
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা বা পাকিস্তানের জাতির জনক। একজন বাংলাদেশী হয়ে পাকিস্তানের জাতির জনককে নিয়ে আলোচনা করলে কি গুনাহ হতে পারে কিংবা বড় ক্ষতি হতে পারে? বাংলাদেশে জিন্নাহর...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
শেহজাদ আমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪

ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ
দশম বর্ষপূর্তি পোস্টসামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা,
বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?
যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন
টিকা দান কর্মসূচী আবার শুরু হয়েছে,
মায়েরা আপনার শিশুকে কেন্দ্রে নিয়ে টিকা দিন
এবং সকল টিকা প্রদানের তথ্য সংরক্ষন করুন, যা আপনার সন্তানের
ভবিষ্যৎ জীবন যাপনে কাজে লাগবে ।
(বাবারা এ ব্যাপারে সচেতন হোন এবং শিশুর মাকে সহায়তা দিন )

(স্বাস্হ্য অধিদপ্তর তথ্যসূত্র বলছে: বিগত ১৫ই মার্চ থেকে হামের উপর্সগ বা হামের প্রাদুর্ভাবে , প্রায় সাড়ে ৩ মাসে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হলো ১ লাখ ১২ হাজার ৬২ শিশু।এ পর্যন্ত মৃত্যু দেশে প্রাণ হারাল ৭১৬ জন (৩০.০৬.২০২৬ ইং) শিশু মারা গেছে)
বাংলাদেশে সম্প্রতি শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন নয় মাসের বদলে ছয় মাস বয়সী শিশুদের হামের...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
কলাবাগান১, ০৯ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ১২:১২

মোবাইল ফোন এর শব্দ এবং অবস্হান ডিটেক্ট করার সেন্সর দিয়ে মশা কে ডিটেক্ট করে উড়ন্ত/চলন্ত পাখা দিয়ে 'পিষে' ফেলে দেয়। কোন ক্যামিক্যাল না থাকাতে নিরাপদ টেকনোলজি। সরকার এর উচিত প্রতি ঘরে ঘরে একটা করে ড্রোন দেওয়া যাতে মশা বাহিত রোগ ডেংগু/চিকুনগুনিয়া/জিকা রোগের প্রকোপ কমাতে পারে।
এই কোম্পানী
https://tornyol.com/ $১০০ ডিপোজিট নিয়ে প্রিঅর্ডার নিচ্ছে
এমন সহজ প্রযুক্তি বাংলাদেশ থেকে আসা উচিত ছিল....বিজ্ঞান কে ফ্রন্টে না আনলে ছাত্র/ছাত্রীরা এসব সাধারন চিন্তা ধারনা থেকে এমন ব্যবহার উপযোগী প্রযুক্তি বানানোর ধারনাই পাবে না। ধর্ম নিয়ে ছাত্র/ছাত্রীরা যে রকম উন্মাদনা ফেসবুকে, টিকটকে, ব্লগে, বিজ্ঞান নিয়ে তেমন আগ্রহ কমই দেখা যায়....আমি আমার নিজের ল্যাব খুব...
...বাকিটুকু পড়ুন
শিক্ষাবৃত্তি পাওয়া সিলেটের শিক্ষার্থীটি আমার পা ছুঁয়ে সালাম করলো! এর আগে আমাকে কে কে পা ছুঁয়ে সালাম করেছে মনে করার চেষ্টা করলাম। ঈদগুলোতে আমার ছোট ভাই ও তাদের স্ত্রী, আমার মামাতো-খালাতো বোনেরা আর আমার বিবিজান ছাড়া কেউ আমাকে পা ছুঁয়ে সালাম করে নাই। ঈদের সময় ছাড়া অন্য কোন সময়ে এইসব নিকটাত্মীয়েদের কাছ থেকে আমি এইভাবে সালাম পাই নাই! তাই, ছেলেটার কাছ থেকে সালাম পেয়ে আমি তাকে বুকে জড়িয়ে ধরলাম। মাথা ছুঁয়ে দোয়া করলাম, যাতে সে ভবিষ্যতে অনেক বড় হয়।
আজকে সিলেটে আমাদের পাঠাগারের পক্ষ থেকে আয়োজিত শিক্ষাবৃত্তি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এরকম অনেক ঘটনাই ঘটলো। আরেকজন ছেলে পকেট থেকে একটি...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজা সরকার, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৯
১
অনেক দিন সিগারেট ছেড়েছি
ফুসফুসের বিদ্রোহে
শ্বাসকষ্ট বড় কষ্ট যার হয় সে বোঝে
কিন্তু আমি সিগারেট ছেড়েছি বলে সিগারেটের দোকান উঠে যায়নি
নানা কাজে পান সিগারেটের দোকানে তো যেতেই হয়
চেয়ে দেখি থরে থরে সাজানো সিগারেটের প্যাকেট
কালে ভদ্রে আমিও হঠাৎ সিগারেটের দাম জানতে চাই
যেহেতু অনেক দিন ছেড়েছি তাই দাম শুনে চমকে ওঠার ভান করি
দিতে বলি পাঁচটা সিগারেট
দোকানী ছেলেটি দেয় আর বড় বড় চোখ করে বলে
আপনি না সিগারেট ছেড়ে দিয়েছিলেন!
সেই সিগারেট বাড়িতে নিয়ে আসি, বইয়ের সেলফে গুঁজে রাখি
এবং অবশ্যই ধরা পড়ি স্ত্রীর কাছে
বাঙালি মধ্যবিত্ত গৃহকত্তা সকলেই জ্ঞানী পুরুষ হন
আমি বাদ যাই কেন
স্ত্রীকে বোঝাতে তাই বেশি সময় লাগে না
জর্দাপানে তাঁরও অভিনিবেশ বেশ গাঢ়
একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
মুনতাসির, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:৫৯
ঢাকা থেকে ক্রিস্টিনা পৌঁছানোর পর দুদিন কেটেছে বিশ্রামে। পথে নামার আগের দিনই সব রেডি করে। ফেললাম। দলে আমি ছাড়াও আছেন শামিসা আখতার ও মোরশেদ অম্ললাম। তিনজনের জন্য দুটি সাইকেল, এর মধ্যে একটি ট্যান্ডেন।
২০ সেপ্টেম্বর সাতসকালে রাজধানী শহর প্রিন্তিনা থেকে মিত্রোভিস্তার পথ ধরি। শুরুতে রাস্তা বেশ মসৃণ। তবে ছোট ছোট চড়াই আছে। প্রথম প্যাডেল মারার পরই বুঝে ছিলাম হ্যান্ডেলবারটা নড়বড়ে। শক্ত করার জন্য দরকার একটা সাধারণ রেজ, আমাদের কাছে তা নেই। ছুটির সকালে দোকানপাটও বন্ধ। আমাদের দরকার একটা ওয়ার্কশদ। কিন্তু গত দুই দিনে কফিশপ আর গাড়ির শোরুম ছাড়া আর কিছু চোখে পড়েনি।
শহরতলির কোলাহল কমতেই একটা মেকানিকের দোকান চোখে পড়ল। সেখানে থামলাম।... ...বাকিটুকু পড়ুন