে কোনো বিলম্ব না করা। কেননা হাদিসে এসেছে,"যে ব্যক্তি রোজা পালন করবে, সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে, খেজুর না পেলে পানি দিয়ে ইফতার করবে। কেননা পানি হলো বেশি পবিত্র"। (সুনানে আবু দাউদ,হাদিস নং - ২৩৫৭)।

১১। তারাবি পড়া - সালাতুত তারাবি পড়া এ মাসের অন্যতম আমল। তারাবি পড়ার সময় তার হক আদায় করতে হবে। হাদিসে এসেছে, ‘" যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সাওয়াব হাসিলের আশায় রমজানে কিয়ামু রমাদান (সালাতুত তারাবি) আদায় করবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে"। (বুখারি শরীফ, হাদিস নং - ২০০৯)।


ছবি - zamzam.com

১২। লাইলাতুল কদর তালাশ করা - রমজান মাসে এমন একটি রাত রয়েছে, যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। আল কোরআনের ঘোষণা,"কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম"। (সুরা কদর, আয়াত - ৩). রাসুল (সাঃ) বলেছেন,"যে ব্যক্তি ঈমান ও সাওয়াব পাওয়ার আশায় ইবাদত করবে, তার আগের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে"। (বুখারি শরীফ - হাদিস নং - ৩৫)।

১৩। তাকওয়া অর্জন করা - তাকওয়া এমন একটি গুণ, যা বান্দাকে আল্লাহর ভয়ে যাবতীয় পাপ কাজ থেকে বিরত রাখে এবং তাঁর আদেশ মানতে বাধ্য করে। আর রমজান মাস তাকওয়া নামক গুণটি অর্জন করার এক বিশেষ মৌসুম।এ ব্যাপারে আল কোরআনে বলা হয়েছে," হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে করে তোমরা এর মাধ্যমে তাকওয়া অবলম্বন করতে পারো"। (সুরা বাকারা, আয়াত নং - ১৮৩)।

১৪। ফিতরা দেওয়া - এ মাসে রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি পূরণার্থে ফিতরা দেওয়া আবশ্যক। ইবনে ওমর (রাঃ) বলে," মহানবী (সাং) ঈদের সালাত আদায়ের আগে ফিতরাহ আদায় করার আদেশ দিয়েছেন"। (বুখারি শরীফ, হাদিস নং - ১৫০৩) ।

১৫ । বেশী বেশী আয়াতুল কুরসি ও তিন কুল পাঠ করা - প্রতিদিন পঠিতব্য ফজিলতপূর্ণ সুরা ও আয়াতের মধ্যে ‘আয়াতুল কুরসি’ ও ‘তিন কুল’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আয়াত। আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা লাভ হয়। আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত এক হাদিসে এসেছে,"যে ব্যক্তি বিছানায় যাওয়ার সময় আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার জন্য একজন প্রহরী থাকবে। আর সকাল পর্যন্ত কোনো শয়তান আপনার কাছে আসবে না "। ( বুখারি শরীফ, হাদিস নং - ২৩১১)।
তাছাড়া , নিয়মিত প্রত্যেক ফরজ সালাত আদায়ের পর আয়াতুল কুরসি পাঠকারীর জন্য মৃত্যুর পর জান্নাত। আবু উমামা আল-বাহিলি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না"। (সহিহ আত-তারগিব, হাদিস নং - ১৫৯৫; সহিহ আল-জামে, হাদিস নং - ৬৪৬৪) ।

