পারিজাত জীবন !এই জীবন কতদিনের কে জানে?
বিশ্বাস ।যে জীবন দান করেন সেই নিয়ে যায়। যখন কেহ নিজে নিজেকে তুচ্ছ ভেবে হয়তো অন্য কোন কারনে জীবনের সাথে পরাজীত হয়ে জীবনের সাথে অবিচার করেন তাদের কি বলব?
তারা এমন কাজটা কেন করেন বা কেন করতে যায়?
এই নানান প্রশ্ন আমাকে ভাবিয়ে তুলছে আজ যখন স্ত্রীর সাথে চেট করছি হঠাৎ আমার স্ত্রী আমাকে লিখে
> :এই শুননা
আমি :কী?
> :আজ একটা মেয়ে আত্নহত্যা করেছে।
আমি : চুপসে গেলাম; কে সে অভাগী, কেন এমন করল!
> :এমন করবনাত কি করব। বাবা যদি এমন হয় !
আমি: বাবা আবার কি করল , কে সে ?বা মেয়েটি কে?
>: আরে তোমার নাকি এক দূর সম্পর্কের আত্নিয় লাগে;তার মেয়ে - আখি, বয়স ১৫/১৬ হবে। তুমি হয়তো চিনতে তাকে।
আমি মেয়েটিকে চিনি না কিন্তু কেন যানি কষ্ট লাগছে মেয়েটির জন্য আরো বিস্তারিত জেনে নিলাম।অামি তার বাবা মাকে চিনি। তাকে দেখি নি কখনো।মেয়েটি আমার এক বন্ধুর বোনের মেয়ে। আখি। সে এইবার ইন্টার-এ পড়ত। ঘরে বাবা মায়েে কলহ দেখতে দেখতে অতিষ্ট হয়ে গেছে। আজ নাকি আখির বাবা তার মাকে মারছে তা দেখে মেয়েটি প্রতিবাদ করলে মেয়েকেও নাকি থাপ্পর মারে আখির বাপে।এর পর মেয়ে সহ্য করতে পারেনি। পরে দড়ি দিয়ে গলা ফাসঁ দিয়েছে।হসপিটালে নিতে নিতে আখি মারা যায়।
আমার প্রশ্নটি হল এই ১৫/১৬ বছরের মেয়েটি তার কষ্টের ভার সহ্য করতে পারিনি হয়তো সে কারনে এই পথ বেছে নিয়েছে। কিন্তু পরিবারে আমরা যারা কর্তা বা কর্তি আমরাত ছোট্ট সে কিশোরীটি নয় যে বুঝি না । আমরা কেন কলহ করি?
এগুলো আমরা সচেতন মাত্র সবাই জানি ?আমরা হয়তো তাদেরকে এমন টা করার জন্য দায়ী, আমারদের সমাজ না হয় পরিবার । যদি এই পরিবার বা সমাজ একজনকে না চায় সেত চলে যাবেই তার অভিমান এর মাত্রা যদি এমন হয় নিজেকে নিজে নিঃশেষ করার যে প্রলয় আয়োজন তা কি কোন মহাকালের নাকি ক্ষনিকের একটু ভাবনা, বিষাদের যন্ত্রনা সহ্য না করতে পেরে সুখের আসায় নতুন কোন যাত্রা?
এমনটা কারোরই কাম্য নয়। আখিদের মত কারোর অভিমানের মাত্রা যে এত অতিরিক্ত মাত্রায় না হয় নিজেকে শেষ করার মাঝে সমাধান খুঁজবে।
পিতা মাতার ও চাই একটু সচেতন হওয়ার ।কারনে অকারনে কলহ না করাই উত্তম।তাইলে আর কোন আখির জীবন দিতে হবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


