somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সহিহ হাদিস সংকলনের কোরআনিক পদ্ধতি কি?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

* হাদিস দ্বারা যেন অভিন্ন পথের হিদায়াত পাওয়া যায় সেজন্য হাদীসের রাবীগণের দায়িত্ব ছিল তাঁদের নিকট সঞ্চিত হাদিস আমির হযরত আবু বকরের (রা.) নিকট পৌঁছে দেওয়া। আমির হযরত আবু বকরের (রা.) দায়িত্ব ছিল প্রাপ্ত সকল হাদিস মজলিশে শুরার বিবেচনায় প্রদান করা। মজলিশে শুরার দায়িত্ব ছিল প্রাপ্ত হাদিস থেকে মানসুখ বাদ দিয়ে এবং মতভেদ থাকলে সেটা নিরসন করে অভিন্ন হাদিস সংকলন প্রস্তুত করে খেলাফতের বিভিন্ন কেন্দ্রে এর শিক্ষার ব্যবস্থা করতে আমির হযরত আবু বকরকে (রা.) সুপারিশ করা। আমির হযরত আবু বকরের (রা.) দায়িত্ব ছিল খেলাফতের বিভিন্ন কেন্দ্রে সংকলিত হাদিস সংকলনের শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং এর বাইরে কেউ হাদিস প্রচার করলে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

সহিহ বোখারী ৪৯৯ নং হাদিসের (সালাতের ওয়াক্ত সমূহ অধ্যায়) অনুবাদ-
৪৯৯। হযরত যুহুরী (র.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দামেশকে আনাস ইবনে মালেকের (রা.) নিকট গিয়ে দেখতে পেলাম, তিনি কাঁদছেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কাঁদছেন কেন? তিনি বললেন, আমি যা যা দেখেছি তার মধ্যে এ নামাযই আজ পর্যন্ত অবশিষ্ট ছিল। কিন্তু এখন নামাজও নষ্ট হতে চলেছে।

* হাদিস সংকলন সংক্রান্ত দায়িত্ব প্রতিপালিত না হওয়ার সুযোগে মোনাফেক ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে মিথ্যা হাদিস প্রচার করে ইসলাম নষ্ট করে। নষ্ট ইসলাম মেরামত পদ্ধতি কি?

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের অন্যান্যের জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

# সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ৩ নং আয়াতের তাফসির- তাফসিরে ইবনে কাছির
৩। এ আয়াতের তাফসিরে আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহর পার্শ্বে বসে ছিলাম, এমন সময় তাঁর উপর সূরা জুমুয়া অবতীর্ণ হয়। জনগণ জিজ্ঞাস করেন হে আল্লাহর রাসূল (সা.)! ‘ওয়া আখারিনা মিনহুম লাম্মা ইয়ালহাকু বিহিম’ দ্বারা কাদেরকে বুঝানো হয়েছে? কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিলেন না। তিন বার এ প্রশ্ন করা হয়। আমাদের মধ্যে সালমান ফারসীও (রা.) ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর হাতখানা সালমান ফারসীর (রা.) উপর রেখে বললেন, ঈমান যদি সারিয়্যা নক্ষত্রের নিকট থাকত তাহলেও এই লোকগুলোর মধ্যে এক কিংবা একাধিক ব্যক্তি এটা পেয়ে যেত।(ফাতহুলবারী ৮/৫১০, মুসলিম ৪/১৯৭২, তিরমিযী ৯/২০৯, ১০/৪৩৩, নাসাঈ ৫/৭৫, ৬/৪৯০, তাবারী ২৩/৩৭৫)।

* মিথ্যা হাদিস সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হলো আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে উপস্থাপিত হাদিস বাতিল করে আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতের সাথে গৃহিত হাদিস দ্বারা গঠিত আল্লাহর সুন্নাত ফিকাহ মেনে চলা।পারসিক ইমাম আবু হানিফা (র.) আল্লাহর সুন্নাত ফিকাহ সংকলন তৈরী করে এর শিক্ষার ব্যবস্থা করেন।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সহিহ মুসলিম, ৪৫৭৬ নং হাদিসের (কিতাবুল ইমারাহ) অনুবাদ-
৪৫৭৬। হযরত জাবির ইবনে সামুরা (রা.)কর্তৃক বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহকে (সা.) বলতে শুনেছি, বারজন খলিফা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ইসলাম পরাক্রান্ত অবস্থায় চলতে থাকবে। তারপর তিনি যে কি বললেন, তা’ আমি বুঝতে পারিনি। তখন আমি আমার পিতার নিকট জিজ্ঞাস করলাম তিনি কি বলেছেন? তিনি বললেন নবি করিম (সা.) বলেছেন, তাঁদের সকলেই হবে কোরাইশ বংশোদ্ভুত।