ফজর ও মাগরিবের পর তিন কুল - ‘তিন কুল’ হলো সুরার শুরুতে ‘কুল’ শব্দ থাকা তিনটি সুরা। যেমন—সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস। প্রতিদিন ফজর ও মাগরিবের পর ‘তিন কুল’ পাঠ করলে যাবতীয় অনিষ্ট হতে রক্ষা পাওয়া যায়। মানুষের জীবনে ‘তিন কুল’ সব ব্যাপারে যথেষ্ট। আবদুল্লাহ ইবনে খুবাইব (রাঃ) বলেন, "এক ঘুটঘুটে অন্ধকার ও বৃষ্টিমুখর রাতে আমাদের নামাজ আদায় করানোর জন্য আমরা রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর সন্ধানে বের হলাম। আমি তাঁর দেখা পেলে তিনি বলেন, বলো। কিন্তু আমি কিছুই বললাম না। তিনি পুনরায় বলেন, বলো। এবারও আমি কিছুই বললাম না। তিনি আবার বলেন, বলো। এবার আমি প্রশ্ন করলাম, আমি কী বলব? তিনি বলেন, তুমি প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে সুরা ইখলাস ও আল-মুআউবিজাতাইন (সুরা ফালাক ও সুরা নাস) পাঠ করবে, আর তা সব ব্যাপারে তোমার জন্য যথেষ্ট হবে"। (তিরমিজি শরীফ, হাদিস নং - ৩৫৭৫) ।


ছবি - latestly.com

সুরা ইখলাসের ফজিলত - সুরা ইখলাস কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ। সুরা ইখলাস পাঠকারীকে আল্লাহ অত্যন্ত বেশী ভালোবাসেন। আবু সাঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, "এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে সুরা ইখলাস বারবার পাঠ করতে শোনেন। সকাল হলে তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর কাছে হাজির হন এবং ব্যাপারটি তাঁর কাছে উল্লেখ করেন। আর ওই ব্যক্তি যেন উক্ত সুরার পাঠকে কম গুরুত্ব দিচ্ছিলেন। তখন নবী (সাঃ) বলেন, ‘যাঁর হাতে আমার প্রাণ ওই সত্তার কসম! নিশ্চয়ই এ সুরা কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান"। (বুখারি শরীফ, হাদিস নং - ৬৬৪৩) ।

মহান আল্লাহপাক এই পবিত্র মাস মাহে রমজানে আমাদের সকলকে বেশী বেশী আমল করার তাওফিক দান করুন এবং আমাদের জন্য রমজানের পরিপূর্ণ ক্ষমা-বরকত-মাগফেরাত নসীব করুন।

তথ্যসূত্র - আল কোরআন,হাদীস ও ইসলামী বিশ্বকোষ।
==================================================================

পূর্ববর্তী পোস্ট -

ঈমান ও আমল - ১৪ Click This Link
" পবিত্র মাহে রমজান " - মাহে রমজানের ঐতিহাসিক পটভূমি , গুরুত্ব ও মর্যাদা ।
ঈমান ও আমল - ১৩ Click This Link
" পবিত্র মাস রজব " - রজব মাসের ফজিলত এবং আমল (করণীয়) ও বর্জনীয় ।
ঈমান ও আমল - ১২ Click This Link
" দোয়া " কি এবং কেন ? কাদের জন্য দোয়া শুধু ধোঁয়া বা কাদের দোয়া কবুল হয়না ?
ঈমান ও আমল - ১১ Click This Link
" পবিত্র ও সম্মানিত মাস মহরম " - হিজরি সনের প্রথম মাস এবং পবিত্র আশুরা ।ইসলামে আশুরার ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং আশুরার দিনে করণীয় ও বর্জনীয় ।
ঈমান ও আমল -১০ Click This Link
("পবিত্র মাস জিলহাজ্জ"-জিলহাজ্জের প্রথম দশ দিন মুসলমানদের নিকট বছরের সেরা দশদিন-ঈমান ও আমলের জন্য)।
ঈমান ও আমল - ৯ Click This Link
(" শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা " - যা সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব হাসিলে সাহায্য করে। পবিত্র রমজানের পর যা সকল মুসলমানেরই রাখা উচিত)।
ঈমান ও আমল - ৮ Click This Link
(আজ পবিত্র " লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত "। মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলমানদের করণীয় ।)
ঈমান ও আমল - ৭ Click This Link
("যাকাত " ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ । যা আল্লাহর অনুগত বান্দাদের জন্য অশেষ ছওয়াব, রহমত ও মাগফিরাতের পাশাপাশি আত্মশুদ্ধির ও প্রতিশ্রুতি দেয়)।
ঈমান ও আমল - ৬ Click This Link
("রোযা" ইসলামের তৃতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ । যার বিনিময় বা প্রতিদান আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন নিজেই দিবেন)।
ঈমান ও আমল - ৫ Click This Link
(" নামাজ " ইসলামের দ্বিতীয় ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ । যা মুসলিম-অমুসলিমের মাঝে পার্থক্যকারী সূচক হিসাবে বিবেচিত এবং মুসলমান মাত্রই দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে)।
ঈমান ও আমল - ৪ Click This Link
("ইসলামের পঞ্চস্তম্ভ"- যার শুরুটা কালেমা বা ঈমানে। যা শুধু মুখে বলা নয়,অন্তরে বিশ্বাস ও কর্মে পরিণত করার বিষয়)।
ঈমান ও আমল - ৩ Click This Link
(তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত ও গুরুত্ব )।
ঈমান ও আমল - ২ Click This Link
("শুক্রবার - পবিত্র জুমা"- মুসলমানদের জন্য এক মর্যাদা ও ফজিলত পূর্ণ দিন এবং জুমার দিনের কতিপয় আমল )।
ঈমান ও আমল - ১ Click This Link
(যেসব আমলে মানুষের অভাব দূর হয় ও জীবন সুখের)।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০২২ দুপুর ১২:৩১
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতার মতো মেয়েটি

