নিয়তি।ক'দিন ধরে অনিয়মিত স্কুলে।নিয়মিত নিয়তি অনিয়মিত কেনো চিন্তার বিষয়।সামনে প্রমোশন পরীক্ষা।পরীক্ষায় অনুপস্থিতি তো ঝরে পড়া।অভিভাবক বাড়ির দারোয়ান।নিয়তির বেড়ে ওঠা অবশ্যই তার হাতে।বাবা ব্যবসায়ী।মায়ের সঠিক খবর নিয়তির জানা নেই।দারোয়ান কাকাকে অনেকবার জিজ্ঞেসও করেছে নিয়তি।উত্তর একটাই আছে...আসবে।অনেকদিন পার হলো নিয়তি মায়ের দেখা আর পেলো না। আসছে বারোতম জন্মদিনে মা না আসলে জন্মদিনের কেক কাটবে না...সাফ বলে দিয়েছে নিয়তি। তাতেও কাজ হলো না।বাবাকে সে কোনো কথা বলতে পারে না। বাবার সময় নেই।বাবাকে তার মায়ের কথা জিজ্ঞেস করবে বলে অনেকবার ভেবেছিল কিন্তু .....সংশয় তাকে সতর্ক করেছে।সংশয় তার পথচলার সঙ্গী। আপন মনকে কাপন পরিয়ে রাখে সবসময়। নিয়তির স্রষ্টা অন্তরীক্ষে নিয়তির পরিণতির ছক এঁকে বসে আছে।
নিয়তির নিয়তি বুঝবার সময় এখনো হয়নি।নিয়তি নামটি উচ্চারণ করলে সবাই যে তাকে অন্যরকম দৃষ্টিতে দেখে তা সে উপলব্ধি করতে পারে।নিয়তির জন্মদাতায় নাকি নামটি রেখেছে। অবশ্য এটি দারোয়ান কাকার জবানিতে শোনা। যিনি নামটির জনক তিনি অন্য দ্বার গ্রহণ করেছে বলে শোনা যায়। নিয়তির এটি জানবার কথা নয়। নিয়মনীতির নিয়তির জীবন অনিয়মে ভরে যাচ্ছে....। ম্লান হাসি, শুকনো মুখবয়াব, ভঙ্গুর চাহনি তার যাপিত যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবির প্রতিনিধি। তার মনোবিকলনে যে বিপাকীয় কাজ চলছে তা সে বৈ আর কে বুঝবে। বুঝাবার ভাষাও তার জানা নেই। নির্দিষ্ট পরিগণ্ডিতে তার বিচরন। জীবন-জগত সম্পর্কে বোঝার সময় তার পেরিয়ে যাচ্ছে। বলবে কাকে তার যা বলার কথা। বলার কথা না বলেই হজম করে নিচ্ছে। আর কতো.... হজম করা যায়। অধরা মা, ধরাহীন ধরা বাবার ছেলে সন্তান নিয়তির এক আন্ধার হতে আন আন্ধারে প্রমোশন হয়েছে বলে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানতে পেরেছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