* সবচেয়ে পরাক্রান্ত আব্বাসীয় কুরাইশ খলিফা হারুনুর রশিদ ইমাম আবু হানিফা (র.) সংকলিত ফিকাহ মজলিশে শুরার মাধ্যমে পরিশোধন করে অনুমোদন করলে দুইতৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয় এবং একতৃতীয়াংশ মুসলিম মিথ্যা হাদিসের অনুসারী থাকে। তারা পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে তাদের সংগৃহিত হাদিস আমিরের দরবারে উপস্থাপন না করেই এ গুলিকে সহিহ আখ্যা দিয়ে মুসলিম জাতিকে বিভ্রান্ত করার ব্যবস্থা করে। তারা অহংকার না করে তাদের সংগৃহিত হাদিস আমিরের দরবারে উপস্থাপন করলে এবং আমির মজলিশে শুরার মাধ্যমে এসব হাদিস সংকলন পরিশোধন করে অনুমোদন করে প্রচারের ব্যবস্থা করলে এসব হাদিস গ্রন্থের কারণে মুসলিম জাতি বিভ্রান্তি থেকে আত্মরক্ষা করতে পারতো।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

* মজলিশে শুরার পরিশোধন বিহীন এবং আমিরের অনুমোদন বিহীন হাদিস সংকলনকে সহিহ বলা মূলত মিথ্যা কথা।এসব হাদিস সংকলক অহংকারী হওয়ার কারণ এরা ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় খলিফা যাদেরকে আল্লাহ রাজত্ব প্রদান করেছেন তাদের উপর নিজেদেরকে শ্রেষ্ঠ মনে করেছে। সকল হাদিস সংকলনের সময় আল্লাহ ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় খলিফা নিযুক্ত রেখেছেন, সুতরাং এরা আল্লাহর দরবারে তাদের অপরাধের কৈফিয়ত দিতে পারবে না। আল্লাহ ফিকাহ মানতে বলেছেন। প্রথম শুদ্ধ ফিকাহ ছিল রাসূলের (সা.) অলিখিত ফিকাহ। সেটি নষ্ট হওয়ার মজলিশে শুরা পরিশোধীত ও আমির অনুমোদীত একমাত্র ফিকাহ হচ্ছে হানাফী ফিকাহ। এরপরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হবে এবং এর সাথে মতভেদকারীরা হবে জাহান্নামের পথের যাত্রী।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৮
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রমজান ও সিয়াম সাধনা: আধুনিক স্বাস্থ্য-বিজ্ঞানের আলোকে একটি সমন্বিত গবেষণা-বিশ্লেষণ, ২য় এবং শেষ পর্ব

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১৭

রমজান ও সিয়াম সাধনা: আধুনিক স্বাস্থ্য-বিজ্ঞানের আলোকে একটি সমন্বিত গবেষণা-বিশ্লেষণ, ২য় এবং শেষ পর্ব

ছবি, অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।

রমজান ও সিয়াম সাধনা: আধুনিক স্বাস্থ্য-বিজ্ঞানের আলোকে একটি সমন্বিত গবেষণা-বিশ্লেষণ, পর্ব-১

ক্রোনোবায়োলজিকাল এবং শারীরিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমেরিকাকে বিপর্যস্ত করে ফেলেছে ড্রাগ ডিলাররা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩



ড্রাগে বিপর্যস্ত আমেরিকা। এদেশের কয়েকটি শহরের অবস্থা খুবই খারাপ। এরিজোনার ফিনিক্স, উত্তর-পূর্ব ষ্টেটগুলোর মধ্যে ওমাহাতে প্রতি ৫-জনের মাঝে ১-জন কোকেন নিতেন বলে জানা জানা যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাপেট মোল্লাদের আসল চেহারা: ক্ষমতার দালালি আর নীরব নিষ্ঠুরতা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৫


সম্প্রতি কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) যখন বাংলাদেশী পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয়, তখন ভারতের ‘অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশন’-এর সভাপতি ইমাম উমর আহমেদ ইলিয়াসি হঠাৎ করেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। তিনি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কীভাবে ধরা হলো ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট?

লিখেছেন লিংকন বাবু০০৭, ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩৬

কীভাবে ধরা হলো ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট?

মিশনের নাম ছিল--‘অপারেশন অ্যাবসলুট রিজলভ’।
অনেকে এটাকে তুলনা করছেন পানামার স্বৈরশাসক মানুয়েল নোরিয়েগা আর সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে।
তবে এগুলো আছিলো পুরাটা সামরিক আক্রমণ ও দীর্ঘ অভিযান।... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন জানি মনে হচ্ছে দেশ আরেকটি এক এগারোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সূচরিতা সেন, ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩৬




আমাদের নিশ্চয় মনে আছে ২০০৬ সালে জাতীয় পার্টির (জাপা) তৎকালীন চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের মনয়োন পত্র বাতিল করা হয়েছিল,আর তখনি রাজপথে নেমে আসেন তার দলের নেতাকর্মিরা ।
এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

×