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ সকাল ১১:২০




কবিতার মতো মেয়েটি সুচারু ছন্দে আনমনে হাঁটে
দু চোখে দূরের বাসনা, চুলের কিশলয়ে গন্ধকুসুম, প্রগাঢ় আঁধারে হাসনাহেনার ঘ্রাণ; কপোলে একফোঁটা তিল, তেমনি একফোঁটা লালটিপ কপালে

কবিতার মতো মেয়েটি নিজ্‌ঝুম বনের মতো; কখনোবা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফুল ফুল আর ফুল (ভালোবাসি ফুল)-২

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ দুপুর ১:২৬

০১।



=চন্দ্রমল্লিকার পাপড়িতে কী মুগ্ধতা=
হে মহান রব, তোমার সৃষ্টির সৌন্দর্য এই ফুল;
তোমার দয়াতেই সে পাপড়ির ডানা মেলে, ভুল নাই এক চুল;
হে মহান প্রভু, দৃষ্টিতে দিয়েছো তোমার নূরের আলো;
তোমার সৃষ্টি এই দুনিয়া,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেয়েরা কেমন স্বামী পছন্দ করে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ দুপুর ১:২৬



বাঙ্গালী মেয়েরা মূলত দুঃখী। তাঁরা আজীবন দুঃখী।
ভাতে দুঃখী, কাপড়ে দুঃখী, প্রেম ভালোবাসায় দুঃখী। এজন্য অবশ্য দায়ী পুরুষেরা। যদিও পুরুষের চেয়ে নারীরা চিন্তা ভাবনায় উন্নত ও মানবিক। প্রথম... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রকৃতির খেয়াল - ০৭

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ দুপুর ২:৫৬

১ : সৌভাগ্যবান


অস্ট্রেলিয়ার হেরন দ্বীপের কাছে, একটি সামুদ্রিক সবুজ কচ্ছপের (green sea turtle) ছানা সতর্কতার সাথে ক্ষুধার্ত শিকারি পাখিতে ভরা আকাশের নিচে জলের উপরে সামান্য বাতাসের জন্য মাথা তোলে। সমস্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতবর্ষের নবী ও রাসূলগণকে সঠিক ভাবে চিহ্নিত করা গেলো না কেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৯



অনেক নির্বোধ ব্যক্তি মনে করে যে, প্রাচীন ভারতবর্ষে কোন নবী-রাসূল আসেননি। যদি আসতেন, তাহলে প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থসমূহে এই সম্পর্কে তথ্য থাকতো। প্রথমেই বলে নেওয়া উচিৎ, যেহেতু আল্লাহ পবিত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×